অনেকটাই ব্যতিক্রমধর্মী যুবলীগ নেতা আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল

আলআমিন তালুকদারঃ

মৃত্যুর এপারে ওপারে বেঁচে থাকে সেই সব কীর্তিত্বজন যারা লাভ করেন অনন্তের অভিধা স্বাত্তি¡কতার অভিধা আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর জীবন অনন্তের, স্বাত্তি¡কের। ইনসানুল কামিল তথা মানুষের সেবা আর কল্যাণে তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একই সুচাগ্রে গাঁথা হয়ে আছে থাকবে তার সহজ সরল চলাফেরা আর অহংকার মুক্ত মনের মধ্য দিয়ে। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জিবিত সৈনিক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন। তার জন্মস্থান গ্রাম হরিনা, ডাকঘর-নিশ্চিন্তপুর, থানা- মতলব জেলা- চাঁদপুর, বর্তমান দক্ষিণ মনিপুর, মিরপুর ঢাকা সহ সারা দেশে পরিচিত সব জায়গায় প্রিয় মুখ আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল বহুমুখী ব্যাপক ও বিস্তৃত জ্ঞানের অধিকারী। তিনি সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

 

এর পূর্বে তিনি যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-সাধারণ সম্পাদক সহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন সাফল্যের সাথে। তৃনমূল থেকে অদ্যবধি রাজনীতির প্রতিটি গন্ডি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পালন করে এসেছেন। গভীর বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, তীক্ষ মেধা, ঐশী শক্তি সম্পন্ন, বিচক্ষন-বিশ্লেষক, মানব দরদী সমাজ কল্যানকামী এই মহান পুরুষ তার পরিচ্ছন্ন, উদার ধর্ম ও সমাজ চিন্তার আলোকে সমগ্র মানব সমাজের উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিকজীবন গঠনের মহান দায়িত্ব নিয়ে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার উপর গভীর সাধনায় সাবলীল ভালোবাসা প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সোপানে আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল নিবেদিত প্রাণ। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে যখন যুবলীগের নামধারী কিছু অসাধু রাজনীতির অপছায়ার নিধন প্রক্রিয়া চলছে। যখন ক্যাসিনো নামক শয়তানের কালো ছায়া অনেক ক্ষমতাসীণ যুবলীগ-আওয়ামীলীগ-এমপি-মন্ত্রীদের দাওয়া করছে তখন আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল নির্বিঘ্নে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে সততা ও সাহসীকতার সাথে। কিছু কুচক্রিমহল ঘনহারে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপর এসব কুর্কীতির বিষয় চাপিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

প্রকৃত পক্ষে যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে শেখ হাসিনাকে ভালোবাসে স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে তারা এ ধরনের কুকর্মে জড়িত হতে পারে না। ভালোভাবে খোঁজ নিলে দেখা যাবে অন্যায়ের সাথে জড়িত এসব নেতাকর্মী শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আওয়ামীলীগের লেভাসকে পুজিঁ করে ফায়দা লুটতেই অভিনয় করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুনিয়ায় শান্তি আর পরকালে মুক্তির মধ্যেই একজন ব্যক্তির প্রকৃত বিজয় হয়। তার কথা, নিজের জন্মভূমিকে ভালবাসতে হবে, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধকে নিজের বুঝতে হবে অন্যকেও বুঝাতে হবে। একজন মানুষ আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল কতটা সৎ ও শুদ্ধ, সত্য ও সুন্দর, সত্তম ও সদ্ধুত তা নির্ভর করে তার চরিত্র কতটা নিস্কলঙ্ক, কতটা অমল-ধবল, অমিতাভ, কতটা ন্যায়-নীতি আদর্শ নিষ্ঠা তার উপর। অনেক অভিজ্ঞাতায় অর্জিত শিক্ষা পারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে, কথায় ও কাজের অন্বয়ে, সুচিন্তন ও সুচেতার সাজুস্যে, স্নেহ ও প্রেমের সংশ্লেষ্ট-তবেই তার বিকাশ ও প্রকাশ, প্রতিভাস। আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল নির্মল চরিত্র, ফুলেল চরিত্র নির্ঝর চরিত্র, রুপে অপরুপ রুপস চরিত্র। এই জ্যেতিময় চরিত্র ধারন করে আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল বিষ্ময়কর মানবরুপী একটি ভবিষ্যৎ আদর্শিক দৃষ্টান্ত, নিজের জন্য নয় তার কাজ করার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, মূল সাংস্কৃতির মূল্যবোধকে জাগ্রত করবে শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-গরিমা, প্রেম-প্রীতি ও পূণ্যতায়।

 

একান্ত সাক্ষাতকারে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে কথা হলে তার নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেক না জানা কথা, উঠে আসে রাজনীতিতে এসে তার ত্যাগ, মহীমা আর বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনা-বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার কথা। ‘সম্ভবত ২০০২ কিংবা ২০০৩ সালের কথা। আমরা তখন বিরোধী দলে। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক সফরে গিয়েছিলাম দেশের উত্তরাঞ্চলে। সে সময় উত্তরাঞ্চল ছিল মঙ্গাপীড়িত (কাজের অভাব) এলাকা। রোগে-শোকে, অভাব-অনটনে সেখানকার মানুষের অবস্থা খুব নাজুক ছিল। হাত-ত্বক আঁচিলে ভরা এমন বেশ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ছিল সেখানে। তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ট হয়ে মিশতে, হাত মেলাতে, কিংবা আলিঙ্গন করতে কিছুটা অস্বস্তি লাগছিল আমার। কিন্তু আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গে আপনজনের মতই মিশেছেন। তাঁর মধ্যে অস্বস্তির লেশমাত্র ছিলনা। ব্যাপারটি আমাকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে, অনুপ্রাণিত করেছে। নেত্রী উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা সমস্যা মনে রেখেছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা সমস্যার সমাধান করেছেন।’

 

দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের একান্ত সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা এভাবেই স্মৃতিচারণ করছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল।তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যতবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমি বিস্মিত হয়েছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। বলিষ্ঠ নেতৃত্বের সমার্থক শেখ হাসিনা।রাজনীতিতে মাইনুল হোসেন খান নিখিলের অভিষেক ছাত্রলীগ দিয়ে। আর আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগের মধ্য দিয়ে। দেশের নানা রাজনৈতিক সংকট ও পট পরিবর্তনের সাক্ষী তিনি। অংশীদার আওয়ামী লীগের অনেক আন্দোলন-সংগ্রামের। এই সময়ের রাজনীতি, রাজনৈতিক সমতা, বিএনপির অবস্থান, জঙ্গি তৎপরতা, সরকারের সাফল্য, নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ব্যক্তি ও কর্মজীবনসহ নানা প্রসঙ্গে কথা হয় এই যুবলীগ নেতার সঙ্গে।দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, দেশে এখন কোন রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নেই। এমন শান্তিপূর্ণ অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুদ্ধিদীপ্ত ও আপসহীন নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল জানান এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকা উচিত। দেশে এখন নিঃসন্দেহে অনেক বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেশের ইতিবাচক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্দেশ করে। পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের বাইরে মাইনুল হোসেন খান নিখিল একজন সমাজসেবক। একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তার ভূমিকা সুবিদিত। যে স্কুলে তার পড়াশোনার হাতেখড়ি বর্তমানে তিনি সেই নিশ্চিন্তপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি।

 

এছাড়াও ধর্মানুরাগী ব্যক্তি হিসেবে তিনি পশ্চিম মনিপুরের বাইতুল আমান জামে মসজিদ ও বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদ, মধ্য মনিপুরের দারুল কোরআন এতিমখানা ও মাদ্রাসা, দক্ষিণ মনিপুরের বাইতুল আশরাফ জামে মসজিদ, পূর্ব মনিপুরের বাইতুল রব জামে মসজিদ এবং পশ্চিম কাজিপাড়ার বাইতুল আহসান জামে মসজিদ ও মাদরাসার উপদেষ্টা।