আবজর্না-বদ্ধ পানিতে খিদির খাল এখন উত্তরাবাসীর গলার কাটা

প্রকাশ : রবিবার, জুলাই ৭, ২০১৯ অপরাহ্ণ ১:০৮

( রাজউক-ঢাকা ওয়াশার কোন তত্ত্বাবধান নেই, নেই সিটি কর্পোরেশনের কোন নজরধারী , খিদির খাল বিলীনের পথে)

 

আলামিন তালুকদার:

 

রাজধানীর উত্তরার পরিপাটি আবাসিক এলাকার বুক চিরে এক সময়ের বহমান খিদির খাল জোয়ার-ভাটায় তুরাগ নদীর অববাহিকায় মিশে সৌন্দর্য্যে লীলাভূমি তৈরি করেছিল তার দুই পাড়কে।

 

কিন্তু কালের স্রোতে মানুষের অপরিকল্পিত ব্যবহারে ময়লা আবর্জনার স্তুুপে এই জীবিত খিদির খালকে জলজ্যান্ত অবস্থায় মাটি চাপা দিয়ে রেখেছে এই আবাসিক এলাকায় বসবাসরত ভদ্রলোকেরা। নিয়ন্ত্রনকারী সেক্টর কল্যান সমিতি সহ রাজউক ও পানি উন্নয়ণ বোর্ড সহ সংশ্লিষ্ট সবাই।

 

আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার মধ্যবর্তী স্লুয়েজ গেইট থেকে শুরু করে উত্তরা ১২ নং সেক্টর হয়ে এই খাল চলে গেছে রাজধানীর অন্যপ্রান্তে। সম্পূর্ণ খালটিই জলাবদ্ধতার ফলে আবজর্না-ময়লার স্তুপে পরিনত হয়ে খালের পানি পর্যন্ত তার রং পরিবর্তন করে। অসহনীয় গন্ধে বিশ্রি অবস্থার সৃষ্টি করে রেখেছে।

 

রাজধানী উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর ও হরিরামপুর ইউনিয়নের বুক চিরে বয়ে যাওয়া খালটির নাম খিদির খাল। দখল আর দূষনের কবলে পড়ে উত্তরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘ ৮ কিলোমিটারের এ খালটি তুরাগ থেকে উৎপত্তি হয়ে হরিরামপুর ইউনিয়নের রানাভোলো, ফুলবাড়িয়া, উত্তরা ১২ নং সেক্টর খালপাড়, দূলিপাড়া, বাউনিয়া, মিরপুর, আলোকদি হয়ে আবার তুরাগ নদীতে গিয়ে মিশেছে। এই খালটির মালিক ঢাকা ওয়াশা ও সিটি কর্পোরেশন।

 

স্থানীয়দের মতে- খিদির খালটি ঢাকা ওয়াসার হলেও এর কোন তত্ত¡াবধান নেই। স্থানীয়রা জানান, মিছিল-মিটিং মানবন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশের মতো আন্দোলনেও ভূমি খেকোদের হাত থেকে খিদির খাল রক্ষা করা যাচ্ছে না।