আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফার অবদান ভুলেনাই ভালুকাবাসী

ওমর ফারুক তালুকদার,ভালুকা(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধি:

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারনের কাছে আস্থাভাজন হিসেবে খুবই পরিচিত একটি নাম। সে কারনেই আসছে কাওন্সিলে ভালুকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দেখতে চান আওয়ামীলীগের তৃনমুল নেতাকর্মী সহ এলাকার জন সাধারন। আ’লীগের রাজনীতির সাথে তিনি দীর্ঘ ৫০ বছর যাবৎ নিজেকে জরিয়ে রেখেছেন।

 

ছাত্রলীগ দিয়ে শুরু হয়েছে তার রাজনৈতিক জীবন। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি, ছিলেন যুবলীগেরও সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক । উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও ছিলেন। তারপর দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর যাবৎ সুনামের সাথে উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিশেষ করে আ’লীগের দু:সময়ে যখন সবাই নিজেকে সেফ জোনে রাখতে ব্যস্ত। সেই সময় তিনি শক্ত হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। দলের নেতা কর্মীদেরকে সংঘবদ্ধ করে সকল অপশক্তির বিরুদ্বে রুখে দারিয়েছেন রাজপথে। তাঁকে নিয়ে দৃশ্যপট একেবারেই পাল্টে যেতে থাকে ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হবার পরেই। কারন অবহেলিত ভালুকার উন্নয়নের রুপকার হিসেবে নিজেকে আর্বিভূত করেন তিনি।

 

উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর তিনি উন্নয়ন তহবিল, রাজস্ব তহবিল ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির আওতায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার প্রায় ৪০০ কিলোমিটারের অধিক সড়কের উন্নয়ন করেছেন। তাছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও জাইকার অর্থায়নে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সড়ক পাকা করেছেন। এছারাও তার সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নে উপজেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা, নির্মান করা হয়েছে ৭১ টি বিদ্যালয় ভবন, একটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন, মুক্তিযোদ্বা কমপ্লেক্স ভবন, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্বাদের জন্য ১৮ টি বাসস্থান নির্মান করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে পরিদর্শন করে দেখা যায়, গোলাম মোস্তফা উপজেলা চেয়ারম্যান হবার পর প্রতোকটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গোলাম মোস্তফার ছোঁয়ায় কিছু না কিছু গ্রমীন রাস্তা পাকা হয়েছে। যা ভালুকার সাধারন মানুষ কোনদিন কল্পনাও করতে পারেনি।

 

শুধু মাত্র ভালুকার গ্রামগঞ্জের উন্নয়ন করেই তিনি এখন জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছেন। এছাড়াও তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ময়মনসিংহ বিভাগের উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এটাই প্রমান করে তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন অবকাশ নেই। সরেজমিনে দেখা যায় ভালুকার আপামর জনতা গোলাম মোস্তফার এই উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের জন্যই তাকে মনের মধ্যে জায়গা দিয়েছেন। ভালুকার বিভিন্ন এলাকার প্রবীন ব্যাক্তিরা বলেন, গোলাম মোস্তফা উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েই ভালুকার যে উন্নয়ন করেছেন তাতে তার এই অবদান ভালুকাবাসির কাছে চির স্বরনীয় হয়ে থাকবে।

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আসছে কাওন্সিলে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হবেন এটাই আমরা বিশ্বাস করি। তৃনমুলের অধিকাংশ নেতা কর্মির মতে গোলাম মোস্তফা সাংগঠনিক নেতা। তিনি দু:সময়ে নেতা-কর্মিদের পাশে ছিলেন এবং এখনও আছেন। তিনি যে সত্তিকারের আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রান সেটা প্রমান হয়েছে গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও। তিনি নিজে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও জননেত্রী শেখ হাসিনা আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনুকে মনোনয়ন দিলেও তিনি সকল হিংসা বিদ্বেশ ভুলে গিয়ে আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন ধনু’র পক্ষে প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ডে মানুষের ধারে ধারে গুরে নৌকার জন্য ভোট প্রার্থনা করেছেন। প্রতিটি মিটিং মিছিলে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহন করেন। এতেই প্রমানিত হয় আওয়ামীলীগের জন্য তিনি কতটা নিবেদিত।

 

এদিকে ভালুকার আনাচে কানাচে বিভিন্ন বাজার ও চা’আড্ডার আলোচনায় লোকজন বলেন ভালুকার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সবচেয়ে সফল ছিলেন আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা। তারা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের মত একটা চেয়ারে থেকে যে উন্নয়ন তিনি করেছেন তাতে তার অবদান কোনদিন ভুলার মত নয়। ভালুকার উন্নয়নে তার অবদান ভালুকাবাসি কোনদিন ভুলবেনা।

 

উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব  গোলাম মোস্তফা বলেন, ছাত্র রাজনীতি থেকে আ’লীগ করি। আ’লীগের সাথে কোনদিন বেইমানি করিনাই। আওয়ামীলীগ যদি ক্ষমতায় থাকতে পারে জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবেন এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের একটি দেশকে উন্নত দেশে উন্নিত করবেন ইনশাআল্লাহ। আসুন সকলে ঐক্যবদ্ব ভাবে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি।