(কথিত কিশোর গ্যাং লিডাররা এখন বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পাশাপাশি দেহ ব্যবসার শেল্টার দাতা সেজে এবং নিজেরা পতিতাদেরকে ব্যবহার করার পাশাপাশি কামাচ্ছে অবৈধ অর্থ। এদের সাথে প্রশাসনের সখ্যতা থাকার কারণে এদের ব্যবসা অনেকটাই নিরাপদ বেষ্টনীর মধ্যে থাকে।)

 

রবিউল আলম রাজু :

 

উত্তরার বিভিন্ন হোটেল সহ বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাড়ীতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আজমপুর কাঁচা বাজার হাসান টাওয়ারের হোটেল সিঙ্গাপুর, যার মালিক খলিল। ৭ নম্বর সেক্টর হোটেল মনপুরা সহ বিভিন্ন ভালো ভালো হোটেলে বাহির থেকে মেয়ে এনে রমরমা দেহ ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

উল্লেখ থাকে যে, ৫ নং সেক্টর, রোড নাম্বার ৩/এ, হাউস নাম্বার ২০ দ্বিতীয় তলায় সামনের সাইড। উত্তরার নামকরা দেহ ব্যবসায়ী তমা ও কমল রমরমা দেহ ব্যবসা করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। স্বামী-স্ত্রী মিলে দীর্ঘ ১২-১৪ বছর উত্তরার বিভিন্ন সেক্টরে রমরমা দেহ ব্যবসা করে আসছে তমা ও কোমল। ইতিমধ্যে এই দেহ ব্যবসায়ীরা প্রিমিও গাড়ী সহ গাজীপুরে জমি ক্রয় সহ করেছে বিপুল সম্পদ। কমল-তমার ও খলির সহ এরকম উত্তরার অনেক দেহ ব্যবসায়ীরা রীতিমতো কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করছে।

এসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা উত্তরার বিভিন্ন সেক্টর সহ লেকের পাড়, সাঙ্গামের মোড় সহ দিয়াবাড়ী খালপাড় পর্যন্ত বাইক নিয়ে ঘুরাঘুরির মধ্যে থাকে। কোন দেহ ব্যবসায়ীর বাসা কিংবা হোটেলে সাংবাদিক বা পুলিশ আসলে এসব কিশোর গ্যাংরা এলাকার ছেলে সেজে ঐ স্থানে জটলা পাকিয়ে তাদেরকে সেভ করার চেষ্টা করে। কমলের স্ত্রী তমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সাংবাদিকদের তোপের মুখে স্বীকারোক্তি দিয়ে জানায়। আমি অল্প অল্প কাজ করাই বেশি কাজ করাই না। তমা ও কমলের বাসায় সুন্দরী ছোট্ট ছোট্ট অল্প বয়সী মেয়েদেরকে দেখা যায়। সাংবাদিকদের তমা জানায়, মাঝে মাঝে আমি মেয়ে এনে বিভিন্ন গেস্ট এলে আমি তাদের দিয়ে কিছু টাকা ইনকাম করি। এই দেহ ব্যবসাকে আড়াল করতে তমার স্বামী কমল সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেয় বলে তমা জানায়। কোন পত্রিকায় কাজ করে জানতে চাইলে, তমা জানায় অপরাধ চক্র নামের অনলাইনে কাজ করতো।

উত্তরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সম্মুখে তমা বলতে থাকে আমি যদি এই কাজ না করি, এতেই কি থেমে থাকবে উত্তরার দেহ ব্যবসায়ীদের খারাপ ব্যবসা। তমার এই কথাগুলো উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও করে রাখে। তমা অতি চতুর মহিলা নিজের মা বোন মিলে এই ধরনের অপরাধ কমকান্ড চালিয়ে আসছে।এইরকম দেহ ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া স্ত্রী বাচ্চা সহ দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় আমার বাসায় বড় বড় ডিআইজি আইজি লেভেলের লোক আসে। আমার নামে কোন মামলা নেই, কোন জায়গায় অভিযোগ নেই। আমি সপ্তাহে দুই তিন দিন মেয়ে নিয়ে এসে দুই-একটা প্রোগ্রাম করাই এবং প্রশাসনের সকল লোকজন আমার বাসায় আসে। আমি উত্তরার কাউকে ভয় পাইনা, আমি ডাকলে ১০০ মোটরসাইকেলসহ পোলাপান হাজির হবে। আমি রাসেল ইত্তেফাক সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কাজ করেছি।

সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্ধে কি লিখবে তাতে আমার কিছু আসে যায় না। উত্তরাবাসীর দাবি সিঙ্গাপুর হোটেলের খলিল, দেহ ব্যবসায়ী কমল, তমা, রাসেল ও তার স্ত্রী সোমা সহ, সেক্টর ১৪, রোড-১৮, বাড়ি নাম্বার ২৪, তৃতীয় তলার পিছন সাইড রিপন ও জুইয়ের বাসা। এই জুই উত্তরার বিশিষ্ট দেহ ব্যবসায়ী, যার নাম আনাচে-কানাচে শোনা যায়। স্বামী রিপন সহ রমরমা দেহ ব্যবসা করে যাচ্ছে ঐ বাড়িতে। রিপন জানায়, প্রশাসন আমার হাতের মুঠে আমি কাউকে ভয় পাই না। টাকা দিলেই সব মিলে। রাজনীতিবিদ আর প্রশাসন আমার বাসায় আসে। উত্তরাবাসীর প্রাণের দাবি, হোটেল ও বাসা বাড়িতে দেহব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সর্বস্তরের যুবসমাজের দাবি।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here