উত্তরায় বিআরটিএ অফিসে ঘুষ ছাড়া মেলে না ড্রাইভিং লাইসেন্স

 

ওয়াহিদ আব্দুল্লাহ্ রাজীব :

ঘুষ না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস মেলেনা রাজধানীর উত্তরা বিআরটিএর আঞ্চলিক অফিসে। আর গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস সনদের জন্যও ঘুষ লেনদেন যেন বাধ্যতামূলক। অন্তত ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হয় এই সরকারি দপ্তরে। লাইসেন্স পরীক্ষার বিষয়ে জানতে উত্তরা বিআরটিএ আঞ্চলিক কার্যালয়ে যায়- প্রাণের বাংলাদেশের টিম।

এ সময় হাতে কাগজ দেখেই এগিয়ে আসেন বিআরটিএ সদস্যরা। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। সেই সঙ্গে নাম মাত্র পরীক্ষা দিয়ে ২১ দিনের মধ্যেই লাইসেন্স পাইয়ে দেয়ার প্যাকেজ দেন তারা। আবার ঘুষের নির্ধারিত টাকা লেনদেন না হলে আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গার প্রিন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হয় আবেদনকারীদের।

অভিযোগ আছে, ঘুষ না দিয়ে কোনো না কোনোভাবে লিখিত পরীক্ষা উৎরে গেছেন যারা, তাদের ভোগান্তি পদে পদে। ভুক্তভোগীরা জানান, এই সরকারি দপ্তরে দিনে ঘুষের লেনদেন হয় প্রায়-১০ লাখ। তবে কর্মকর্তারা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘুষের বিনিময়ে লাইসেন্স দেয়ার সুযোগ নেই। এছাড়াও মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস শাখায় দালালচক্রের তৎপরতা দেখা গেলেও ক্যামেরা দেখলে সরে পরেন তারা। অনিয়মের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হননি বিআরটিএ কর্মকর্তা।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এক পরিচালক। বিআরটিএ’র অনিয়ম দূর্নীতি দূর করতে সেবাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উত্তরা বিআরটিএ নিয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা মান্নানের ইতিহাস নিয়ে আগামী পর্বে থাকবে বিস্তারিত। চোখ রাখুন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে।