মো : নজরুল ইসলাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত করার জন্য গৃহীত নানামুখী উদ্যোগের মধ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প অন্যতম। প্রতিটি বাড়িতে একটি করে উৎপাদনমুখি খামার করে লাগসই কর্মসূচি প্রণয়ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সত্যিই এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এবং দেশকে দারিদ্য্র ও ক্ষুধামুক্ত করার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। এমনকি এদেশের মাটিতেই তাকে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এদেশের আপামর জনসাধারণকে এই কাজে সাড়া জাগানোর জন্য গ্রামে গ্রামে লোক নিয়োগ করছেন। ইতোমধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ০৭ টি পর্যায়ে প্রায় ১১ লক্ষ চাকরি প্রত্যাশি আবেদনকারীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে। দেশের চলমান প্রশ্নফাঁসের ঘটনাবহুল সময়ের মধ্যেই যথাযথভাবে এমন পরীক্ষা গ্রহণ প্রকল্প পরিচালক আকবর হোসেন এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
একটি বাড়ি একটি খামারের প্রকল্প পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিটি বাড়িতে একটি করে আয়বর্ধক খামার করার জন্য যা যা পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার তা আমরা করবো। দেশ ও দশের জন্য নতুন কিছু করাই আমাদের লক্ষ্য। দেশকে দারিদ্য্রের কষাঘাত থেকে মুক্ত করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরো জানান, দেশের যুব সমাজ একটি বড় শক্তি, এই যুব শক্তি মাদকের নেশায় পড়ে ধ্বংস করছে যেমন তাদের জীবন তেমনি হারিয়ে যাচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ। এই যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলো একদিকে যেমন বেকার সমস্যা সমাধান হবে অপরদিকে দেশ ও জাতি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, ডিসেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে প্রায় ৬৮ হাজার সমিতি গঠনের মাধ্যমে প্রায় ৩৩ লক্ষ পরিবারকে আমরা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এ সময়ের মধ্যে তারা ব্যাক্তিগতভাবে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা সঞ্চয় জমা করেছেন যার বিপরীতে সরকারও সমপরিমান টাকা কল্যাণ অনুদান দিয়েছে, তাছাড়া এ তহবিলে আরও ১৬০০ কোটি আবর্তক তহবিল দিয়ে সমিতির এক স্থায়ী তহবিল গড়ে দেয়া হয়েছে যাতে করে দরিদ্র মানুষের আর চড়া সুদে ঋণ গ্রহণ করতে না হয়। এ সময়ের মধ্যে ছোট ছোট ৩৫ লক্ষ বাড়িভিত্তিক খামার সৃজনের জন্য ৪৮০০ কোটি টাকা সমিতি থেকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে যা আবার কিস্তি পরিশোধের মাধ্যমে তাদের সমিতির তহবিলেই ফেরৎ আসবে। আগামী ২০২০ এর জুনের মধ্যে ০১ লক্ষাধিক সমিতি গঠনের মাধ্যমে ৬১ লক্ষ পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প কাজ করে যাচ্ছে।
ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু করার ইচ্ছার ধারাবাহিকতায় এবার দেশ ও জাতিকে উপহার দিতে যাচ্ছেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ। তিনি বাংলার নিবেদিতপ্রাণ একজন কর্মী এবং উন্নয়নের কা-ারী ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here