একদিকে পেটে ক্ষুধা অন্যদিকে করোনা, সাধারণ জনগণ কি করবে?

 

মাহমুদুল হাসানঃ

২৬মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। পড়ে করোনা মোকাবিলায় ছুটি বৃদ্ধি করে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।কিন্তু পোশাক শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য কি না বলা হয়নি।প্রথমে ছুটি দিলেও পড়ে ৪ এপ্রিল থেকে ১১এপ্রিল এর ছুটি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ইতিপূর্বে ১০লক্ষ্য পোশাক শ্রমিক বিনা বেতনে চাকরি হারিয়েছেন।

জার ফলে ৪ এপ্রিল সাকাল থেকে ঢাকা ময়মনসিংহ রুটে পেটের দায়ে চাকরি হারানোর ভয়ে পোশাক শ্রমিকদের কখনো হেটে আবার কখনো মাল বাহী ট্রাক করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে দেখা যায়।

করোনার থাবা থেকে কি বাছতে পারবে পোশাক শ্রমিকরা, বা তাদের জন্য কি নেয়া হয়েছে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা?

সরকার যেখানে হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে পুলিশ সেনাবাহিনী মোতায়েন সহ নানা রকম জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে সেখানে গার্মেন্টস কর্মীদের সুরক্ষার ব্যাপারে বিভিন্ন সংগঠন থাকলেও তাদের কোনো ভুমিকা ইতিমধ্যে দেখা মেলেনি।

গার্মেন্টস গুলোতে এক সঙ্গে অনেক লোকের সমাগমেও সুরক্ষিত কোনো নিরাপত্তা নেয়া হয় নি।

এইসব অনিয়মে ইতালি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশেও করোনাভাইরাস মহামারী রূপ ধারণ করলে করোনা ঠেকাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

দেশী-বিদেশী স্বাস্থসংস্থা গুলো করোনা মোকাবেলায় সর্বনিম্ন ৩ ফিট দূরত্ত ও জনসমাগম এরিয়ে চলার কথা বলছে, দেশের বিভিন্ন জেলা শহর গুলোতে তার ভিন্ন চিত্র।

হোমকোয়ারেন্টাইন তো মানছেই না বরং মনের আভিলাসে চা স্টলে আড্ডা, বিয়ের অনুষ্ঠানে একে পরের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া, বিনা কারণে দলবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেয়া, এছাড়াও বাজার গুলোতে বেড়ে গেছে জনসমাগম।

তাই যারা নিয়ম মেনে হোমকোয়ারেন্টাইন বা সরকারের নির্দেশ পালন করছে তাদের মনেই প্রতিনিয়ত শঙ্কা জন্মাচ্ছে । চারিদিকের এসব অনিয়ম ঠেকাতে হিমসিম খাচ্ছে প্রশাসন।