বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
একই ইউনিয়নে ৭ টি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলে জিমে’র আড়ালে মাদক ব্যবসা; ৩০ লাখ টাকার হিরোইনসহ নারী আটক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নিয়োগ প্রদান করায় ভাণ্ডারিয়ায় দোয়া ও মোনাজাত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রৌমারীতে লজিক প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধুর মুর‍্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন খুলনা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মইনুল হক কুমিল্লায় তৈরি হলো দেশের সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট টঙ্গীতে এশিয়ান ও আনন্দ টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় সাংবাদিক অর্পণের মায়ের মৃত্যু ঘাটাইলে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক-১

কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস আজ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৬ Time View

আবির হাসান পারভেজঃ
আজ ৮ ডিসেম্বর। মাদারীপুরের কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস । ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে কালকিনি ছারা হতে বাধ্য হয় পাক হানাদার বাহিনী। পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে কালকিনি মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে কালকিনি উপজেলার ৫ জন কমান্ডারের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা কালকিনি উপজেলার সিডিখান, এনায়েতনগর, সমিতিরহাট ছাড়াও বরিশালের গৌরনদী ও মুলাদী উপজেলা ও কালকিনির সীমান্তবর্তী ৩টি স্থানে মুখোমুখি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকবাহিনীকে পরাস্ত করেন।
স্থানীয় ও মুক্তিযোদ্ধা সূত্রে জানা গেছে মুক্তিযুদ্ধে কালকিনি ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে।১৯৭১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকহানাদার বাহিনী রাজাকারদের সহযোগিতায় উপজেলার ফাসিয়াতলা বাজারে গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এ সময় ১৫০ জন মুক্তিকামী মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এছারা ভূরঘটায় একটি ব্রিজের কাছে মানুষ ধরে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিতো পাকবাহিনী। ব্রিজের নিচের পানি মানুষের লাল রক্তে রঞ্জিত হওয়ায় পরে এই ব্রিজের নাম হয় লালপোল বা লালব্রিজ যা এখনও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।
২৪ সেপ্টেম্বর গোপালপুর ব্রীজে মাইন বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেরার পথে পাক আর্মির বুলেটে শাহাদৎ বরণ করেন শহীদ বীর বিক্রম নুরুল ইসলাম। চলতে থাকে খন্ড যুদ্ধ। সর্বশেষ ৮ ডিসেম্বর কমান্ডার আ: রহমানের নেতৃত্বে শতাধিক মুক্তি যোদ্ধা লালপুর সংলগ্ন ও থানার অব্যন্তরে পাক হানাদারদের ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে কালকিনিকে হানাদার মুক্ত করে। এদিন হাজার হাজার নারী-পুরুষ বিজয়ের আনন্দে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। কালকিনি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রকাশ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে কালকিনিমুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধারা মাদারীপুর মুক্ত করার জন্য রওনা হন।

স্থানীয় ও মুক্তিযোদ্ধার বলেন, বর্তমান সরকার মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করায় দেশ আজ কলঙ্কমুক্ত হচ্ছে। এর সঙ্গে কালকিনি ও আশপাশের রাজাকার-আলবদরদের বিচার কাজ শুরু করে বিজয়ের মাসেই কালকিনির পাপমোচন করার দাবি যানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines