প্রাণের বাংলাদেশ ডেস্কঃ

 

রাতে বাড়ি ফেরার সময় এলাকার গলিতে কুকুরের জটলা। যদি তেড়ে আসে তা ভেবে অনেকের কপালে পড়ে চিন্তার ভাঁজ। সামনে এগিয়ে যেতে ভয়ে কলজে শুকিয়ে কাঠ হওয়ার অবস্থা।

কুকুর হঠাৎ তাড়া করলে কখনোই দৌঁড় দিতে হয় না। দৌঁড় দিলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে। সুতরাং কী করা উচিত তা জেনে নিন এবার।

* ভয় পাবেন না: মনে ভয় রাখলে চলবে না। কেননা কুকুর বুঝতে পারে, কে ভয় পাচ্ছে। যারা ভয় পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে, তাদের বেশি করে তাড়া করে। তাই ভয় পাওয়া চলবে না কোনোভাবেই। কর্তৃত্বের স্বরে কুকুরের সঙ্গে কথা বলুন এবং সরে যেতে নির্দেশ দিন।

* থেমে যান, ধীরে হাঁটুন: হাঁটার সময় যদি আশপাশ থেকে কুকুর আপনার দিকে তেড়ে আসতে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে যান কিংবা হাঁটার গতি আস্তে করুন। দেখান যে, আপনি ভয়ে পালাচ্ছেন না। উপেক্ষা করলে কুকুর দূরে সরে যাবে।

* হাতের আঙুল মুষ্টিবদ্ধ করে রাখুন: কুকুর কাছে চলে আসলে আপনার হাত চারপাশে নাড়াবেন না বা মাটিতে লাথি মারবেন না। এসব কাজকে কুকুর হুমকিস্বরূপ মনে করতে পারে। স্থির থাকুন, কুকুরের পাশে এসে দাঁড়ান এবং তাকে আপনার পেরিফেরাল দৃষ্টিতে রাখুন। এটি কুকুরকে সংকেত দেবে যে আপনি কোনো হুমকি নন। আপনার হাতের আঙুল মুষ্টিবদ্ধ করে রাখুন। কুকুরটি বেশ কাছাকাছি আসতে পারে এবং কামড় না দিয়ে আসলে আপনাকে শুঁকে চলে যেতে পারে।

* সরাসরি তাকাবেন না: কুকুরের চোখের দিকে সরাসরি তাকাবেন না। এতে কিছু কুকুর আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তারা আপনার থেকে ভয় পেয়ে আরো তেড়ে আসতে পারে। তাই আস্তে করে হেঁটে পার হয়ে যান।

* মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন: কুকুরকে অন্য কোনো জিনিস দিয়ে ভুলিয়ে দিন। যাতে আপনার দিকে আর সে না তাকায়। আপনার কাছে যদি খালি বোতল, ছেঁড়া প্লাস্টিক বা বাতিল কিছু থাকলে তা কুকুরকে দেখিয়ে ছুঁড়ে দিন। সেটিতে সে তখন মন দেবে। আপনাকে মুক্তি দিতেও পারে।

তবে কুকুর যদি কোনো কারণে আক্রমণ করে বসে, সেক্ষেত্রে আপনাকে লড়াই করতে হবে। লড়াই করার সময় শব্দ করে জোরে কথা বলতে থাকুন যেন আশেপাশের মানুষ শুনতে পেয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। সম্ভব হলে কুকুরের চোখে সজোরে ঘুষি মারুন। যদি তারা সংখ্যায় বেশি হয় এবং আপনাকে মাটিতে ফেলে দিতে সক্ষম হয়, তাহলে হাত ও কাঁধের সাহায্যে মাথা, মুখ ও ঘাড় রক্ষা করার চেষ্টা করুন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here