প্রেস রিলিজ

১। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনা এলিট ফোর্স র‌্যাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এটি র‌্যাবের চলমান আভিযানিক কর্মকান্ডেরই একটি অংশ। দেশের সন্ত্রাস কবলিত এলাকা সমূহে র‌্যাব এর অভিযানের ফলে জনগণ শান্তিতে জীবন যাপন করছে এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। এলিট ফোর্স র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর হতে অদ্যবধি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আপোষহীন এবং নিরলস গ্রেফতার অভিযান চলমান রেখেছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ভাংগা মসজিদ, সাতমসজিদ রোড এলাকায় কয়েকজন সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা অদ্য ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখ সময় আনুমানিক ২৩.২৫ ঘটিকায় উক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে (১) মোঃ রুবেল হোসেন (২২), পিতা- মোঃ আঃ রহিম, সাং- মোহাম্মদপুর সাতসজিদ হাউজিং, থানা- মোহাম্মদপুর, জেলা- ডিএমপি, ঢাকা, (২) মোঃ সোহাগ আলী (২৩), পিতা- মোঃ মোতাহার হোসেন, সাং-পনিয়া গোডাউন, থানা- ভোলা, জেলা- ভোলা, অ/চ ভাঙ্গা মসজিদ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, (৩) মোঃ সোহাগ (১৯), পিতা- মোঃ মাঈনুদ্দিন, সাং-দক্ষিন চরবোয়ালী সাজিল্লা মিঝিবাড়ী, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর, অ/চ ভাংগা মসজিদ, মোহাম্মদপুর সাতমসজিদ রোড, ডিএমপি, ঢাকা দেরকে আটক করে।

৩। আটকৃত আসামী মোঃ রুবেল হোসেন(২২) এর নিকট হতে, তার কোমড়ে গোঁজা অবস্থায় একটি ৭.৬৫ এমএম বিদেশী পিস্তল যার গায়ে গঅউঊ ওঘ টঝঅ খোদাই করে লেখা আছে। পিস্তল এর সাথে ম্যাগাজিনে সংযুক্ত ০২ রাউন্ড গুলি ছিল। অপর আটককৃত আসামী মোঃ সোহাগ আলী (২৩) এর ডান পকেট হতে ১০০ রাউন্ড গুলি এবং আসামী মোঃ সোহাগ(১৯) এর কোমড়ে গোঁজা প্লাস্টিকের ব্যাগে ৮৫ রাউন্ডগুলিসহ গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানায় যে, তারা সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অস্ত্র গোলাবারুদের ব্যবসা করে আসছিল। তারা দেশ এবং দেশের বাইরের উৎস থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করে থাকে এবং পরবর্তীতে সুবিধাজনক ব্যক্তির নিকট তা চড়াদামে বিক্রি করাসহ ভাড়া প্রদান করে। এছাড়াও তারা দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা শহর ও আশপাশের অন্যান্য এলাকার সুবিধাজনক স্থানে বিভিন্ন লোকজনকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছিল। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজনকে অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজী, ছিনতাই, খুন, ডাকাতিসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তাদের প্রধান পেশা। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্র হিসাবে কাজ করে। তাদের কিছু সদস্য এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছে।

৪। এছাড়াও আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই বাছাই করে ভবিষ্যতে র‌্যাব-২ কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here