মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

কেশবপুরে মাদ্রাসার সামনে পোল্ট্রি মুরগী খামার নির্মান শুরু ॥ পরিবেশ বিনষ্ট ও মারাত্বক স্বাস্থ্যঝুকির সম্ভাবনা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৬ Time View

এম. আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর )ঃ
যশোরের কেশবপুরে একটি দাখিল মাদ্রাসার সামনে পোল্ট্রি মুরগী খামার নির্মান শুরু করেছে ঐ এলাকার এক প্রভাবশালী খামার ব্যবসায়ী। মাদ্রাসার গা-ঘেষে মুরগীর খামারটি নির্মিত হলে এবং মুরগী পালন শুরু হলে মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের পড়া-লেখা করার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে ঐ মাদ্রসার শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি সহ এলাকার সচেতন মহলের ধারণা। তাই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদে পড়া লেখার স্বার্থে মাদ্রাসার পাশে মুরগী খামার নির্মান বন্ধের দাবীতে মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গত ৭ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার , যশোর জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ঢাকাসহ কয়েকটি দপ্তরে অভিযো দাখিল করেছে। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার দোরমুটিঢা দাখিল মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়া লেখা করছে। মাদ্রাসাটির মাত্র ১০ গজ দুরে পুর্ব-দক্ষিণ পাশে একই গ্রামের মৃত সোবান সরদারের ছেলে হাবিবুর রহমান একটি বিশাল আকৃতির পোল্ট্রি মুরগী খামার নির্মানের কাজ শুরু করে। মাদ্রাসা সংলগ্ন খামারটি স্থাপিত হলে ৪ শতাধিক কোমলমতি পড়ার লেখার পরিবেশ বিনষ্ট সহ মারাত্বক স্বাস্থ্যঝুকির সম্মুখিন হবে। সার্বিক বিষয় বিচেনা করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি হাবিবুর রহমানকে অবহিত করলে তিনি তাতে অসম্মতি জানিয়ে আরো দ্রুত গতিতে খামার নির্মানের কাজ শুরু করে। অবশেষে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার পরিবেশ রক্ষায় মাদ্রাসার সুপার মোঃ আবু তালেব বাদি হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ একাধিক দপ্তরে অভিযোগ করেছে। এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দেখবো যদি পরিবেশ দুষনের সম্ভবনা থাকলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines