খসরু চৌধুরী কে.সি ফাউন্ডেশন আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক র‌্যালী

আলআমীন তালুকদার/রফিকুল ইসলাম বাবুঃ

 

৮-৮-২০১৯ বৃহস্পতিবার শেখ হাসিনার নির্দেশ ডেঙ্গু মুক্ত বাংলাদেশ। এই স্লোগাণকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন জনসচেতনতামূলক লিফলেট নিয়ে র‌্যালী করে কে.সি ফাউন্ডেশন। কে.সি ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান এই মহতী কাজের উদ্যোগ নেয়, কে.সি ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিশাল র‌্যালীর উদ্ভোধন করেন নিপা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কে.সি ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোঃ খসরু চৌধুরী। র‌্যালীটি উদ্ভোধনের মধ্য দিয়ে সকল কে.সি ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা শেখ হাসিনার নির্দেশ ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ স্লোগাণ সংবেলিত হলুদ-সাদা টি শার্ট পরিধান করে পিকাব যোগে উত্তরা সহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে এবং জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরন করেন। র‌্যালীর শুরুর পূর্বে আলহাজ্ব মোঃ খসরু চৌধুরী বলেন, আমাদের পক্ষে এডিস মশা দমন করা সম্ভব নয় আমরা জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে এই র‌্যালীর আয়োজন করেছি।

এডিস মশা নিধণ সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং এলাকার কাউন্সিলর গণ আমরা শুধু মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার স্লোগাণকে সকলের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসে সকলকে এডিস মশা তথা ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে সজাগ থাকার জন্য সচেতন করছি। এছাড়া তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরনের সময় সকলকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণঃ

১। শরীরে তাপমাত্রা হঠাৎ করে ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রী বৃদ্ধি পায়
২। মাথা ব্যথা, মাংসপেশী, চোখের পেছনে, পেটে ব্যথা এবং হাড়ে বিশেষ করে মেরুদন্ডে ব্যথা অরুচি, বমি বমি ভাব ও বমি করা

৩। চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ, চোখে রক্তক্ষরণ, চোখে রক্ত জমাট বাধা
৪। লালচে/কালো রঙের পায়খানা, দাঁতের মাড়ি, নাক, মুখ ও পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাত
৫। রক্তচাপ হ্রাস, নাড়ীর গতি দ্রুত হওয়া, ছটফট করা, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে পড়া
৬। শরীরে হামের মত দাগ (জধংয) দেখা দিতে পারে
৭। মারাত্বক (হেমোরেজিক) ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ হতে রক্তক্ষরণ এবং পেটে ও ফুসফুসে পানি জমতে পারে।

 

ডেঙ্গু জ্বর হলে কি করবেনঃ

১। ডেঙ্গু জ্বর হলে দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকর্মীকে খবর দিবেন বা ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন
২। জ্বর যাতে না বাড়ে সেজন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে খেতে পারেন
৩। রোগীর মাথায় পানি দিন বা ভিজা কাপড় দিয়ে তা মুছে দিন।
৪। রোগীকে প্রচুর পরিমানে তরল ও স্বাভাবিক খাবার খেতে দিন।
৫। রোগ বৃদ্ধি পেলে রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়ঃ

ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, ভাঙ্গা হাড়ি-পাতিল, টিনের কৌটা, গাড়ীর পরিত্যাক্ত টায়ার, ভাঙ্গা কলস, ড্রাম, নারিকেল ডাবের খোশা, ফাস্টফুডের কন্টেইনার, এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটরের তলায় পানি জমতে দেবেন না। যে সব স্থানে মশা জন্মায়- সেসব স্থানে পানি জমতে দিবেন না, বাড়ীর ভেতর, আশপাশ ও আঙ্গিনা পরিস্কার রাখুন, দিনে অথবা রাতে ঘুমানোর সময় মশারী ব্যবহার করুন।