শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকুন, কেউ যেনো মানুষের ক্ষ‌তি কর‌তে না পা‌রে : প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট একই ইউনিয়নে ৭ টি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলে জিমে’র আড়ালে মাদক ব্যবসা; ৩০ লাখ টাকার হিরোইনসহ নারী আটক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নিয়োগ প্রদান করায় ভাণ্ডারিয়ায় দোয়া ও মোনাজাত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রৌমারীতে লজিক প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধুর মুর‍্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন খুলনা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মইনুল হক কুমিল্লায় তৈরি হলো দেশের সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট টঙ্গীতে এশিয়ান ও আনন্দ টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

খুলনায় বাড়তি বিলের চাপে দিশেহারা বিদ্যুৎ গ্রাহকরা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৮ Time View

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা ব্যুরো:
খুলনা নগরীর বেশ কিছু এলাকায় গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছে। আবার কোন অদৃশ্য কারণে দু’মাসের বিল একসাথে দিচ্ছে। ডিজিটাল মিটারে সংযোগ নেওয়ার পরও মিটার রিডাররা মিটার না দেখে মনগড়া বিল দেওয়ার কারণে বিল বেশি আসছে বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন।
নগরীর লবণচরা, টুটপাড়া, পশ্চিম বানিয়াখামার, শিববাড়ি, ময়লাপোতা, দেবেন বাবু রোড, জোড়াগেট এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, মিটার-রিডাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার না দেখে অফিসে বসেই মনগড়া বিল তৈরি করে। দু’মাসের বিল এক সাথে দেয়। বিল পরিশোধের একদিন আগে বিলের কাগজ গ্রাহকের বাড়িতে দেয়।
ভোগান্তির শিকার নগরীর শিপইয়ার্ড এলাকার আব্দুস সালাম নামের এক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, আগস্টে তিনি ৪৫০ টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছেন। সেপ্টেম্বরে তার বিল এসেছে ২ হাজার ৪৭ টাকা। পরে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার ব্যাক মেরেছে বলে জানায় তাকে। এধরনের মনগড়া বিদ্যুৎ বিল আসায় বিপাকে রয়েছেন তিনি।
মতিয়াখালি বাজার এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন মোঃ আব্দুল জলিল। তিনি বলেন, প্রতিমাসে বিলের কাগজ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে। অফিসে গেলে টেবিলে টেবিলে ঘুরতে ঘুরতে দিন পার। পরেরদিন আবার যেতে হয় টাকাও খরচ হয়।
জিন্নাহপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহেদা রহমান বলেন, বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধের শেষ তারিখ যেদিন, ঠিক তার আগের দিন বিলের কাগজ তার বাড়িতে দেওয়া হয়েছে। পরে বেশি বিল থাকায় দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, কয়েক মাস আমার মিটার বারান্দায় আটকা রয়েছে। কিন্তু কোন বিদ্যুতের লোক আসেনি। অথচ বিল হচ্ছে।
দেবেন বাবু রোড এলাকার মোসাঃ মরিয়ম আক্তার বলেন, মাঝে মাঝেতো বিলের কাগজ আসে না। অফিসে গেলে জানায় দু’একদিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন। পরের মাসে একসাথে বেশি বিল আসে। মিটারের রিডিংএর সাথে বিলের কোন মিল থাকে না। বিদ্যুতের লোকেরা অফিসে বসে বিল করে বলে মিটারের সাথে বিলের কোন মিল থাকে না বলে মনে করেন তিনি।
টুটপাড়া জোড়াকল বাজার এলাকার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত (নভেম্বর) মাসের বিল আমি পাইনি। আমি মিটার রিডারকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় পরে দিয়ে যাবে। কিন্তু ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোন কিছু জানায়নি।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হক বলেন, আমার এলাকায় ৫৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সেক্ষেত্রে কিছু ভুল হতে পারে। তবে আমাদের মিটার রিডার বা অন্য কারো কোন ত্রুটি থাকলে আমরা বিষয়টি দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines