বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকুন, কেউ যেনো মানুষের ক্ষ‌তি কর‌তে না পা‌রে : প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট একই ইউনিয়নে ৭ টি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলে জিমে’র আড়ালে মাদক ব্যবসা; ৩০ লাখ টাকার হিরোইনসহ নারী আটক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নিয়োগ প্রদান করায় ভাণ্ডারিয়ায় দোয়া ও মোনাজাত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রৌমারীতে লজিক প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধুর মুর‍্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন খুলনা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মইনুল হক কুমিল্লায় তৈরি হলো দেশের সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট টঙ্গীতে এশিয়ান ও আনন্দ টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

জমে উঠেছে শত বছরের কসবা গো-হাট

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
  • ৬ Time View

এস,এম,মিজান গৌরনদী (বরিশাল) :

পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে (কোরবানি) সামনে রেখে ইতোমধ্যে জমে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত ও শত বছরের প্রাচীণ বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার কসবা গো-হাট। এ অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এ পশুর হাটে গত ২২ আগস্ট থেকে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
সূত্রমতে, প্রতিবছর ঈদ-উল আযহায় এ হাটে সবচেয়ে বেশি পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। ইতোমধ্যে এ হাটে ভারতীয়, নেপালী, দেশী গরুতে সয়লাব হয়ে গেছে। তবে ক্রেতাদের কাছে দেশী গরুর চাহিদা বেশি লক্ষ্যকরা গেছে। এ গো-হাটকে কেন্দ্র করে কসবা, বানীয়াশুরি, চরদিয়াশুর, কালকিনির রমজানপুর, চরআইরকান্দি, সাহেবরামপুর, কয়ারিয়া, আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট, বাশাইল, কোটালীপাড়া ও বান্ধাবাড়ি এলাকার কয়েক শ’ মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
হাট ইজারাদার আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার জানান, আসন্ন কোরবানী উপলক্ষে সাপ্তাহিক হাটের (বৃহস্পতিবার) পরিবর্তে গত ২২ আগস্ট থেকে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক গরু বিক্রি হয়। নোয়াখালী, লহ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে বালামি নৌকায় (ট্রলার) গরু ব্যবসায়ীরা আসেন এ হাটে গরু ক্রয়ের জন্য। পাইকারী ব্যবসায়ীরাও দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ট্রাক ভর্তি করে গরু আনেন বিক্রি করার জন্য। এছাড়া খুচরা পাইকাররা গ্রামঘুরে গৃহস্থের গরু ক্রয় করে আমদানি করেন এ হাটে বিক্রির জন্য।
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি কেতাব আলী হাওলাদার (৮২) জানান, প্রায় একশ’ বছর পূর্বে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে একমাত্র গো-হাট ছিলো বর্তমান মাদারীপুরের গোপালপুর এলাকায়। সেখানকার হাট পরিচালনা কমিটির নেতাদের সাথে বিরোধের জেরধরে কসবা গ্রামের জনৈক মোচন খান, পবন খান, গনি মুন্সী, জহুর আলী খান, কাসেম খানসহ ১০/১৫জন গরু ব্যবসায়ীরা কসবা এলাকার শাহ্ বংশের পরিত্যক্ত ভিটায় (বর্তমানে সরকারী সম্পত্তি) কসবা গো-হাট প্রতিষ্ঠিত করেন। হাটের সন্নিকটে মহাসড়ক ও আড়িয়াল খাঁর শাখা পালরদী নদীর অবস্থান হওয়ায় সড়ক ও নৌ-পথের সহজ যোগাযোগের কারণেই পর্যায়ক্রমে এ হাটের সুনাম গোটা দক্ষিণাঞ্চলে ছড়িয়ে পরে। ফলশ্রুতিতে দেশের বিভিন্ন এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এ হাটে আসতে শুরু করেন। তিনি আরও জানান, আগে এ হাটে গরু ক্রয়ের জন্য ব্যবসায়ীরা ১৫/২০টি বালামি নৌকা নিয়ে আসতো। প্রতিটি নৌকায় দেড় থেকে দুই শ’ গরু ভর্তি করে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যেতো। কালের বির্বতনে দেশের বিভিন্নস্থানে গরুর হাট প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় কসবা গো-হাটের কিছুটা জৌলুস হারিয়েছে। বর্তমানে প্রতিসপ্তাহে এ হাটের উদ্দেশ্যে ৫/৬টি বালামি নৌকা আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines