শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকুন, কেউ যেনো মানুষের ক্ষ‌তি কর‌তে না পা‌রে : প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট একই ইউনিয়নে ৭ টি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলে জিমে’র আড়ালে মাদক ব্যবসা; ৩০ লাখ টাকার হিরোইনসহ নারী আটক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নিয়োগ প্রদান করায় ভাণ্ডারিয়ায় দোয়া ও মোনাজাত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রৌমারীতে লজিক প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধুর মুর‍্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন খুলনা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মইনুল হক কুমিল্লায় তৈরি হলো দেশের সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট টঙ্গীতে এশিয়ান ও আনন্দ টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষ হত্যা মামলায় দুই জনের ফাঁসির আদেশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪ Time View

 

আ:রশিদ তালুকদার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার পলাশতলী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় দুই জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই মামলায় তথ্য প্রমাণ না থাকায় অভিযুক্ত তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা ওই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- সখীপুর উপজেলার ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু এবং একই গ্রামের সুর্যত আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর। রায় ঘোষণার সময় মিনহাজুর রহমান মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল মালেক শুকুর জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক রয়েছেন। বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- গোবরচাকা গ্রামের শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ ও মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বৈলারপুর এলাকায় পৌঁছলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টু ও তার লোকজন জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি) এসআই আইয়ুব আলী পাঁচজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেন বিচারক।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines