শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকুন, কেউ যেনো মানুষের ক্ষ‌তি কর‌তে না পা‌রে : প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট একই ইউনিয়নে ৭ টি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলে জিমে’র আড়ালে মাদক ব্যবসা; ৩০ লাখ টাকার হিরোইনসহ নারী আটক তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নিয়োগ প্রদান করায় ভাণ্ডারিয়ায় দোয়া ও মোনাজাত ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রৌমারীতে লজিক প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধুর মুর‍্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন খুলনা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মইনুল হক কুমিল্লায় তৈরি হলো দেশের সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট টঙ্গীতে এশিয়ান ও আনন্দ টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

ডেসকোর নতুন সংযোগে চরম দূর্নীতি প্রিন্স, রিপন ও নাপিত মনির বাহিনীর হাতে মিরপুরের বিদ্যুৎ অফিস জিম্মি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টার ঃ-

মিরপুরের বিদ্যুৎ অফিস ডেসকো কর্তৃক গ্রাহকগণ প্রতিনিয়ত অমানবিক হয়রানির শিকার হচ্ছে। ডেসকোর পিয়ন থেকে উর্ধতন কর্মকর্তাগণ গ্রাহকদের যে ভাবে হয়রানি করে থাকে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা প্রত্যেকে গ্রাহকদেরকে সুকৌশলে ফাইলের জটিলতা দেখিয়ে কালক্ষেপন করে। তাদের মধ্যে কয়েকটি বিল্ডিং এর দুর্নীতির প্রমান রয়েছে। যেমন: নোয়াখালী টাওয়া, ১৩ নং মিরপুর বাদশা কমিউনিটি সেন্টার এর বিপরীতে,নোয়াখালী টাওয়ারের নীচ তলা আবাসিক ভবনে সম্পূর্ণ বানিজ্যিক কার্যক্রম চলছে। বানিজ্যিক বন্ধের ব্যবস্থাপনাকে তোয়াক্কা না করে সেখানে সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।৭৩৮,ইব্রাহীমপুর, মমতাজ বেগম বিল্ডিং এর সংযোগ প্রদানের তথ্য মন্ত্রীর অনুরোধ ও বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের আদেশকে তোয়াক্কা না করে সংযোগ বন্ধ করে, যার স্মারক নং-ডেসকো/বিওবি বিভাগ(কাফরুল)প: প:/২০১৭/২০১২, ডেসকো থেকে যে নোটিশ দেওয়া হয়েছে তার স্মারক নং ২৭.০০.০০০০.০৫২.৩১.০১০.২০১৩-৪৫২ এবং রিপোর্টে অনেক ভূলভ্রান্তি লিখে এক লক্ষ টাকা ঘুষের দাবী জানানো হয়েছে। সরকারী অফিসের কোন উর্ধতন কর্মকর্তা ফাইলে এগেনেষ্টে অনুরোধ করলে সে সমস্ত ফাইলের প্রতি অনীহা প্রকাশ করে বিভিন্ন আইন নিয়ম কাননের কথা বলে ধুয়া তুলসী পাতা হয়ে যায়।এ সব ডেসকো কর্মকর্তাদের অনেক অনিয়ম রয়েছে, রোড নং ২, বাড়ী নং ৭, মিরপুর-১০ এর মালিককের স্থাপনায় সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছয়মাস হয়রানি করার পর সংবাদিকদের ফোনের পরে তার স্থাপনায় সংযোগ দেওয়া হয়।উক্ত স্থাপনায় গ্রাহককে হয়রানি করার জন্য ৩/৪বার পত্র প্রদান করে,প্রতিবার রিভিজিট ফি ১০০০ টাকা করে নিয়ে অবশেষে সংবাদিকদের চাপের মুখে পরে এ্যাসিষ্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হাবিব ও এক্সচেঞ্জ জাহিদুল সাহেব সংযোগ দিতে বাধ্য হন।বাসা নং ১/৩ রোড নাম্বার -৬, ব্লক-ডি, সেকশন-১৪, একই বিল্ডিং এ দুইটি সার্ভিস তার দৃশ্যমান খোজ নিয়ে জানা যায় কিছু উৎকোচের মাধ্যমে দুই সার্ভিস তারসহ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ১৪ নং শ্যামলপল্লি বস্তিতে খুটির মিটারের সংযোগ থাকা সত্যেও অসংখ্য অবৈধ সংযোগ রয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায়, বস্তি এলাকার লোকজন মিটার চাইতে গেলে তাদেরকে মিটার দেওয়া হয় না। তাদের নিকট মাসিক কিস্তি নিয়ে অবৈধ সংযোগ দিয়ে বিদ্যূৎ অফিসের কতিপয় স্বার্থনেশী নিজেদের আখের গোছাচ্ছে। উল্লেখিত মমতাজ বেগম এর স্থাপনায় তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় কুচক্রি মহল উক্ত স্থাপনায় প্রবেশ করে তার মূখ বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন পথ অবলম্বন করে ০১৬৭৭১৯৪৩৩২ নম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বলে এসেছে। এ সমস্ত কার্মকান্ডের মূল হোতা সি বি এ নেতা রিপন সহযোগী নাপিত মনির,ডেসকোর উর্ধতন কর্মকর্তা ও ডেসকোর প্রকৌশলী সমিতির সভাপতি প্রিন্স ও তার সঙ্গিদের যোগসাজসে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মিরপুরের ডেসকো অফিস দূর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করে রেখেছে। তদন্তে জানা যায়, সাগুপ্তা হাউজিং-এর যতগুরি অবৈধ সংযোগ রয়েছে সমস্ত সংযোগগুলি রিপন ও হেলপার নাপিত মনিরের পরিচালনায় পরিচালিত হয়। এছাড়া সাগুপ্তা হাউজিং এ যতগুলি বৈধ্য সংযোগ রয়েছে এ সমস্ত সংযোগ হেলপার নাপিত মনির ও সি বি এ নেতা রিপনকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ দিয়ে সংযোগ নিয়েছে।তদন্তে দেখা যায়, নাপিত মনিরের দোকানে যতগুলি সোলাপ প্যানেল রয়েছে সেগুলি পুরাতন অকার্য্যকর সেগুলিকে বিভিন্ন গ্রাহকের স্থাপনায় স্থাপন করে দেদার্ছে আখের গোছাচ্ছে। নাপিত মনির মিরপুর ডিওএইচএস এ যে সাব ষ্টেশনের কাজটি সংগ্রহ করেছে সেটির মূল কন্ট্রাক্টর সিবিএ নেতা রিপন।আরও জানা যায় ডেসকো সেন্টাল স্টোরের কতিপয় কর্মচারী নাপিত মনিরের সঙ্গবদ্ধ দলে জড়িত।২৩৬ উত্তর পীরের বাগ যেখানে প্রকৌশলী সমিতির সভাপতি মেসার্স লাবনী এন্টারপ্রাইজের মালিক প্রিন্সের অফিস তার আসপাশে যতগুলি অবৈধ সংযোগ রয়েছে তার পরিচালক প্রিন্স। সেই অবৈধ সংযোগ থেকে টাকা উত্তলন করে তার ম্যানেজার জাহিদ। প্রিন্সের ম্যানেজার জাহিদ যার ফোন নাম্বার ০১৬৮০৮২৫২০৫ প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রিন্সের ডেসকোর অফিসে বসে অফিস করেন এবং যত গুলি নতুন সংযোগ ফাইল আসে সেই সমস্ত ফাইলগুলি সামারি পাওয়ার দেখিয়ে সোলার সিস্টেম ও সাব স্টেশন বিক্রি করার জন্যে গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। জানা যায়,বাংলাদেশে যতগুলি সোলার ইমপোর্টার রয়েছে তাদের বাতিল কৃত সোলার প্যানেল লডে ক্রয় করে এনে প্রিন্স,নাপিত মনির ও রিপন গ্রাহককে স্বল্পমূল্যে নিতে বাধ্য করে। কিছু কিছু জায়গায় দেখা যায়,নাপিত মনিরের কোম্পানি হাওলাদার ইঞ্জিনিয়ারিং ও লাবনী এন্টার প্রাইজ বেশির ভাগ সোলার সিস্টেম ভাড়াতে পরিচালনা করে। এ কাজে তাকে কেউ বাধা দিতে গেলে তাকে লাঞ্জিত হতে হয়। প্রিন্সের হাতে অনেক উর্ধতন কর্মকর্তা লাঞ্জনার শিকার হয়েছেন।এছাড়া টিনসেড সেমিপাকা বিল্ডিং এ জোর জবর্দস্থ সোলার সংযোগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গ্রাহককে বাধ্য করা হয়। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় আবাসিক এলাকায় যেসব বিল্ডিং গুলিতে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে,সেসব বিল্ডিং এর সংযোগ বিধি নিষেধ থাকলেও তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সুপারেনটেন্ড ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলে কোন সৎ উত্তর পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ কাফরুল এলাকায় ৪৭৬ নং হোল্ডিং নাম্বারের প্রিয়তী প্রোপ্রাটি লিমিটেড রাজউক নিয়ম বর্হিভূত যা নাকি ৭তলা অনুমোদন রয়েছে সেখানে ভবনটি ১০তলা করা হয়েছে এমনকি সামনে দোকানের ব্যবস্থা করা হয়েছে কিন্তু সেখানে বিদ্যূৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আবাসিক এলাকাতে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেই না কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায় বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় দোকান ও বানিজ্যিক কার্যক্রম রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে ডেসকোর ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বললে তার সৎ উত্তর দিতে পারে নাই। সাধারণ গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকরা ফাইল জমা দিতে গেলে ওয়ান পয়েন্ট থেকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া ফাইল জমা নেওয়া হয় না এবং ফাইল জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে কাগজপত্রের বাহানা দেখিয়ে গ্রাহকদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গ্রাহক দিক দিশা না পেয়ে তখন উল্লেখিত দালাল ব্যক্তিদ্বয়ের খপ্পরে পড়ে ঘুষের রাস্তা বেঁেচ নিয়ে সংযোগ নেয়। রূপনগর ডিভিশনের আনোয়ার সিদ্দিক সহকারী ইঞ্জিনিয়ার পূর্ণতা যাদের নামে পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ার পরেও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এ টি এ পাওয়ার ৬নং বিদ্যুৎ ডিভিশনের সামনে অবস্থিত যা এখন দাপটের সাথে ব্যবসা করে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines