একজন পেসারের জন্য ২০০তম ওয়ানডে খেলা অনেক বড় একটা বিষয়। ইনজুরির সঙ্গে পেসারদের যতটুকু লড়তে হয়, আর কোনো সেকশনের ক্রিকেটাররা এতটা লড়েন না। ভারতের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ছিল লঙ্কান গতি তারকা লাসিথ মালিঙ্গার  ক্যারিয়ারের ২০০তম ম্যাচ। এমন একটা দিনে খালি হাতেই সাজঘরে ফিরতে হল মালিঙ্গাকে।

রবিবার রাতে ডাম্বুলায় ভারতের বিপক্ষে বল হাতে ম্যাজিক দেখাতে পারলেন না একসময়ের ‘ইর্য়কার স্পেশালিষ্ট’। ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে খরচ করলেন ৫২ রান। দেশের মাটিতে সিরিজ, তবুও মালিঙ্গার ২০০ তম ম্যাচ নিয়ে ডাম্বুলায় কোনো জাঁকজমক আয়োজন চোখে পড়ল না। মাঠে গুটিকয়েক মালিঙ্গা ভক্তদের মধ্যেই যা একটু উৎসাহ দেখা গেল। পোষ্টারে হাতে এসেছিলেন কয়েকজন। তাদের মুখেই ‘মালিঙ্গা মালিঙ্গা’ ধ্বনি শোনা গেল কিছু সময় পর পর। ম্যাচের শেষে কোন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানও হয়নি।

পরিস্থিতি দেখে বলাই যায় দ্বীপরাষ্ট্রের সিনিয়র ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সের গ্রাফ নিম্মমুখী হতেই কোথাও যেন সমর্থকদের মণিকোঠায় হারিয়ে গেছেন মালিঙ্গা। ইয়ার্কারেও এখন আর সেই ধার নেই। বয়স হয়ে গেছে। বল হাতে তার সেই বুক কাঁপানো আস্ফালনটাই যেন লাপাত্তা। উইকেট পাওয়ার পর মালিঙ্গার সেই গর্জনটাও কোথাও যেন হারিয়ে গেছে।

এদিন আরেকটি দারুণ মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। এদিন মাত্র ২টি উইকেট তুলে নিতে পারলেন ৩০০ উইকেট পূরণ হতো তার। কিন্তু এদিন ভারতের একটিমাত্র উইকেটের পতন হলো। সেটি আবার রান আউট। কাকতালীয়ভাবে সিনিয়র মালিঙ্গার ২০০তম ম্যাচের দিনেই ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হল বাঁ-হাতি বিশ্ব ফার্নান্ডোর। ডাম্বুলায় ছবিটা দেখে মনে হল যেন মালিঙ্গা নিজেই দলের পেস বিভাগের ব্যাটনটা নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here