নড়িয়া’য় কথিত সাংবাদিকের মিথ্যে মামলার অাসামী প্রেসক্লাব সভাপতি ও সম্পাদক!

প্রকাশ : শুক্রবার, আগস্ট ৩১, ২০১৮ অপরাহ্ণ ৭:১৪

 হাফিজুর রহমান

“সাংবাদিকদের জনবান্ধব রুপে দেখতে চায় জনসাধারন, কথিত সাংবাদিক অালমের উপর হামলার ঘটনায় মামলায় উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে জরানো হয়েছে প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগ্ন-সাদারন সম্পাদক! পুলিশ তদন্ত ছাড়াই মিথ্যা তথ্যে সাংবাদিকদের নাম রেখে মামলা এজাহারভুক্ত করায় ক্ষুব্ধ প্রেসক্লাবের সদস্যরা। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বরকত অালী মুরাদ ও যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এইচ এম অাতিক ইকবাল রবিন এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অহেতুক মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। নড়িয়া থানায় অাজ শুক্রবার দুপুরে ২৮/২৫১নং মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অাসলাম উদ্দিন। তথ্যসূত্রে জানাযায়, গতকাল রাত অানুমানিক রাত ০৯টা ১০মিনিটে নড়িয়া বাজারের পূর্ব মাথায় অালমগীর হোসেন অালম নামে কথিত সাংবাদিকের উপর হামললা ঘটেছে, কে বা কারা তা ঘটিয়েছে তা প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ জানেন না,তবে গতকাল রাতে উক্ত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোকলেছ বেপারী নামে একজন কে অাটক করা হয়েছে। অাজ শুক্রবার ১০জন কে অাসামী করে নড়িয়া থানায় কথিত সাংবাদিক মামলা দায়ের করেন যার মধ্যে নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বরকত অালী মুরাদ কে ৫নং এবং যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এইচ এম অাতিক ইকবাল রবিন কে ৬নং অাসামী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের উপরোক্ত দুই সদস্যদের বিরুদ্ধে অানিত অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও সম্পূর্ন মিথ্যা এবং এই মারধরের ঘটনায় তাদের বিন্দু পরিমান সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় নি। এব্যাপারে প্রেসক্লাবের সভাপতি বরকত অালী মুরাদ বলেন, অামি গত ৪দিন যাবৎ অামার বাবার চোখের অপারেশনের জন্য বাবাকে নিয়ে চাঁদপুরে অবস্থান করছি, নড়িয়া থানা থেকে তথ্য জানতে অামার সাথে কোন যোগাযোগ করেন নি কেউ, অামি অভিযোগের বিষয় জানতে পেরে ওসি অাসলাম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করেছি, এবং চাঁদপুরে ৪দিন যাবৎ অবস্তান করছি এবং তার কারনটা জানিয়েছি, তারপরেও ওসি মহোদয় কিভাবে এই মামলায় অামার নামটি রাখলেন? অাইন সকলের জন্য নিরপেক্ষ এটা কাম্য ছিলো, মিথ্যা অভিযোগে অামাদের প্রেসক্লাবের দূ’জনকে জড়ানো হয়েছে, এটা দুঃখজনক এবং এর জন্য প্রয়োজনে মানহানি মামলা করবো। যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এইচ এম অাতিক ইকবাল বলেন, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রনোদি এবং মিথ্যা। গতকাল সকাল ০৮টা থেকে নড়িয়া উপজেলাধীন একটি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফিরে অাসি, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উক্ত নির্বাচন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অাবদুল্লাহ-অাল মামুন(এসিল্যান্ড নড়িয়া) স্যারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে রাত ৮টা ১৫মিনিটে নদী ভাঙ্গনের শিকার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরন করা প্রসঙ্গে অালোচনা সভায় পৌরঃ মেয়র ও জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে উপস্থিতি ছিলাম। সারাদিনের ক্লান্তীর পর রাত ৯টা ৪৫মিনিটে বাসায় ফিরে অাসি। অাজ সকালে শুনলাম অালম নামে একজনের উপর গতরাতে হামলা হয়েছে, সেই ঘটনায় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নামে মামলা হয়েছে! ওসি মহোদয় কোন সূত্রে মামলা গ্রহন করেছেন তাও বোধগম্য নয়! যে কোন ব্যাক্তির নামে অভিযোগ করলেই মামলা অামলযোগ্য হয়ে যাবে? ঘটনায় জড়িতদের অাইনের অাওতায় অানুন, এই মিথ্যা হয়রানির বিরুদ্ধে অবশ্যই মানহানি মামলা করবো। নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রায় সব সদস্যের দাবী অালমগির হোসেন অালম কথিত সাংবাদিক, গত ০৬ থেকে ০৯ মাস কিংবা তারও অাগে খুজে দেখুন তিনি কোন পত্রিকায় কতোটা সংবাদ করেছেন? প্রেস ক্লাবের নামে অর্থ লেনদেন কাজে নিয়োজিত থাকায় এবং প্রেসক্লাবের প্রায় সকল সদস্যদের সাথে অসদাচরন এবং কোন সংবাদ প্রকাশের কাজে নিয়োজিত না থাকায় গত ১মাস অাগে নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাব হতে সকল সদস্যদের অাবেদনের প্রেক্ষিতে অালগীর হোসেন অালম কে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে তার সম্পর্কে তথ্য চাইলেই অনেক বে-অাইনী তৎপরতার খবর পাওয়া যায়। এক কথায় সাংবাদিকতা পেশায় অালম একটা হুমকি স্বরুপ! প্রেসক্লাবের ২ সদস্য’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই অামরা এবং মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার সহ গনমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে এহেন মিথ্যাচার করায় ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হবে কথিত সাংবাদিক অালমগীর হোসেন অালম কে। ‘যখন খুশি তখন, যে যার নামে মনে চায়/পারে মামলা করবে, তাই গ্রহন করতে হবে? পুলিশ প্রসাশনের কাছে এটা প্রত্যাশা করি না অামরা।’ কে কোথায় কোন ঘটনা ঘটিয়েছে তার তদন্ত না করেই গনমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগটি ওসি মহোদয় কি করে নিলেন তা জানতেই চেয়ে “জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট/এসিল্যান্ড নড়িয়া মহোদয়কে গুরুত্ব সহকারে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে গনমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত মিথ্যা মামলা বন্ধ করতে এবং অপসাংবাদিকতা বন্দ করতে দৃষ্টিপাত দাবী করেছেন নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সম্পাদকরা।” প্রয়োজনে ডিসি স্যারের কাছে বা ইউএনও’র কাছে প্রমান সহ বলবো, নাম প্রকাশ না করার শর্তে নড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একাধিক ব্যাক্তি কথিত এই “সাংবাদিক অালমের” বিরুদ্ধে ‘পুলিশ দিয়ে ঝামেলায় ফেলার ভয়ভীতি সহ বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অর্থ চেয়েছে এবং লেনদেনের ঘটনাও দাবী অন্তত ১১জন মানুষ, সরকারি সম্পদ দাবী করে মামলার ভয় দেখিয়ে অালম সহ অারো ৪জন এক ব্যাক্তীর নিজ মালিকানার গাছ নিয়ে গেছে সাথে নগদ অর্থ। ভুক্তভোগি জনসাধারন বলেন, অামরা কি সব কিছু বুঝি? সাংবাদিক দেখলে ভয় পাই, তাই তারা যা বলে তাই শুনতে বাধ্য হই? সাংবাদিকদের জনগনের বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই।