Amar Praner Bangladesh

পটুয়াখালী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একে এম রুহুল আমিনের চরম দূর্নীতি

 

ষ্টাফ রিপোর্টার :

 

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ ভাজনা কদমতলার। নুরিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ কে এম রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। লট অফ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একজন মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ কেন যার ডকুমেন্ট পেপার ৭৬ পাতা। এই ৭৬ পাতার বিষয় অনুসন্ধান শুরু হলে অনুসন্ধানে জানা যায়। মির্জাগঞ্জ ভাজনা কদমতলা নুরিয়া আলিম মাদ্রাসার। অধ্যক্ষ একেএম রুহুল আমিন অনিয়ম ভাবে মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছেন।

সরকারি বিধি মোতাবেক সভাপতি সহ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করেন। এবং সংবাদ পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন। এই বিজ্ঞপ্তির মোতাবেক তিনি কোন কাজ করেননি। তিনি তার ইচ্ছামত সরকারি বিধি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করেন। আন্দুয়া আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক। মোঃ গোলাম মোস্তফা সিকদার কি করে মির্জাগঞ্জ ভাজনা কদমতলা নুরিয়া আলিম মাদ্রাসার সভাপতি হয়।

সরকারি বিধি তোয়াক্কা না করে তিনি এই অবৈধভাবে সভাপতির পদ অব্যাহত রেখেছেন। এটি সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত এই অধ্যাক্ষ রুহুল আমিন নিয়োগ বাণিজ্যে যেন লেগেই আছে। অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে প্রার্থীদের ঠিক করেন তিনি তার মনের মত নিয়োগের জন্য । ৩,৫০০০০ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হবে মর্মে ঘোষণা করে যা মোবাইল ফোনে রেকর্ডিং আছে। অবৈধ নিয়োগ বোর্ডের সদস্য যারা হলেন। ১ মোঃ গোলাম মোস্তফা সিকদার অবৈধ সভাপতি ম্যানেজিং কমিটি ( সহকারি শিক্ষক আন্দুয়া আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসা। ২ মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল্লাহ অধ্যক্ষ লেমুয়া চন্দ্রকান্দা আলিম মাদ্রাসা। ৩ মাওলানা একেএম গিয়াস উদ্দিন অধ্যক্ষ মনসুরাবাদ আলিম মাদ্রাসা। ৪ প্রফেসার খন্দকার আমিনুল ইসলাম অধ্যক্ষ সরকারি মহিলা কলেজ পটুয়াখালী।

এসব সদস্যদের অনেক দুর্নাম রয়েছে তার পরেও গোপনীয় ভাবে টাকার বিনিময় অযোগ্য ব্যক্তিদের যোগ্য করে স্থান দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাক্ষ এ কে এম রুহুল আমিনের খুটির জোর কোথায়। এছাড়া গত ১৫/ ০৯/০৭ ইংরেজি তারিখ সিডরের সময় প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারিভাবে। ২,৫০০০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অধ্যক্ষ তিনি মাত্র ৭৫০০০ হাজার টাকার কাজ করে প্রমাণ পাওয়া যায়। আর বাকি টাকা তিনি নিজে আত্মসাৎ করে।

এই অধ্যক্ষ একেএম রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। যে মামলাগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে এবং এ কে এম রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। তার দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য টাকার বিনিময় আবার প্রতিবাদ দেওয়া হয়েছে। এত কিছু হওয়ার পরও তার দুর্নীতির বিষয়ে অস্বীকার করে আসছেন। এবং তার এই দুর্নীতির বিষয়ে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তার কিছু বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনকে এই মাদ্রাসায় চাকরি প্রদান করা হয়েছে। যাতে তার বিরুদ্ধে অন্য কেউ কথা না বলতে পারে।

তিনি আসলে সবকিছুই ম্যানেজ করে এই নুরিয়া আলিম মাদ্রাসা অবৈধভাবে পরিচালনা করছেন। ০১/০৬/১৯৭১ ইং মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠ করেন একেএম আবদুল লতিফ সাহেব অথচ তার পক্ষ থেকে এই মাদ্রাসায় কাউকে রাখা হয়নি। এ কে এম রুহুল আমিন দুর্নীতি করার জন্য তাদের পক্ষ থেকে কাউকে রাখা হয়নি। তিনি তার মন মত দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। ৭৬ পাতার প্রথম পর্ব প্রতিবেদন চলমান।