গাজী আরিফুর রহমান, বরিশাল :

 

ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মো. পলাশ তালুকদারকে ফাঁসাতে ও সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রেশমা বেগম বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পলাশ তালুকদারের পরিবারের লোকজন জানান , ১৩ বছর পূর্বে পলাশ তালুকদারের সাথে নারায়গঞ্জের কাইয়ুমপুর এলাকার মো. আলী আশাবের মেয়ে রেশমার পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই রেশমা শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে খারাপ আচরণে লিপ্ত থাকে। মাঝেমধ্যে স্বামীর বাড়ির লোকজনের অগোচরে জিনিসপত্র টাকা পয়সা নিয়ে উধাও হয়ে যেতেন। পরে খোঁজখবর নিলে জানা যেত বাবার বাড়িতে আছেন। বাবার বাড়ি এলাকায় পরকিয়া প্রেমে আসক্ত থাকায় স্বামীর সংসারে তিনি থাকতেই চাইতেন না। এমনকি শিশু বাচ্চা ফেলে রেখেও বাবার বাড়ি চলে যেতেন। তাঁর পরেও পলাশ সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীর রেশমার নির্যাতন সয্য করেও তাঁর সাথে সংসার করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রেশমা বেগম দিনে দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠলে পলাশ তালুকদার বাধ্য হয়ে চলতি বছরের গত ( ১৮ জুন ) কাজীর মাধ্যমে রেজিষ্ট্রিকৃত ভাবে তাকে তালাক দেন।

জানাগেছে, এরপরেও ক্ষান্ত হয়নি রেশমা বেগম। পলাশ তালুকদারের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে মিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো সহ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে নলছিটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র পলাশ তালুকদার বলেন, “পারিবারিকভাবে আমার স্ত্রীর সাথে বিরোধ চলছিল। কয়েক বছর আগে আমার স্ত্রীর অত্যাচারে আমার বাবা স্ট্রোক করে মৃত্যু বরণ করেন। আমার মা তাদের বাড়িতে বেড়াতে গেলে তাকেও অপমান করে বের করে দেন আমার স্ত্রী রেশমা। এ নিয়েই আমাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। তাঁর নানা ধরনের অত্যাচারে একপর্যায়ে আমি দিশেহারা হয়ে চলতি বছরের গত ( ১৮ জুন ) কাজীর মাধ্যমে রেজিষ্ট্রিকৃত ভাবে তাকে তালাক দিয়েছি। তারপরও সে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সাথে মিলে আমার ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এ ব্যাপারে রেশমা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন , “আমি লোকমুখে শুনেছি আমাকে নাকি তালাক দিয়েছে। কিন্তু আমি এখনও তালাকের কোন কাগজপত্র হাতে পাইনি। মিথ্যা মামলার হুমকির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here