প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

 

 

গত ০৪/০৬/১৯ ইং তারিখে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ভালুকায় বিজিএফ চাউল কালো বাজারে বিক্রি শিরুনামে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। যেখানে লেখা ছিলো ভালুকায় ডাকাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ঈদ উপলক্ষে দুঃস্থ্যদের মাঝে বিতরনের জন্য বিজিএফ চাল স্টোর রুম হতে কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে আমার নাম জরিয়ে কুরুচিপূর্ন মন্তব্য করে বলা হয়েছে চাল বিক্রির সময় দরকষাকষির এক পর্যায়ে চালের দাম ৪০ হাজার টাকা নির্ধারন করে ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইউসুফ আহমেদ টাকা হাতে নেয়। উল্লেখ্য আমি ৯ নং ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হই। অথচ সংবাদে আমার ওয়ার্ড ৫ নং বলে উল্লেখ করা হয়েছে । এতেই বুঝা যায় এটি কতটা তথ্য বিহিন সংবাদ। এবং আরো লেখা হয়েছে চৌকিদার আকতার চাল বিক্রিতে বাধা দেয় এবং তার বাধা অমান্য করে আমি সহ ইউপি সদস্য দুদু , সামছুন্নাহার ও মাজেদা মিলে এই টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেই। সংবাদটি পরার পড় আমি অত্যান্ত মর্মাহত হই। প্রকৃত সত্যটি হলো এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা অথচ এমন বৃত্বিহিন মিথ্যা বানোয়াট ও চক্রান্তমূলক এ সংবাদটি আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে । ৪দিন ব্যাপি চাউল ববিতরন কার্যক্রমে উপজেলা ট্যাগ অফিসার নিজে উপস্থিত থেকে চাউল বিতরন করেছেন। এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল চাউল বিতরন পরিদর্শন করে গেছেন। চাউল বিতরন শেষে গোডাউন পরিষ্কার করে যে চাউল পাওয়া গেছে সেই চাউল টুকু চৌকিদারদের মাঝে বিতরন করে দেওয়া হয়েছে। আসলে আমি এই ইউনিয়ন পরিষদের সর্ব কনিষ্ঠ ইউপি সদস্য। আমার জনপ্রিয়তায় অনেকেই ইর্ষানিত। সকল শেনী পেশার মানুষের সাথে আমার সু সম্পর্ক থাকায় একটি কুচক্রি মহল ব্যাক্তিগত সার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার বিরুদ্বে এমন জঘন্য খেলায় মেতে উঠেছে এবং পরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাছারা আমি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের একজন বিশ্বস্ত লোক এটিও একটি কারন হতে পারে। আমাকে নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ন, বৃত্তিহিন, মিথ্যা, বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করায় আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

ইউসুফ আহমেদ নিলয়
ইউপি সদস্য
৮নং ডাকাতিয়া ইউপি।