বাঞ্ছারামপুর অজস্র জনমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আওয়ামী লীগ প্রেমিক জালাল আহমেদ

 

হাবিব সরকার স্বাধীন :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সবচাইতে বড় ইউনিয়ন ছনিয়াবাদ ইউনিয়ন। এই এলাকায় রয়েছে ১৩ টি ইউনিয়ন।জালাল আহমেদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ছলিমাবাদ ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক , বান্ছরামপুর উপজেলার শ্রমিকলীগের সাবেক ক্রিয়া সম্পাদক , সাবেক রুপসদী জামিদা মুনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাএ-ছাএী অভিভাবকদের সরাসরি ভোটে চার চার বারের নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য জালাল উদ্দিন জালাল।

সবচেয়ে বড় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বসবাস ছনিয়াবাদ ইউনিয়ন। নিকটবর্তী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রেমিক হিসেবে সুপরিচিত ত্যাগী নেতা তালেব আলী। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জিন্দা লাশ মতো জীবন যাপন করেছেন তালেব আলী সহ তার পরিবারের সকল সদস্য। মুরাদনগর জেলা রামচন্দ্রপুর বাজারে জীবন তাগিদে কখনো ডাব, কখনো কলা, কখনো পান, এভাবেই জীবন কাটিয়েছেন দীর্ঘ পাঁচটি বছর নিজের জন্মস্থান বাড়ি আকান্দা গ্রামে আসতে পারেনি এই ত্যাগী নেতা। কয়েকবার তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়েছে এমনও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

শত কষ্ট দুঃখ বুকে নিয়ে আশায় বুক বেধে ছিল কখনো যদি দল ক্ষমতায় আসে তবে যদি একটু সুখের মুখ দেখা যায়। ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুর ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম এমপি প্রতি ছিল তাঁর অজস্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাই এলাকা ভিত্তিক বেশিরভাগ মানুষই তাদেরকে বলে থাকেন আওমীলীগ প্রেমিক পরিবার। কেউ বলে ক্যাপ্টেন তাজ প্রেমিক। সাধারণ মানুষের মুখ ধরে রাখার উপায় নেই সঠিক যেটা সেটা বলবেই যতই বাধা আসুক না কেন এটাই স্বাভাবিক। সরেজমিন অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়। বর্তমানের চেয়ারম্যানের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের সেবা দিতে ব্যর্থ তাই নতুন মুখের সন্ধানে জালালের আহমেদকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।

ছনিবায়াদ ১৩ টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ। শুধু জালাল আহমেদের প্রশংসা করেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল আহমেদ বলেন বাবার দিক নির্দেশনা মেনে ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের দোয়া নিয়ে আমি মাঠে আছি থাকবো । আমার অভিভাবক শিক্ষাগুরু ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম সাহেব। তিনি চাইলে অবশ্যই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমার বাবা মৃত তালেব আলী স্বপ্ন বাঞ্ছারামপুর থানার মানুষ যেন বলতে পারে আওয়ামী লীগ একটি জনগণের দল।

সেই প্রত্যাশা বুকে নিয়ে জনাব ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের শিক্ষাকে ধারণ করে আমি জনগণের পাশে আছি থাকবো। তিনি আরো বলেন আমার প্রিয় নেতা

ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের দিক নির্দেশনা আমার পথ চলার প্রেরণা। করোনার ভয়াবহ এই দিনে সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সহযোগিতা করেছি। কি পাবো কি পেয়েছি কখনো ভাবি নি। উদ্দেশ্যে একটি জনগণের স্বার্থে কিছু করে যেতে চাই বলেন

জালাল আহমেদ। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক হিসেবে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার আনুগত্যতা পোষণ করে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বিগত দিন রাজনীতি করে জালাল আহমেদ কিছু পাননি, সেহেতু সামনে একটি সুযোগ রয়েছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়ার, সে হিসেবে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে দাবী তুলেছেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

ছনিয়াবাদ ইউনিয়নের বেশিভাগ নেতা কর্মীর সাথে আলাপকালে জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিগত দিনে শুধু দলে শ্রম দিয়েই গেছেন। যেকোন প্রয়োজনে তাকে পাশে পেয়েছেন নেতাকর্মীরা। তাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জালালের বিকল্প অনেক কিছু চায় না। মনোনয়ন দিতে হবে। তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দুঃখ কষ্ট বুঝেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের আরো বেশি মূল্যায়ন করবেন। তাছাড়া জালাল আহমেদ আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান তার বাবার যথেষ্ট অবদান রয়েছে বাঞ্ছারামপুরে।

এ বিষয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান। জালাল আহমেদ সহ তার বাবা তালেব আলী একজন ত্যাগী নেতা। সুখে-দুঃখে সবার আগে আমরা ইউনিয়নবাসী তথা আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা জালাল কে কাছে পাই। তাই তাকে ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতা হিসেবে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
তিনি অনেক শ্রম দিয়ে ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে ধরে রেখেছেন। এত শ্রম দেওয়ার পরও তিনি উল্লেখ যোগ্য কিছু হতে পারেননি।

তিনি আরো বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চাই। আমাদের দাবী তার বিগত দিনের কার্যক্রম বিবেচনা করে দল তাকে মনোনয়ন দিবে। আমরাও তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি।

ছনিয়াবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতার জালাল বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, ওয়ার্ড পর্যায়ের দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এ জনপদের প্রতিটি মানুষের সাথে রয়েছে আমার সর্ম্পক। মানুষের সুখে-দুখে পাশে থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছি। তাই প্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া ও সমর্থন চাই।