মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

মরনঘাতী ইয়াবা বন্ধে একমাত্র হাতিয়ার হতে পারে “ক্রসফায়ার” (প্রশাসনের ব্যার্থতা, মাননীয় আই জি পি সাহেবের হতাশা)

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ৯ Time View

শের-ই-গুলঃ আমার প্রানের বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তাজা রক্তের ফসল। তার ৭ই মার্চের শ্রেষ্ঠ ভাষনের আহ্বানে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে তিন লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পাওয়া আমার প্রাণের বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপর পনেরই আগষ্ট গ্রেনেড হামলা, আল্লাহর রহমতে বেঁচে যাওয়া, তার ভাসা ভাসা মায়াময় চোখের চাহনিতে অর্জন আজকের উন্নয়নমূখী আমার প্রাণের বাংলাদেশ। হাজারো লক্ষ ত্যাগ, মুক্তিযোদ্ধায় বিশ্বাসী, আওয়ামী লীগ এর নেতা কর্মীদের আন্দোলনের ফসল বর্তমান সরকার। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা যখন উন্নয়নের লেভেলে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে তখনই একের পর এক ষরযন্ত্রকারীরা জংঙ্গী সহ অনেক মরণঘাতী বিপদের সৃষ্টির উদ্ভব ঘটাচ্ছে, এরা দেশের শত্রু। তাদের লক্ষ্য একটাই, দেশের এই উন্নয়নকে বাধা গ্রস্থ করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে দেখাবার শয়তানি চিন্তা ছাড়া আর কিছু না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে এখন ইয়াবার কালো থাবা শকুনের মতো আঁচড়ে বসেছে। এর ব্যাপকতা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম এতটাই ভয়াবহ রাজধানী মিরপুর ৬নং চলন্তিকা মোড়, খিলগাঁও মোড় সহ রিতিমত বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে অবাধে ইয়াবার ব্যবসা করছে। উত্তরা, বসুন্ধরা, রামপুরা, বনশ্রী, মিরপুর, ধানমন্ডি সহ সম্পূর্ন শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মজুদ হচ্ছে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা। এর ব্যাপকতা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে শহর বন্দর পেড়িয়ে গ্রামে গঞ্জে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে এই মরণঘাতী ইয়াবা। অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ, বহনে সুবিধা এবং টাকা পয়সা লেনদেনেও বিকাশের সুবিধা এর পথকে সুগম করে তুলেছে। পত্রিকার পাতায় পাতায় এর অপকারিতা এর ক্ষতি ফেসবুক সহ সব রকম মাধ্যমে এই মাদক সেবনের ক্ষতি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এর কু-প্রবৃত্তি পুলিশ সহ সকল আইন শৃংখলা বাহিনীর মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই হয়ে যাচ্ছে সেবনকারী, ভয়বহ এই মাদকের রাহু গ্রাস এতটাই তীব্র যে, প্রশাসন ব্যার্থ স্বয়ং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মহোদয় হতাশ হয়ে ব্যাক্ত করেছেন “পুলিশের একার পক্ষে এই মাদক বন্ধ নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়”। শরীরের আঙ্গুলে ক্যান্সার হলে যেমন কেটে ফেলা আবশ্যক হয়ে ওঠে তেমনি এই মরনঘাতি মাদক যা কিনা এইড্স এর চেয়েও ভয়াবহ রুপ ধারন করেছে, যার কারনে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হওয়ার আশংকা, তাকে স্বমূলে উপড়ে ফেলতে চাই কঠোর থেকে কঠোর আইন। এই মাদককে নির্মূল করতে এখন সময়ের দাবি “ক্রসফায়ার”। মাদক ব্যাবসায়ী সে যেই হোকনা কেন, কোন দল, মত, গোত্র বাছাই করা যাবে না। হাতেনাতে ধরা পড়লেই কোন কথা হবেনা, নো আর্গুমেন্ট ডাইরেক্ট এ্যাকশান “ক্রসফায়ার”। সেবনকারীরাও আসবে আইনের আওতায়, কার্যকর করতে হবে উপযুক্ত শাস্তি। বাড়াতে হবে আরো জনসচেতনতা, প্রয়োজনে মাইকিং করা হোক। মসজিদের ইমাম সাহেবেরা খুতবায় বলবে, এলাকার চেয়ারম্যান, কমিশনাররা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চালাবে এর নিরাময়ের প্রচার। যেভাবেই হোক এ জাতিকে বাঁচাতে হবে। অন্যথায় আমাদের ব্যার্থতায় অদূর ভবিষ্যতে সোনার বাংলাদেশে হাজার হাজার মাদক নামের শকুনের রাহুগ্রাস গিলে খাবে আমাদের মানচিত্র। স্বাধীনতা হবে ক্ষত-বিক্ষত, তার উপর চেপে বসবে ভীন্ন তাবেদার শয়তানের ছায়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়

Headlines