মাদারীপুরে ঈদের বাজার জমে উঠেছে

আব্দুল্লাহ আল মামুন,মাদারীপুর:

 

মুসলমানদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের প্রথমটি ঈদুল ফিতর। আর মাত্র ক’দিন পরে উদযাপিত হবে ঈদ উল- ফিতর। ঈদকে সামনে রেখে মানুষের ঈদের সামগ্রী কেনাকাটায় ধুম পড়েছে বিপণি বিতান ও প্রসাধনী সামগ্রীর দোকানগুলোতে। সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠেছে মাদারীপুরে ঈদের কেনাকাটা। বাহারি রঙের পোশাক সাজিয়ে বিক্রি করছেন দোকানিরা। আর সব শ্রেণীর মানুষ ছুটছেন ঈদের পোশাক কিনতে। মাদারীপুর শহরের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পুরানবাজারের বিপণি বিতানগুলোতে চলছে ঈদের পোশাক কেনাকাটার উৎসব। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত শহরের আমিন সুপার মার্কেট, নিউ মার্কেট, হাওলাদার মার্কেট, বীথি মিনি বাজার, সিটি সুপার মার্কেটসহ প্রতিটি বিপণি বিতান। ছেলেদের পছন্দ ফেসবুক, বাহুবলি, এইচডি, ককটেল, পুমা নামের জিন্স প্যান্ট ও শার্ট-পাঞ্জাবি। আর মেয়েদের ঝোঁক শারা, ইশিতাসহ ভারতীয় টিভি চ্যানেল সিরিয়ালের বিভিন্ন নামের মার্কেটে আসা পোশাকের দিকে। বাচ্চাদের পোশাকেও রয়েছে নতুনত্ব। ছেলেদের পোশাক তৈরির দর্জির দোকানে দম ফেলার সুযোগ নেই কর্মচারীদের। সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত তারা। অনেকে দোকানে কাজের চাপে অর্ডার ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক বছর ভারতীয় সিরিয়ালের নামের ও অনুকরণে তৈরি পোশাক বেশি চলছে। এবার তার প্রভাব আগের চেয়ে অনেক বেশি।

 

মাদারীপুর সদর উপজেলার ক্রেতা লিমা আকতার মনি ও নাবিলা ওয়ালিজা বলেন, ‘শহরের দোকানগুলোতে প্রায় ৬ ঘণ্টা ঘুরে পছন্দের সব জিনিসপত্র কিনেছি। ঈদ এলেই কেনাকাটায় ব্যস্ততা বেড়ে যায়। পছন্দের সবকিছু পেয়ে আমি খুবই খুশি। তবে বর্তমান বাজারে ভারতীয় পোষাকের চাহিদা খুবেই বেশী এবং দেশীয় পোষাকের চাহিদা তুলনামূলক হিসেবে অনেক কম।

 

শহরের পুরানবাজারের সিটি সুপার মর্কেটের সিটি ম্যাক্স এর মালিক মকবুল হাসান মুন্সী বলেন, ‘ভারতীয় চ্যানেলকে প্রাধান্য দিয়েই ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোশাক কিনছেন। এ জন্যই ঈদের বাজারে ভারতীয় পোষাকের চাহিদা একটু বেশী এবং গরমের কারনে দেশীয় সুতি পোষাকের চাহিদা অনেক বেশী,পোষাকের দাম গতবারের চেয়ে এবার ও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে, তকে কিছু কিছু বিক্রেতারা একই পোষাক চড়া দামে বিক্রি করার চেষ্টা করে যার কারনে আমাদের একটু অসুবিধা হচ্ছে।

 

কাজীর মোড়ের ডিএম টেইলারের পরিচালক আবদুর রহিম জানান, ‘দর্জিপাড়ায় এখন দম ফেলার সুযোগ নেই । শ্রমিকেরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে কোন অর্ডার নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।