নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিরুদ্ধে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার অভিযোগ নতুন নয়। এবার এই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে টানা ১৩ দিন অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। এই অব্যবস্থাপনা দূর করতে রেলওয়ের কাছেও স্মারকলিপি দিয়েছেন তিনি। সেই স্মারকলিপির জবাব দিয়েছে রেলওয়ে।

রেলের টিকিটিং ব্যবস্থা নিয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি যেসব প্রশ্ন তুলেছেন তার জবাবে রেলওয়ে বলছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিটিং সিস্টেমে অনলাইন কোটায় টিকিট ব্লক বা টিকিট বুকিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। অনলাইন বা কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করার অধিকার দেশের সব শ্রেণির নাগরিকের রয়েছে। টিকিটের প্রাপ্যতাসাপেক্ষে যেকোনো নাগরিক রেলওয়ের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে টিকিট কিনতে পারে। এখানে বৈষম্যের সুযোগ নেই।

দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ রেলওয়েকে আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে, সেখানে যদি কারও পরামর্শ পাওয়া যায় তাহলে তা বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রেলওয়ের ব্যাখ্যায়।

বৃহস্পতিবার ( ২১ জুলাই) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল আলমের সই করা রেলওয়ের বক্তব্য সম্বলিত একটি চিঠি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। সেখানে বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার এ পর্যন্ত যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তা তুলে ধরা হয় ওই চিঠিতে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here