রাজধানীতে জঙ্গী বিরোধী বিশ্ব শান্তি মহাসম্মেলনে জাতি ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে লাখো মানুষের ঢল

বিশ্ব শান্তি মহাসম্মেলনে আব্দুল বারী, শাহজাহান খান, আতিক, গামা
খান পাপেলঃ রাজধানীতে জঙ্গী বিরোধী বিশ্ব শান্তির মহাসম্মেলনে জাতি ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে লাখো মানুষের ঢল। ১৫ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা মিরপুর সিটি কর্পোরেশন মিলানায়তন ময়দানে ঐতিহাসিক বিশ্ব শান্তির মহা সম্মেলনে উপস্থিত ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে নকশবন্ধিয়া তরীকার কেবলায়ে দো-জাহান আর এফ এ কামেল মুর্শেদে মুকাম্মেল মুজাদ্দিদে জামান যুগ শ্রেষ্ঠ হাদী হযরত মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ খান (রহ:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি আহবায়ক সমিতির সম্মানিত দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি নকশবন্ধিয়া তরীকার কেবলায়ে দো-জাহান আর এফ এ কামেল মুর্শিদে মুকাম্মেল মুজাদ্দিদে জামান যুগ শ্রেষ্ঠ হাদী হযরত মোহাম্মদ আব্দুল বারী (রহ:) বক্তব্য রাখেন। হুজুরের দীর্ঘ আলোচনায় বর্তমান বিশ্বের সার্বিক অবস্থা ধর্মের নামে ভন্ডামী, জঙ্গি তৎপরতা, জঙ্গি দমনে বর্তমান সরকারের সাফল্য ও ইহকালের শান্তি পরকালের মুক্তির ব্যাপারে হযরত মোহাম্মদ (স:) এর আর্দশের ব্যাপারে, হযরত মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ খান (রহ:) জীবনী, লেখনী, ইচ্ছা, অভিপ্রায়, প্রথম খলিফা হযরত মোহাম্মদ বজলুর রশিদ (রহ:) অভিপ্রায়, বর্তমান সংগঠনের কার্যকলাপ, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র ও দরবারে এলাহীর ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব ভালো মানুষ একজাত, পৃথিবীর সব খারাপ মানুষ আরেক জাত। দুই জাত মিলেই আমরা পৃথিবীতে বসবাস করি। খারাপ আর ভালো যখন মিশে যায় তখন মহান প্রভু দয়া করে নবী রাসূল প্রেরণ করেন। হযরত আদম (আ:) থেকে সর্বশেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (স:) পর্যন্ত মানব জাতির মুক্তির জন্য মহান আল্লাহ দয়া করে অগনিত নবী রাসূল প্রেরণ করেন। শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (স:) এর পর পথহারা মানুষকে পথ দেখানোর জন্য, ইসলাম ধর্মকে সজীব রাখার জন্য পৃথিবী থেকে অশান্তি দূর করার জন্য যেহেতু হযরত মোহাম্মদ (স:) খাতামুন নাবীইন তাই উনার পরে নবী রাসুলের পরিবর্তে যুগে যুগে গাউস, কুতুব, রকীব, নকীব, আফজাল, মুর্শেদ, মুজাদ্দেদ, খাস বান্দা প্রেরণ করেন। আল্লাহর শান কায়েম রাখার জন্য তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের দয়াল দরদী মুর্শেদ আধ্যাত্মিক তাপসকুল শিরোমনি রওশন জামিল কেবলায় দো-জাহান আর এফ এ কামেল মুর্শেদ মুকাম্মেল মুজাদ্দিদে জামান যুগ শ্রেষ্ঠ হাদী জামানার ইমাম দরবারে এলাহীর খাস বান্দা হলেন বৃহত্তর ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার রামনাথপুর গ্রামের কৃষক মরহুম আব্দুল কাদের খানের পুত্র হযরত মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ খান (রহ:)। হযরত বাবা সাহেবকে আল্লাহ পাক অভিসিক্ত করেন ১৯৫১ সালের ৮ই জুলাই রোজ রবিবার। আজ থেকে ৬৭ বছর পূর্বে হযরত বাবা সাহেব নিজেও জানতেন না আল্লাহ পাক উনাকে দিয়ে ধর্মের গোলামী করাবেন । এ গোলাম উনার এক চরণ ধরা দাস। মহান ও প্রভু এভাবেই অশান্তি পূর্ন জগতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এক বান্দাকে খাস করেন। ঐ বান্দার কোন ভয় নাই দুনিয়া ও আখিরাতের জিন্দেগীতে এটা মহান প্রভুর ওয়াদা। হুজুরের প্রতিটি কথাতেই ছিল পবিত্র কোরআনের রেফারেন্স। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন : বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এমপি মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রী বিশেষ অতিথি ছিলেন: শিল্পপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম সাবেক সভাপতি বিজিএমইএ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা ভাইস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মোঃ আসলামুল হক এমপি ঢাকা-১৪, এসকে আমিন উদ্দিন সিইও আকিজ মটরস প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি গন বলেন আমরা হুজুরের কথা শুনে অভিভুত, মুদ্ধ, হয়েছি। তারা হুজুরের উদ্যোগ কে স্বাগত জানান এবং হুজুরের সংগঠনের সাথে এক যোগে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেন। সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন অত্র সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ইঞ্জি: বেলায়েত হোসেন। বড় সাহেবজাদা মোঃ এমদাদ উল্লাহ খান, যুব সংগঠনের সভাপতি মোঃ ইউনুছ মিয়াজী সহ দেশ বরেণ্য উলামায়ে কেরাম গন সম্মেলনে রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী মহোদয়, শিল্পপতি, জাতীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও বহু আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী সহ দেশ বিদেশের লাখো ভক্ত বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে মুর্শিদে কামেল হযরত মোহাম্মদ আব্দুল বারী (রহ:) জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সমগ্র মানব জাতির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করে মহাসম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।