রাজধানীর উত্তরা  ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে চাদাবাজী 

প্রকাশ : সোমবার, মে ১৩, ২০১৯ অপরাহ্ণ ১০:৩৪

মোঃ সাইফুল ইসলাম একা:

রাজধানীর উত্তরার সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ৫০-১০০টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। । আইন অনুযায়ী, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলোর রাজধানীতে চলার সুযোগ নেই। কিন্তু চলছে নিয়মিত।

অবৈধ অটোরিকশা এ ব্যপারে স্থায়ীয়দের কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি বহুবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

কীভাবে চলে এমন ব্যাটারি
চালিত অটোরিকশা-জানতে চাই।

ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা মালিক ও চালকদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে প্রতি মাসে এলাকায় সমিতির কার্ড ৫০০ থেকে ছয়শ ৬০০ টাকা  উত্তরার কার্ড ১৫০০,সুইচ গেট কাচা বাজারের কার্ড ৮০০/১০০০ টাকা করে মাসিক চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা উত্তোলনকারীর কাছে জানতে চাইলে বলেন থানা পুলিশ এই চাঁদার ভাগ পায়। ফলে এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উত্তরা থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চলে পুরো উত্তরা পর্যন্ত।

দুটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই রুট গুলুতে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে দৈনিক লাইনম্যানকে ১০-২০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। পুলিশ কোনো বাধা দেয় কিনা জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, চাঁদার টাকার ভাগ পুলিশও পায়। তাই সমস্যা হয় না।

আবার কামারপাড়া ব্রিজ  থেকে স্টিসন রুট পর্যন্ত এইরুটেও একইভাবে চলে  ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। এই রুটের একাধিক চালক জানিয়েছেন, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে প্রতি মাসে ৫০০/১০০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। তুরাগের তুরাগ পরিবহণ মোঃ ফারুক গং নামের ব্যক্তি   নিয়ন্ত্রণ করেন।

যোগাযোগ করা হলে। টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, টাকা তিনি নিজে তোলেন না। পুলিশসহ আরও লোকজন এই টাকার ভাগ পান।

জানা গেছে, রুট ধরে এভাবে চাঁদা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো রসিদ বা প্রমাণ রাখা হয় না। সরজমিনে দেখা গেছে  টাকা নেওয়া হয় কার্ড দিয়ে অনেকটা গোপনে। সরজমিনে দেখা যায় টাকা নিয়ে একটি স্টিকার দেয়া হয় শুধু এই এলাকা নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কামারপাড়া।,মুদাপা, সুইচগেট,খালপাড়,আব্দুল্লাহপুর,টঙী,ইয়ারপোর্ট,কাওলা, দক্ষিণখান, উত্তরখান,,বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিকশা নিয়ে চলেছে চাদাবাজী। ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো।

জানতে চাইলে স্থানিয় প্রশাসন  বলেন, রাজধানীতে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতে,নিষেদাজ্ঞা থাকার পরেয় স্থানিয় প্রভাব ও বিভিন্ন নেতা কর্মী পরিচয় দিয়ে  ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিকশাগুলোর ব্যবসা করে।