রাজধানী রমনা মধুবাগ এলাকার শীর্ষ ত্রাস সর্বগ্রাসী মিঠু বাহিনী

শের ই গুল:

মাদক চাঁদাবাজি জুয়া দখলবাজি করে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনই যেন এই বাহিনীর রাজনৈতিক মূল মন্ত্র। শুধু রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে কয়েক বছরের মধ্যে অসৎ উপায়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন এই মিঠু সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। ২০০১ সালের কায়েস হত্যা মামলার প্রধান আসামী মিঠু। রমনা থানার মামলা নং-৩৫৬/২০০১। তবে এই বাহিনীর মত এমন অপকর্ম করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন এমন বাহিনীর সঠিক সংখ্যা খুবই বিরল।

এমন ভাবে রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি দখলবাজি আইন বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যে সমস্ত নেতা কর্মী অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়তে গিয়ে দলের সুনাম বিনষ্ট করছে তাদের বিরুদ্ধে দলের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ক্রমে এদের নির্মূলে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সারাদেশে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান,এতে অনেক রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতা সহ হাইব্রিড নেতাদের কেউ কেউ আটক হলেও তাদের রাজনৈতিক কর্ম অনুসারী সাঙ্গপাঙ্গরা ধরাুেছাঁয়ার বাইরে। এমনই এক রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি জুয়া প্রতিতা ব্যবসা দখলবাজি আর মাদকের আধিপত্য সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে রমনা হাতিরঝিল থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান (মিঠু) তার রয়েছে ত্রাস সৃষ্টিকারী বিশাল কর্মী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের মহাগুরু মাদকাসক্ত মিঠুর ঘনিষ্ঠ সহচর নাদিম কলোনীর অপু হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এই সিন্ডিকেট দিয়ে ইন্টারনেট লাইন নিজের দখলে রাখাসহ কয়েক বছর আগে শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি ও ফখরুলের নিয়ন্ত্রণাধীন ডিস ক্যাবল লাইন নানা কলকব্জার কৌশলে ছিনিয়ে নিয়ে একচেটিয়া প্রতিদ্বন্ধী বিহিন দখল সাম্রাজ্যের ব্যাপক পরিধি বৃদ্ধি করে একনায়কতন্ত্র রাজত্ব কায়েম করে ত্রাস সৃষ্টিকারী বাহিনীকে আরো সুসংগঠিত করে তুলে। এক এক করে খুব সহজেই বিভিন্ন অপকর্ম করে বেপরোয়া গতিতে ত্রাসের সঞ্চার ঘটিয়ে রাতের আঁধারে পাক পৈশাচিক নির্যাতন ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পূর্ব নয়াটোলা ২৭/ডি বাড়িটি জবর দখল করে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া ও অপরটিতে নিজে বসবাস করছে। দখল করা ভবনটির নিচতলায় পাহাড়া হিসেবে সংগঠনের কার্যালয়ে বানিয়ে বড় বড় মাদকের চালান সরবরাহের আখড়া বানিয়েছে। মাদক সরবরাহের সময় নিজে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে কসাই পট্রির মোড়ে এক এপার্টমেন্ট থেকে আটক হয়। তার নামে নয়াটোলা মেধাবী ছাত্র কায়েস হত্যা মামলাসহ অসংখ্য চাঁদাবাজি মাদক মামলা রয়েছে বলে সূত্র জানায়।

একসময়ের গরীবি জীবন যাপন ও বোনের বাসায় আশ্রীয় মিঠু কিছু অসাধু অর্থলোভী প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তি ও রাজনৈতিক কিছু লোকের সহযোগিতায় দখল চাঁদাবাজি মাদক পতিতা ব্যবসা ও জুয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক উত্থান ঘটায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় । শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্রবাজ মিঠু বাহিনীর নানা বিধ হয়রানির শিকার অনেক রাজনৈতিক নেতা কর্মীরা এদের আতংকে রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ডে সক্রিয় ভাবে মাঠে তাদের অবস্থান তৈরি করতে পারে না। অনেক নেতা কর্মীকেই নিরবে নিস্ক্রিয় অবস্থায় বসবাস করতে হচ্ছে।পুরো এলাকা জুড়ে মিঠু বাহিনীর ত্রাস আর অস্ত্রবাজির আতংকে সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদের রয়েছে এরিয়া অনুযায়ী কয়েক জন নেতৃত্ব প্রধান এরা হলো সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন (রিমন), চাঁদাবাজির সেকেন্ড ইন কমান্ড সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ।

সাধারণ সম্পাদক রিমন মিঠুর ভাগিনা সুবাদে মাদক চাঁদাবাজি সহ অন্যান্য অসৎ উপায়ে পূর্ব নয়াটোলা খেজুর গাছের গলির ১৬/বি মোহনা নিবাসে প্রায় অর্ধ কোটি টাকায় পদ পাওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই একটি ফ্ল্যাট ক্রয়সহ কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। খলিল হাতিরঝিল থানা ছাত্র লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তার রয়েছে একটি সিন্ডিকেট বাহিনী এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সান্টু, কসাই বিপ্লব,শাকিল, রাসেল, খোকন, মিঠু সহ অন্যান্যরা এরা মাদক ফুটপাতে চাঁদাবাজি জুয়ার অর্থ উত্তোলন করা সহ এই বাহিনীর নামে পুরান ঢাকার এক ব্যবসায়ীকে আটক করে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির দায়ে হাতিরঝিল থানায় মামলা সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইলিয়াসের রয়েছে কিছু অনুসারী এরা হলো আশিক, সাদ্দাম, সুজন,জন, নাহার,বারো মাথার শাহিন,ইমন, জীবন , রাসেল এদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয় মীরবাগ স্বপ্ন গলি ঝিলপাড়া ৩নং গলি আর প্রত্যেকে মাদকের অবাধ কর্মে লিপ্ত রয়েছে। ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ঐশ্বর্য এর ও রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এরা হলো অনিক, রাহাত,রকি, লিংকন,পাভেল,টেগরা মুন্না ও যূগ্ন সাধারণ সম্পাদক সবুজ সরকার এই সবুজ আবার মিঠুর বাড়ী দখলে মুল সহায়তাকারী আবুলের একান্ত সহযোগি। পল্টিবাজির মারপেচে আবুলকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে নিজেই ওস্তাদের জায়গায় দখল করে নিয়েছে।

এই সিন্ডিকেটের প্রত্যেকে সি সি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নিরাপদ মাদক সাম্রাজ্যে মাদকের পাইকারি খুচরা ব্যবসাসহ অন্যান্য অপকর্মে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এই সিন্ডিকেট বাহিনীর মূল নিয়ন্ত্রক দাতা হাবিবুর রহমান মিঠুর নির্দেশে রাজনৈতিক পদ ব্যবহারকারী সদস্যদেরকে দিয়ে প্রতিদিন মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট থেকে মধুবাগ বাজার আমবাগান এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে চলাচলকারী প্রায় দুই শতাধিক অটোরিকশা ইজিবাইক হতে গাড়ি প্রতি ৪০০/- টাকা মধুবাগ কিশলয় ক্লাবের নামে মাসে ১০০০/- টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইজিবাইক চালক জানায়। আর এসব অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রয়েছে একটি দালাল সিন্ডিকেট। কোন গণমাধ্যম কর্মীরা জনস্বার্থে এসব সমাজ ধ্বংসকারী অপকর্মের দোসরদের মুখোশ উন্মোচন করতে চাইলে বিভিন্ন লোভনীয় প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা চালিয়ে থাকে।