সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ,প্রস্তুত নৌবাহিনীর ৩২ জাহাজ

ইমরান হোসাইন :

 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ভারতের ওড়িশা হয়ে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। এজন্য সারাদেশে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র ধেয়ে আসায় নিরাপত্তার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সব নৌযানকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে এক জরুরি বৈঠকে সারাদেশে নৌচলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিএ। বৈঠকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনো নৌযানকে চলাচল করতে নিষেধ করা হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান প্রাণের  বাংলাদেশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ নির্দেশনার ফলে দুপুর ১২টা থেকে ঢাকা নদীবন্দরের সঙ্গে ৪১টি রুটের যাত্রীবাহী নৌযানের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতের আশঙ্কায় সব ধরনের নৌচলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফনীর আঘাত কেটে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়া হবে।

ফণীর আঘাতের পর সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিআইডাব্লিউটিএ’র সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। দুর্যোগ পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক সেবা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ফণীর আঘাত পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।