Amar Praner Bangladesh

অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের পথকে সুপ্রসারিত করে যাচ্ছে

 

(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সমাজের সুবিধা বঞ্চিত ও অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুদের উপযুক্ত শিক্ষা, চিকিৎসা, থেরাপি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মূল স্রোতধারায় আনার যে মহান উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।)

 

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, (সম্পাদক- দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ) :

 

যুক্তরাষ্ট্রের অটিজম সোসাইটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ অটিজমে আক্রান্ত। তার মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় দেড় লাখের মতো অটিজম আক্রান্ত মানুষ রয়েছে। এই হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিদিন চার জনের বেশি শিশু অটিজম নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের মধ্যে অন্যতম অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। এই প্রতিষ্ঠান সুবিধাবঞ্চিত অটিষ্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করছে।

ঢাকা সহ দেশের দশটি জেলায় অটিষ্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করছে এবং আটটি অটিজম স্কুল সহ স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা করছে। যেভাবে তাদের কার্যক্রম এবং গঠন প্রণালি সাজানো হয়েছে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি জেলায় তাদের প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারিত হবে। অটিজম সাধারণত স্নায়ু বিকাশ জনিত সমস্যা, এটি কোন রোগ নয়, স্নায়ুবিক জনিত সমস্যার কারণে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার উৎপত্তি হয়। যেমন মানসিক, বুদ্ধিগত, বিকাশগত ছাড়াও শারীরিক এবং শ্রবণ ইন্দ্রিয়গত সমস্যা ও প্রতিবন্ধিতা নির্দেশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ প্রতিবন্ধী।

সমাজে পিছিয়ে পড়া শিশুদের কথা চিন্তা করে তাদের আগামী দিন গুলো কিছুটা হলেও সুন্দর, সুখকর করার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৬ সাল থেকে অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠানটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে অগ্রযাত্রা শুরু করেন। যার প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মোঃ হারুন অর রশিদ ও সভাপতি সাবেক যুগ্ম সচিব মোঃ ইব্রাহিম খলিল। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদ হতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বিশেষ সুবিধা বঞ্চিত অটিষ্টিক লক্ষণযুক্ত শিশুদের নিয়ে কাজ করছে। এ প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল, পটুয়াখালী-ঝালকাঠী, ময়মনসিংহ ও রংপুর সহ বিভিন্ন জেলাতে শিশুদের জন্য থেরাপি, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করতে সক্ষম হয়েছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সভাপতি সাবেক যুগ্ম সচিব মোঃ ইব্রাহিম খলিল দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান, অটিজম সারা পৃথিবীতে অনেক পুরাতন একটি সমস্যা। তাদের স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসা, স্বাভাবিক মানুষরূপে লালন পালন করার কোন ব্যবস্থা ছিলনা। হাতে গোণা কিছু মানুষ তাদের নিজেদের সন্তানের কথা ভেবে অটিজম শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

এ পরিবর্তনের সূচনা করেছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তনয়া সায়মা ওয়াজেত পুতুল। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং মহতি উদ্যোগে শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবী ব্যাপি অটিজম সমস্যাকে সমাধান করার লক্ষ্যে চিকিৎসক, সমাজকর্মী, রাষ্ট্র নায়ক, গবেষক সহ সবাই নড়েচড়ে বসেছে। অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সুবিধা সম্পন্ন অটিষ্টিক শিশুদের প্রয়োজন মেটাতে একটি সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ, উপযুক্ত নিয়মিত চিকিৎসা ও থেরাপি, তাদের উপযোগী পরিবেশ, শিক্ষা এবং সমাজের মূল ধারায় উত্তরণের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে নির্ভিঘ্নে।

অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর মহাসচিব মোঃ হারুন অর রশিদ দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে একান্ত স্বাক্ষাৎকারে বলেন, মানুষ মহান আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব, প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় আমাদের সম্পদ। তাদের উন্নত মানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা সাধ্য অনুযায়ী আমাদের দায়িত্ব। সমাজের দানবীর ও বিত্তবান লোকেরা বিশেষ শিশুদের দায়িত্ব প্রতিপালন করতে পারেন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিশেষ শিশুদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্ব বর্তমান সময়ে এ বিষয়ের উপর কাজ করছে।

জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী মুজিববর্ষ উদযাপনের শুভক্ষনে বিশেষ শিশুদের শারিরীক ও মানসিক বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সংস্করণ “উত্তরণ” ম্যাগাজিনটি সময় উপযোগী হয়েছে। প্রতিবন্ধীরা আমাদের সম্পদ এই মর্মে একটি যুগপযোগী বার্তা বাহকের কাজ করেছে উত্তরণ। এখানে স্থান পেয়েছে গুণীজনদের জ্ঞানগর্ব বাণী ও তাদের আদেশ উপদেশমূলক শিক্ষনীয় লেখনী। এই মহৎ উদ্যোগের সাথে সম্পর্কিত সকলকে জানাই আপনাদের মাধ্যমে অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম খলিল, (সাবেক যুগ্ম সচিব) শুরু থেকে পরিশ্রম করে আসছেন। তার সততা ও দক্ষতার জন্য প্রতিষ্ঠানটি আজ সফলতায় পৌঁছে যাচ্ছে বলে আমি মনে করি। উত্তরণ প্রকাশনায় যেসকল সম্মানিতজনরা বাণী দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদেরকে সহযোগীতা করেছে তাদের প্রতি আপনাদের মাধ্যমে জানাই কৃতজ্ঞতা।

বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রতিটি দেশে এখনো এক অন্যতম মানসিক সমস্যার নাম অটিজম। সভ্য পৃথিবীতে আজ আমরা অটিজমের কাছে অসহায়। একটি অটিজম বেবির জন্য আমরা নিরবে নিভৃতে তিলে তিলে কষ্ট পাই, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছে তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করা ছাড়া আমাদের কোন উপায় থাকেনা, সে হোক ধনী বা গরীব। অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ইতিমধ্যে তাদের সুন্দর কার্যক্রমের জন্য দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু এ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এর অন্যতম সংগঠক বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদেরকে কেন ব্যবসায়ীক সম্পদে পরিণত করা হবেনা এই মর্মে গবেষণামূলক ভাবে কাজের সফলতায় মোঃ আরফান শরীফকে জাতি সংঘ থেকে স্বীকৃতি স্বরূপ সনদ প্রদান করা হয়েছে। যা অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে সমুজ্জ্বল করেছে। অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর গঠনতন্ত্র জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির বিশেষ শিশু, বিশেষ সমস্যা গ্রস্থ মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, পুর্নবাসন ও কল্যাণ সাধন করাই অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য।

হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা, স্কুল কলেজ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গবেষণার জন্য ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা, অভিভাবকের পরামর্শ, সামাজিকভাবে সকল সাধারণ শিশু ও লোকদের সাথে স্বাভাবিক ভাবে লেখাপড়া, প্রশিক্ষণ, সেমিনার-সম্মেলন ও কর্মশালা, গ্রন্থ, প্রবন্ধ, পত্রিকা, প্রচারপত্র, সাময়িকী ও ম্যাগাজিন সহ যাবতীয় প্রকাশনা ও প্রচারের ব্যবস্থা করা। দান গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানের বৃহত্তম স্বার্থে এর সমগ্র সম্পত্তি বা অংশ বিশেষ উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা, সরকারী বেসরকারী সকল সংগঠনের সাথে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পর্ক স্থাপন করা। অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ একটি দূর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান। যা নিয়মতান্ত্রিকভাবে সদস্য পদ, দাতা সদস্য, আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্য, প্রতিষ্ঠানিক সদস্য, উপদেষ্টা সদস্য, সহযোগী সদস্য সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী পরিষদে বেষ্টিত। রয়েছে কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে অথবা দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা নির্বাচনী সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তিন বছরের জন্য একুশ সদস্য বিশিষ্ট্য কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

তারা সকলেই আন্তরিকভাবে এবং নিষ্ঠা ও সততার সাথে তাদের উপর প্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করে চলছেন আপন মহিমায়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ একটি প্রথম সারির মানবিক প্রতিষ্ঠান। গুণীজনদের মর্ম বাণীতে উঠে এসেছে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নূরুজ্জামান আহমেদ (এমপি), মন্ত্রী সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মোঃ আতিকুল ইসলাম, মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, মাহফুজা আক্তার, সচিব, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শেখ কবির হোসেন, চেয়ারম্যান- ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক, লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল, মোঃ আনিছুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, মোঃ জসিম উদ্দিন, নির্বাহী সচিব (যুগ্ম সচিব), বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদ, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বশির আহম্মদ, পিপিএম (বার), ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ টেলিকম, রাজারবাগ, ঢাকা। মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ঢাকা। মোঃ মামুনুর রশিদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা জেলা পরিষদ।

ড. মোঃ নূরুল আলম, (অতিরিক্ত পরিচালক) বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ পরিষদ, একেএম রেজাউল হক, এমজেএফ, পিসিসি এ্যাম্ভাসাডর অব গুডউইল, এলসিআই চেয়ারম্যান বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন, ড. মোঃ এরশাদ হোসেন রানা, কাউন্সিল চেয়ারম্যান (২০১৯-২০২০) মাল্টিপল ডিস্ট্রিকট ৩১৫ বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল, মতিউর রহমান চেয়ারম্যান- এমকে গ্রুপ, মোঃ ইব্রাহিম খলিল (সাবেক যুগ্ম সচিব), সভাপতি- অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, মোঃ হারুন অর রশিদ, মহাসচিব অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, মোঃ গোলাম ফারুক সরদার, প্রধান সম্পাদক, অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির, অর্থ সম্পাদক, অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, তাদের পৃথক পৃথক বাণীতে উত্তরণ ম্যাগাজিনের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কার্যক্রম ও সফলতার গল্প, ব্যক্ত করেছেন অটিজমকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়।

অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষক মন্ডলী ও বিভিন্ন কর্মকর্তাদের উত্তরণে প্রকাশিত প্রতিবেদন যেমন শিক্ষনীয় তেমন বাস্তব সম্মত বটে। বিষ্ণু পদ মন্ডল, প্রধান শিক্ষক, অটিজম স্কুল ঢাকা জেলা শাখা, জীবন কৃষ্ণ সাহা, প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল বরিশাল জেলা শাখা, মোঃ মাসুদ আলম, প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল পটুয়াখালী জেলা শাখা, শারমিন আক্তার প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল ময়মনসিংহ জেলা শাখা, মোঃ আরিফুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল রংপুর জেলা শাখা, মিলন মিত্র, প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল ঝালকাঠী জেলা শাখা, মোঃ মেহেদী হাসান, প্রধান শিক্ষক অটিজম স্কুল বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখা, মোঃ হারুন অর রশিদ প্রতিষ্ঠাতা লেখক মহাসচিব ও এশিয়া ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা মেম্বার ইনচার্জ এডমিনিস্ট্রেশন, মোঃ জসিম উদ্দিন যুগ্ম সচিব স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বপন কুমার হালদার, উপ পরিচালক সমাজ সেবা অধিদপ্তর, মোঃ শহিদুল ইমরান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক, অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও প্রেসিডেন্ট এশিয়া ক্লাব লিমিটেড, মোঃ আলতাব হোসেন, সভাপতি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, শায়খ আবুল কালাম আজাদ আজাহারি, লেখক ও খতিব মাসজিদুল ইলাহ, পরিচালক মারকাযুল মাদিনা আল ইসলামি, আমিনুল হক চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, মাহবুবুর রহমান কার্য নির্বাহী সদস্য, অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, সৈয়দা তানহা সুলতানা, ফিজিও থেরাপিষ্ট শিক্ষক অটিজম স্কুল ঢাকা, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসায়ীক সম্পদ এর লেখক শিক্ষার্থী মোঃ আরফান শরীফ, মোঃ শাহিন হোসেন ম্যানেজার অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

প্রত্যেকের লেখনীতে ফুটে উঠেছে অটিজম শিশুদের ভবিষ্যতের প্রত্যাশা। তাদের একটিই ম্যাসেজ আসুন, আমরা প্রত্যেকে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের জন্য কাজ করি। সমাজের সুবিধা বঞ্চিত অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুদের উপযুক্ত চিকিৎসা, থেরাপি, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজের মূল স্রোতধারায় আনয়নের যে মহান উদ্যোগ অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। সরকারের পাশাপাশি অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের ন্যায় সমাজ কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্রিয় অংশগ্রহণ অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুর ন্যায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে গতি সঞ্চার করবে।

অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলেই সরকারের গৃহীত সকল উদ্যোগ পূর্ণতা পাবে।