Amar Praner Bangladesh

অটিজম স্কুল উত্তরার মহাসচিব হারুনের অনৈতিক কর্মকান্ড ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ

(প্রতারক সাহেদের নতুন প্রতিচ্ছবি উত্তরায়! অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুদের হক আত্মসাৎকারী কে এই হারুন অর রশিদ? অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে অনেক অজানা কাহিনী। বিজ্ঞজনদের মতামত এখনই ব্যবস্থা না নিলে যেকোন সময় দেশ ত্যাগ করতে পারে হারুন।)

 

যোবায়ের হোসাইন :

অটিজম স্কুলের অফিস সহকারী মোঃ মাইদুল ইসলামের একটি লিখিত অভিযোগ যাহা বরাবর সভাপতি অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সেখানে লিখিত অভিযোগে দেখা যায়, মহাসচিব জনাব মোঃ হারুন অর রশিদের সকল অনৈতিক কর্মকান্ড এবং দূর্নীতির এক বিশাল ফিরিস্তি।

প্রতিবন্ধীদের ভাতা শিক্ষকদের বেতনের নামে নিজে ভোগ করেন। শিক্ষক-ষ্টাফদের নিকট হইতে চাকুরী বাবদ ঘুষ গ্রহণ ইত্যাদি। অভিযোগে আরো পাওয়া যায়, সাইদুল ইসলাম মারুফের স্ত্রীকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন মহাসচিব হারুন অর রশিদ এবং উক্ত পদের জন্য মহাসচিব মারুফের নিকট থেকে নগদ প্রথম কিস্তিতে নেন ৫০ হাজার, দ্বিতীয় কিস্তিতে ২০ হাজার টাকা। উক্ত মারুফ দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান, তিন বছর একটানা বিনা বেতনে বিশেষ করে আমি দিন-রাত খেঁটে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দাঁড় করিয়েছি। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, আমি আমার পিতার নিকট থেকে খরচ নিয়ে সংসার চালিয়েছি।

আজ মহাসচিব গরীব-অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুদের পুঁজি করে সমাজ সেবার নাম করে চালাচ্ছেন সকল অনৈতিক কর্মকান্ড। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারক মহাসচিব হারুন অর রশিদ নিজের স্বার্থে এবং দূর্নীতি সহজ করার লক্ষ্যে প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী সুলতানা মুন্নিকে বিনা নোটিশে, বিনা কারণে বিভিন্ন সভায় অপদস্থ করে তাকে হুমকি প্রদান করে পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য ভয় দেখান। মহাসচিব জনাব হারুন অর রশিদ জোরপূর্বক প্রধান শিক্ষক হিসেবে তার মনোনীত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেন। অভিযোগে আরো উল্লেখ হয়, মহাসচি ঢাকার বাহিরে বিভিন্ন স্কুল থেকে এমপিও এর নাম করে নগদ টাকা হাতিয়ে নেন।

যেমন- পটুয়াখালী স্কুল, রংপুর স্কুল, ঝালকাঠী স্কুল অন্যদিকে অটিজম সাপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব জনাব মোঃ হারুন অর রশিদ অটিজম স্কুলের শিক্ষক ও ষ্টাফগণের নিকট থেকে চাকুরী বাবদ ঘুষ গ্রহণ করেন। আমেনা বেগম-৫০ হাজার, ফাহিমা বেগম- ৫০ হাজার, রুবেল সরদার- ৫০ হাজার, রাজুবা আক্তার- ১ লাখ, জেনিয়া ফাহমিন- ১ লাখ, সুমাইয়া-৫০ হাজার, আমেনা আক্তার হাসি- ৫০ হাজার, মরিয়ম বেগম- ৫০ হাজার, পলি আক্তার- ৩০ হাজার, মহাসচিব এভাবে শিক্ষক ও ষ্টাফগণের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় মর্মে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এভাবে টাকা পয়সা গ্রহণ করে আবার জানায় বাকী টাকা চাকুরীর যোগদানপত্র হাতে দিলে পরিশোধ করতে হবে। এক দৃষ্টিতে মহাসচিব হারুন অর রশিদের পরিচয় যেন প্রতারক সাহেদের উত্তরসূরীর ঘোষণা দেয়। তিনি প্রেসিডেন্ট ঢাকাস্থ বাকেরগঞ্জ আওয়ামীলীগ সমর্থক গোষ্ঠী, প্রেসিডেন্ট লায়ন ক্লাব অব ঢাকা প্রাইম উত্তরা ডাউন, ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কলসকাঠী ইউপি, ভাইস প্রেসিডেন্ট বাকেরগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতি, জেনারেল সেক্রেটারী কলসকাঠী কল্যাণ পরিষদ, পার্মানেন্ট মেম্বার উত্তরা রিক্রিয়েশন ক্লাব, লাইফ মেম্বার- বাংলাদেশ লায়নস্ ফাউন্ডেশন, লাইফ মেম্বার- বরিশাল জেলা সমিতি, লাইফ মেম্বার- গ্র্যান্ড প্যারেন্টস্ ডে, লাইফ মেম্বার- পটুয়াখালী জেলা সমিতি, লাইফ মেম্বার- কলাপাড়া উপজেলা কল্যাণ সমিতি।

অনুসন্ধানে আরো অনেক নামে বেনামে বিভিন্ন ক্লাব সহ বৈধ অবৈধ সংগঠনের সাথে তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়, যা আগামী পর্বে প্রকাশিত হবে। বিগত সময়ে এই ভন্ড সাহেদের উত্তরসূরী অটিজম ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে তার বিশেষ ক্যাডার শাহীন নামধারী ব্যক্তি নিজেকে কখনো সাংবাদিক, কখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পত্রিকা অফিসে মোবাইল করে বলেন, হারুন অর রশিদ কে জানেন? তার সম্পর্কে কারো ধারণা নেই! এমন এমন ব্যক্তিদের সাথে তার ছবি আছে, তার জানাশুনা আছে কেউ কল্পনাও করতে পারবেনা। তার হাত প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত লম্বা। এমনকি বর্তমান আর্মি প্রধান আজিজ তার কাছের লোক।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় তাঁর যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সোপানে যেখানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিষয়ের উপর রিসার্চ করে বিশ^ব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অসহায় শিশুদেরকে নিয়ে কাজ করছেন আন্তরিকতার সাথে, সেখানে বাংলাদেশের রাজধানী উত্তরার অটিজম স্কুলের মহাসচিব হারুন অর রশিদ দূর্নীতি আর অনিয়ম করে অসহায় শিশুদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। বর্তমান সরকারের আমলে সকল অপরাধীরা আসবে আইনের আওতায়। এমনটাই দাবী সবার। আগে সোনার বাংলা পরে অন্যসব। সাধু সাবধান।