Amar Praner Bangladesh

অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে নান্দাইল পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

 

 

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

 

নান্দাইলে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জন জীবন। এই প্রচন্ড তাপদাহে বিদ্যুতের লোডশডিংয়ের শেষ নেই।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। ২৪ ঘন্টায় ৩-৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। এতে করে উপজেলার গ্রাহকরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। ইউনিয়নের সাব-স্টেশনের লাইন থেকে পৌর সদরের সাব-স্টেশন লাইনে সংযোগ ও অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কবল থেকে স্বস্তি পেতে নান্দাইল পল্লী বিদ্যুৎ এর জোনাল অফিস ঘেরাও করেছে ক্ষিপ্ত গ্রাহকরা।

বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নান্দাইল পৌর সদরের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে। সারা দেশে বিদ্যুতের সংকট মোকাবেলায় গত ১৯ জুলাই থেকে এলাকা ভিত্তিক দুই- এক ঘন্টার লোডশেডিং থাকবে বলে জানানো হয়। কিন্তু কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নান্দাইল জোনাল অফিস তা মানছে না। যেখানে শিডিউল অনুযায়ী এক -দুই ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কথা থাকলেও ১৬-১৭ ঘন্টা থাকছে না বিদ্যুৎ । এতে করে যেখানে শিডিউলের বিপর্যয় ঘটেছে।

নান্দাইল পৌর সভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহ্ আলম, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সমাধারন সম্পাদক ঝন্টু সরকার সহ ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ৩ শতাধিক গ্রাহক ক্ষিপ্ত হয়ে অফিস ঘেরাও করে। এসময় কাউন্সির শাহ আলম বক্তব্য রেখে বলেন, আমরা নান্দাইল পৌর সভার দক্ষিণ চারিআনি পাড়া,আমোদাবাদ ও গারুয়া গ্রামের অর্ধেক বাসিন্দা হয়েও ইউনিয়ন পর্যায়ের কানুরাম সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পাই৷ যা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩-৪ ঘন্টা। আমাদের লাইন পৌর সভার সাব-স্টেশনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

পৌর সভার বাসিন্দা মো. এমদাদুল হক বলেন, আমাদের কর ও টেক্সের টাকায় পৌর সভা চলে। অথচ আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাই না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। আমাদের কে পৌরসভার সাথে যুক্ত করতে হবে। এটি না হলে আমরা আবারও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করবো।

নান্দাইল পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী বিপ্লব সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, অফিস ঘেরাও করে গ্রাহকরা চিল্লা পাল্লা করেছে। আমি তাদের আশ্বাস দিয়েছি। হুট করে তো আর লাইন চেঞ্চ করা যায় না। একটি নিদিষ্ট প্রক্রিয়া আছে৷ আবেদন দিলে বলেছি। পরবর্তী আমরা দেখবো। বিদ্যুৎ লোডশেডিং শুধু নান্দাইল নয় সারা দেশেই। আমাদের প্রয়োজন ২৪-২৫ মেগাওয়াট আর আমরা পাচ্ছি ৮-৯ মেগাওয়াট।