Amar Praner Bangladesh

অপরাধ জগতের ডনরা আধিপত্য জিইয়ে রাখতে নতুন বাহিনী গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে

 

 

(আন্ডারওয়ার্ল্ড উত্তপ্ত হয়ে ওঠার বিষয়টি খোদ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনেকে স্বীকার করেছেন। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। কিশোর গ্যাংয়ের দূর্ধর্ষ অপরাধীদের নিজেদের অপরাধ জগতের সাথে সম্পৃক্ত করতে তাদেরকে দিচ্ছে অবৈধ অর্থ, অস্ত্র ও মাদক।)

 

শের ই গুল :

 

দীর্ঘ দিন যাবৎ মাফিয়া ডনেরা বিভিন্ন অপরাধের কারণে আইনী প্রক্রিয়ায় জেলহাজত ও বিদেশে পালিয়ে থাকার কারণে তাদের চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হলে, এখান থেকে কাটিয়ে উঠার জন্য তারা অর্থ এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক সরবরাহ করে দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে হঠাৎ উদ্ভাবিত হওয়া কিশোর গ্যাংয়ের সাহসী দূর্ধর্ষ অপরাধীদেরকে নিজেদের অপরাধ জগতের সাথে সম্পৃক্ত করতে নিজেদের আধিপত্য জিইয়ে রাখতে ডনেরা মরিয়া হয়ে উঠেছে।

কারাগারে ও বিদেশে আত্মগোপনে থেকে পুরস্কার ঘোষিত টপটেরররা দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করলেও সম্প্রতি তাদের সহযোগীদের অনেকে বেঁকে বসেছে। তারা এখন গডফাদারদের অঙ্গুলি হেলনিতে খুন-চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে এর ‘বেনিফিট’ নির্দেশদাতাদের হাতে তুলে দিতে গড়িমসি করছে। কেউ কেউ সরাসরি গডফাদারদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেই ক্ষমতার মসনদ দখলে নেওয়ার ফন্দি আটছে। এ সংকটে অপরাধ জগতের ডনরা নিজেদের আধিপত্য জিইয়ে রাখতে অবৈধ অস্ত্র-গুলির জোগান দিয়ে নতুন বাহিনী গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

দলের নতুন সদস্যদের দিয়ে অবাধ্য পুরনো সহযোগীদের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে অপরাধ সম্রাটরা একে-অপরের দলছুট সহযোগীদের নিজের দলে ভিড়িয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের মিশনে নেমেছে। নয়া এ মেরুকরণে আন্ডারওয়ার্ল্ড আকস্মিক উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অপরাধ পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, দ্রুত এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আন্ডারওয়ার্ল্ডে অস্ত্রবাজি ও খুনোখুনি ভয়ংকর রূপ নেবে। আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি ঘটবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে। এ অবস্থা চলমান থাকলে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাণিজ্যসহ অন্য অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বাড়বে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কি হত্যা মামলার আসামি মতিঝিল থানা যুবলীগের সাবেক সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম টিপু খুনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টনক নড়েছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনদের সেকেন্ডম্যান হিসেবে যারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ তৎপরতা চালাচ্ছে তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

তাদের কিলার গ্রুপের সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ তৎপরতা চালাতে র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পুরস্কার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৩ জন বিদেশে আত্মগোপন করে আছে। ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির পরও তারা বহালতবিয়তে থেকে বাংলাদেশের অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে ২০০৩ সালে মালিবাগের সানরাইজ হোটেলে ডিবি পুলিশের দুই সদস্যকে হত্যার পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান দুবাইয়ে আত্মগোপনে থেকে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করছে।

তার সহযোগী জাফর আহমেদ মানিক ওরফে ফ্রিডম মানিক ভারতে পালিয়ে থাকলেও তার ইশারাতেই দেশে দখলবাজি, টেন্ডারবাণিজ্য ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে এতদিন যারা স্থানীয়ভাবে এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দিত, তারা কেউ কেউ বেঁকে বসেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্রাইম মিশন সফল করার পর সেখান থেকে পাওয়া কোটি কোটি টাকার ‘বেনিফিটের’ বড় অংশ বিদেশে আত্মগোপনে থাকা গডফাদারদের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে তারা গড়িমসি করছে।

এ পরিস্থিতিতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনরা তাদের পুরনো সহযোগীদের দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার নীলনকশা হাতে নিয়ে মাঠে নেমেছে।

সম্প্রতি এরই ধারাবাহিকতায় সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু খুন হয়েছেন বলে গোয়েন্দারা ধারণা করছেন। জানা গেছে, এ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে মুসা নামে যে কিলারকে খোঁজা হচ্ছে, তিনি এর আগেও জিসান ও মানিকের নির্দেশে একাধিক কিলিং অপারেশন চালিয়েছেন। তাই টিপুকে খুনের নেপথ্যে জিসানের হাত রয়েছে বলে গোয়েন্দারা সন্দেহ করছে।

গোয়েন্দাদের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মতিঝিল, কমলাপুর, পল্টন ও শাহজাহানপুরসহ এর আশপাশের বিশাল এলাকার আধিপত্য দীর্ঘদিন যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভুইয়ার হাতে থাকলেও ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে তিনি জেলে যাওয়ার পর টিপু এর হাল ধরেছিলেন। বিদেশে আত্মগোপনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান তাকে ‘গাইড’ করছিলেন। ফলে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাণিজ্যসহ সব ধরনের আধিপত্য সহজেই তার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তবে এসব অপরাধের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের বড় অংশই জিসানের হাতে চলে যাওয়ায় টিপু সম্ভবত নতুন কোনো শেল্টার খুঁজছিলেন। যা টের পেয়ে জিসান তার অন্য সহযোগীদের দিয়ে টিপুকে খুনের পরিকল্পনা করেন। গোয়েন্দাদের অপর একটি সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও খালেদ মাহমুদ ভুইয়া ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে কারাবন্দি হওয়ার পর (যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট বর্তমানে জামিনে বের হয়েছে।) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতা তড়িঘড়ি করে বিদেশ থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন। তাকে দিয়ে মূলত শীর্ষ সন্ত্রাসী জাফর আহম্মেদ ওরফে মানিক আন্ডারওয়ার্ল্ড দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ধারাবাহিকতায় মানিকের ওই সহযোগী দেশে ফিরেই অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মতিঝিল, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও ও পল্টন এলাকার চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাণিজ্য তার দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। তবে এর আগেই তা টিপুর দখলে চলে যাওয়ায় তারা মুখোমুখি হয়ে পড়েন। এর জের ধরেও টিপু খুন হতে পারে বলেও সন্দেহ করছেন গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনে হামলা মামলার অন্যতম আসামি তৎকালীন ফ্রিডম পার্টির নেতা শীর্ষসন্ত্রাসী জাফর আহম্মেদ ওরফে মানিকের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এই সহযোগীকে টিপু কিলিং মিশনের পরিকল্পনাকারী সন্দেহে গোয়েন্দা জালে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় তাকে গ্রেপ্তারও দেখানো হতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, অপরাধজগতের নয়া মেরুকরণের ধারাবাহিকতায় নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে আছে মালয়েশিয়ায় পলাতক শীর্ষসন্ত্রাসী ইব্রাহীম, দুবাইয়ে পলাতক রবিন এবং ভারতে পলাতক শাহাদাত হোসেন। অপরাধজগতের দখল ধরে রাখতে তাদের নতুন সহযোগীরা এখন অতিমাত্রায় সক্রিয়। ইব্রাহীম ও শাহাদাতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মিরপুর এলাকার অপরাধ সাম্রাজ্য দখলে নিতে মরিয়া কারাবন্দি শীর্ষসন্ত্রাসী কিলার আব্বাসের সহযোগীরা। আবার একসময় শাহাদাতের হয়ে যারা কাজ করলেও সম্প্রতি তাদের কেউ কেউ নিজস্ব অস্ত্রধারী গ্রুপ গড়ে তুলেছে।

ঢাকার অপরাধজগতে একসময় ‘মুকুটহীন সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত শীর্ষসন্ত্রাসী তানভীর ইসলাম জয় টেন্ডার, চাঁদাবাজি, খুনখারাবির পথ থেকে সরে দেশের রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তির উত্থানে রাজনৈতিক অ্যাসাইনমেন্ট তামিলে নতুন তৎপরতা শুরু করেছেন। কলকাতা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ঘুরে তার অবস্থান এখন ব্যাংককে। সেখানে বসেই তিনি কলকাঠি নাড়ছেন বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, পল্লবী ও কাফরুলসহ আশপাশের এলাকার শীর্ষসন্ত্রাসী শাহাদতের অপরাধ জগতের সহযোগীদের একটি বড় অংশ দলছুট হওয়ায় সেখানেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দায়িত্বশীল একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ভারতে আত্মগোপনে থাকা শাহাদৎ তার দলছুট সহযোগীদের ঘায়েল করে নতুন ক্যাডারদের ফ্রন্ট লাইনে আনার চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে তাদের হাতে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়েছেন। বিভিন্ন চাঁদাবাজির স্পটে পুরনো সহযোগীদের নাম কাটিয়ে নতুনদের নাম তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে শাহাদতের পুরনো সহযোগীরা এ নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গোটা এলাকার আধিপত্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের দেওয়া চাঁদা বন্ধ কিংবা কমিয়ে দেওয়া হলে তারা কিলিং মিশনে নামতে বাধ্য হবে বলে চাঁদাদাতাদের হুমকি দিচ্ছে। ফলে ওই এলাকার ব্যবসায়ী, বাড়িমালিকরা নতুন করে বিপাকে পড়েছেন। এরই মধ্যে অনেকে এ বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন।

তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে ‘ঈদ সেলামি’ নিয়ে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন কল-কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে খুনোখুনির ঘটনা ঘটবে কিনা তা নিয়ে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

গোয়েন্দা বিভাগের মিরপুর জোনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, এ ধরনের আলামত তারাও দেখতে পাচ্ছেন। তবে আসন্ন ঈদকে ঘিরে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন ও তাদের সহযোগীরা যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করতে না পারে এজন্য তারা সর্বোচ্চ তৎপরতা চালাচ্ছেন। সন্ত্রাসীরা চাঁদা চাওয়া মাত্র শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা যাতে গোপনে এ বিষয়টি তাদের অবহিত করেন এজন্য তাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে মিরপুর এলাকার একজন গার্মেন্টস মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতেও র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দারা এ ধরনের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু এসব সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। আর এর বড় খেসারত তাদের দিতে হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রেখে সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ব্যবসায়ীরা অনেকে খুনের শিকার হয়েছেন। অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু জীবন-যাপন করছেন। তাই আন্ডারওয়ার্ল্ড উত্তপ্ত হওয়ার আলামতে তাদের অনেকের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। আন্ডারওয়ার্ল্ড উত্তপ্ত হয়ে ওঠার বিষয়টি খোদ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনেকে স্বীকার করেছেন। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক বলেন, একসময় আন্ডারওয়ার্ল্ড উত্তপ্ত থাকলেও পরে তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। দীর্ঘদিন ধরে আন্ডারওয়ার্ল্ডে শীতল পরিবেশ বিরাজ করছিল। তবে তা আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা, আধিপত্য বিস্তার ও নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জের ধরে খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে। যা সবার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।