Amar Praner Bangladesh

অস্বাস্থ্যকর জুস ফ্যাক্টরীতে সয়লাব রাজধানীর উত্তরখান দক্ষিণখান

 

এ আর নাছিমা বৈশাখী (অপূর্বা) :

 

খাবার মানুষের জীবনের একটি মূল্যবান অধ্যায়। খাবার ছাড়া বাঁচতে পারে পৃথিবীতে এমন কোন প্রাণী নেই। সৃষ্টিকতা প্রাণীকুলের জন্য নিয়ামত স্বরূপ দিয়েছেন বিশুদ্ধ খাবার। কিছু জানোয়ার সাদৃশ্য মানুষ এই খাবারকে নকল করে রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে খাবারের পরিবতে খাওয়াচ্ছে বিষ।

রাজধানীর উত্তরখান দক্ষিণখানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে জুস ফ্যাক্টরী সহ অনেক প্রকার খাবারের কারখানা। তাদের মধ্যে অন্যতম সাইদুলের লিয়ন ফ্রুটি জুস কারখানা প্রস্তুতকারক তৌফিক ফুড এন্ড বেভারেজ, উজামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন, উত্তরখান, ঢাকা। এই কারখানার ভিতরে প্রবেশ করতেই মেজেতে ছাপ ছাপ কালো দাগ। এখানে সেখানে ফেলা মানুষের থুথু, উন্মুক্ত টয়লেট থেকে আসছে বিকট দুগন্ধ। এরকম পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ক্যামিকেল মিশানো ম্যাংগো ফ্লেভারে জুস ফ্রুটি। এই কারখানার মালিক পরিচয়ে সাইদুলের গলাবাজি আমার এখানে এটিএন, একুশে টিভির অনেক সাংবাদিক আসে। তারা নাম্বার দিয়ে যায়, তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ হয়। তাছাড়া স্থানীয় প্রশাসন সহ অনেক সাংবাদিককে আমি পালি।

আমি কোন খারাপ জুস তৈরি করিনা। এই কারখানার ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, একজন মহিলা অনেক জুস মেজেতে ফেলে দিয়েছে। আবার ঐ ফেলে দেওয়া জুস গুলো একটি প্লাষ্টিকের বেলচা দিয়ে মগে তুলে নিচ্ছে এবং বোতলজাত করছে। মেশিন দিয়ে এখানে কোন জুস তৈরি হয়না, সবকিছু হয় খোলা মেলা ভাবে। কারো হাতে নেই গ্লাবস, মুখে নেই মাস্ক, দুগন্ধ আর অপরিস্কার স্থানে এসব জুস খেয়ে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বিভিন্ন মরণঘাতি অসুখে ভুগছে।

শুধু এই জুস ফ্যাক্টরী নয়, উত্তরখান দক্ষিণখানে অলিতে গলিতে লোক চক্ষুর আড়ালে ঘাপটি মেরে চালাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ কারখানা। মাঝে ম্যাজিষ্ট্রেট এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও র‌্যাব এসে এদেরকে আইনের আওতায় আনলেও আবার ফাঁক ফোকড় দিয়ে বেরিয়ে স্থান পরিবতন করে চালায় এই অবৈধ ব্যবসা।