শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আগামীতে জনগণ বিএনপিকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে : তথ্যমন্ত্রী রূপসায় উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবে এশিয়ান টিভির ১০ম বর্ষপূর্তি পালিত কুমিল্লায় “ইউএসডব্লিউএফই” এর সাধারণ সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা  পুনাক গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন ও পুনাকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ সৌদিতে পাচারকালে ৩০ লক্ষ ইয়াবা ট্যাবলেট আটক, গ্রেফতার ২ রাজশাহীর বানেশ্বর-পাবনার ঈশ্বরদী সড়কের নির্মাণ কাজে গতি নেই নীলফামারী ডোমারে ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার অভাবে বিক্রি করে দেওয়া নবজাতক শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ টঙ্গীতে জাতীয় পর্যায়ে শিশু কিশোর ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আমরা মাত্র ১০ শতাংশ ফাঁসি দেই : প্রধান বিচারপতি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪৬ Time View

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় (যুদ্ধাপরাধ) আপিল বিভাগে ১০ শতাংশ ফাঁসি হয়।

রবিবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের  আপিল শুনানির তারিখ ধার্য করার সময় প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন।

শুনানি কালে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালে গেলে বলা হয় সব ফাঁসি। আমরা সবগুলোয় ফাঁসি দেই না। ২০ থেকে ২৫টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র একটি বা দুটিতে ফাঁসি দেই। বাতি অভিযোগে ফাঁসি দেয়া হয় না। আমরা মাত্র ১০ শতাংশ ফাঁসি দেই।

আদালতে এটিএম আজহারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন তুহিন এবং আর সৈয়দ কায়সারের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এসএম শাজাহান। অপর দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটির্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করে রায় দিয়েছিল। এরপর তিনি খালাস চেয়ে ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি আপিল করেন। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১১৩টি যুক্তি তুলে ধরা হয়।

অপতদিকে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আদালত জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন। এরপর ২০১৫ সালের ১৯ জানিুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায়  খালাস চেয়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আপিলে ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিলের পাশাপাশি তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন জানানো হয়। আপিলে খালাসের আরজিতে ৫৬টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। ৫০ পৃষ্ঠার মূল আপিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category