Amar Praner Bangladesh

আশুলিয়ার জামগড়ায় ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক এক রিক্সা চালককে পিটিয়ে হাসাপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া থানার জামগড়ার চৌ-রাস্তার উপড় ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক এক রিক্সা চালককে হাতে থাকা লাাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার দুপুর সাড়ে ১২ দিকে ওই রিক্সা চালক মালবাহী রিক্সা নিয়ে জামগড়া চৌ-রাস্তায় আসার পর ট্রাফিক পুলিশ তার গাড়ি থামিয়ে তার কাছে টাকা চেয়েছিল টাকা দিতে না পারায় তার গাড়ির মিটারের উপর আঘাত করলে রিক্সা চালক গাড়ি থেকে নামার পর, তার কোমড়ে একাধিক বারি মারা হয় এ সময় ওই বারি গুলোর মধ্যে একটি সজরে আঘাত তাহার পুরুষঅঙ্গে লেগে যাওয়ায় মারাত্তক আঘাতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
এ সময় কোন ভাবে প্রকাশ হয় যে, রিক্সা চালকের মৃত্যু হয়েছে, এর কারণে উপস্থিত শত শত রিক্সা চালক ও পথ চারীরা রাস্থায় নেমে গাড়ী বেঁড়িকের্ট দিয়ে বলছিলেন ট্রাফিক পুলিশ নুরুল আমিন রিক্সা চালক কে মেরে ফেলেছে, এতে শত শত জনতা রাস্তার উপর দাড়িয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং বিচার চেয়ে রাস্তায় বেড়িকের্ট দেয় এতে যান জটের সৃষ্টি করে তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়, পরে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল আউয়াল সহ সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে জনতাকে বলা হয় রিক্সা চালক নিহত হয়নি, সে আহত হয়েছেন, এখন স্বাভাবিক আছেন, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। এ ব্যাপারে রিক্সা চালকরা মাইকিং করে এর বিচার চাচ্ছেন।
জানা গেছে, আহত রিক্সাচালক বগুড়া জেলার আদম দিঘী এলাকার মোঃ আফজাল হোসেনের ছেলে মোঃ আব্দুল মালেক (৩৫), সে আশুলিয়া থানার জামগড়ার চিত্রশাইল কাঠালতলা এলাকার স্থানীয় ওহাব এর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করনে বলে স্থানীয়রা জানান।
এব্যাপারে নারী ও শিশু হাসপাতালে কর্মরত সার্জারী বিভাগের ডাক্তার কর্নেল আব্দুল গনি এ প্রতিনিধিকে জানান, চিকিৎসাধীন আব্দুল মালেক এর বিভিন্ন টেস্ট করার জন্য পরীক্ষা নিরিক্ষায় দেয়া হয়েছে, রিপোর্ট আসার পরে বলা যাবে তার কোনো গুরুতর সমস্যা হয়েছে কিনা?
এ বিষয়ে ডিউটিরত ট্রফিক পুলিশের এটিএসআই, সেলিম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি একটু দূরে ছিলাম। এ ব্যাপারে জামগড়া ট্রাফিক বক্সের ইনচার্জ (টি.আই) সেকেন্দার বলেন, রিক্সা চালক নিহত হননি, সে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন, তাকে নারী ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। আহত মালেক এখন আশংখামুক্ত ও স্বাভাবিক সুস্থ আছেন।