Amar Praner Bangladesh

বিতর্কিত হত্যা মামলার আসামী শহিদুল, রাসেল, রফিকুল রাজু, কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ আওয়ামীলীগ : ত্যাগী নেতৃবৃন্দদের মাঝে ক্ষোভের ঝড়

 

 

হাবিব সরকার স্বাধীন :

 

রাজধানী বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কড়াইল বস্তির ৪,৫,টি ইউনিটের চুড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের আগেই তথাকথিত রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারীদের নাম প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউনিট কমিটির পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতৃবৃন্দরা।

উক্ত স্ট্যাটাসের পর থেকে দীর্ঘ দিন ধরে দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহণকারী রাজনৈতিক ত্যাগ বিসর্জন কারী নেতা কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সকল লোকজনের নাম উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে বেশ কিছু ব্যক্তির নামে মাদক ব্যবসা , হত্যা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের দেশ বিরোধী অন্তহীন অভিযোগ রয়েছে বলে নেতা কর্মীরা মৌখিক ভাবে জানান। একজন ইউনিট কর্মী বলেন কড়াইল ১ নং দক্ষিণ ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাজু , নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা ছিনতাই মামলা গ্রেপ্তার হলে বনানী কিছু মুরুব্বী রাজুকে মোসলাকানামা দিয়ে পুলিশের হাত থেকে ছাড়িয়ে আনেন। ও তার বিরুদ্ধে রয়েছেন কড়াইল আদর্শ নগর মাদক ব্যবসাসহ অসহায় এক ব্যক্তির বাড়ি দখল করে রাখার অভিযোগ। ১ নং দক্ষিণ ইউনিট সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম রাজু বিরুদ্ধে। অজস্র অভিযোগ থাকা সত্ত্বে নির্ভীর যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে দক্ষিণ ১ নং ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বলে উল্লেখ্য করেন যা হাস্যকর।

শহিদুল ইসলাম কফিল ও কড়াইল ৩ নং ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি দাবিদার, শহীদুল ইসলাম, মোশারফ হত্যা মামলা নং৭/২০১১/ ধারা ৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০২/৩৪দঃ বিঃ.. অন্যতম আলোচিত ১৯ নং ওয়ার্ডের সুপরিচিত মুখ শহিদুল ইসলাম। তিনি যোগাযোগ মাধ্যমে রেখেছেন তিনি সভাপতি। এবং সাধারণ সম্পাদক জামাল মাস্টার যার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগও মামলা। নং ২৭/ পিটিশন মামলা ৪৮/২০১২/ এই বিষয়টিকে নিয়ে জামাল মাস্টার ভিত্তিহীন দাবি করলেও প্রতিবেদকের হাতে কিছু নথি এসেছে।

কড়াইল ২ নং পশ্চিম ইউনিট এর পদ প্রত্যাশী রাসেলের নাম প্রকাশ করে যে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কর্ম পরিচয় কি এটাই নেতাদের প্রশ্ন? তারা কি বিগত কোন দিন দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলো এমন কোন রাজনৈতিক নমুনা তাদের কাছে রয়েছে আমরা তৃণমূলের সাধারণ নেতা কর্মীরা নীতিনির্ধারকদের কাছে জানতে চাই যদি না থাক তাহলে কি আজ পদ বাণিজ্যের কারণে কিছু স্বার্থনেসী অর্থলোভী নীতি নির্ধারকদের কারণে তাদের মতো অনুপ্রবেশকারী হাইব্রীড নামধারী লোকজন আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের পদ পেতে চলেছে এখন এ প্রশ্ন অনেকের মাঝে গুড়পাক খাচ্ছে।