সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তিন দিনের সফরে ঢাকায় বেলজিয়ামের রানি ভূমিকম্প: তুরস্কে ও সিরিয়ায় নিহত ৫ শতাধিক উত্তরা বিজিবি মার্কেট এখন আর ডালভাত কর্মসূচিতে নেই মন্দিরে মূর্তির পায়ে এ্যাড. রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী’র সেজদা প্রতিবাদে নির্যাতন ও মামলার শিকার মোঃ জলিল রৌমারীতে অটোবাইক শ্রমিক কল্যাণ সোসাইটির অফিস উদ্বোধন যুবলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় কল্যাণপুরে আবাসিক হোটেলে রমরমা দেহব্যবসা তিতাসের অসাধু কর্মকর্তাদের আতাতে লাইন কাটার নামে প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের সাথে ব্ল্যাকমেইলিং করছে প্রতারক চক্র রাজধানীর উত্তরখান থেকে ড্যান্ডি পার্টির ১৬ সদস্য গ্রেপ্তার দেশে গুপ্ত লিখন বিদ্যাকে ব্যবহার করে জঙ্গী ও মাদক কার্যক্রম প্রসারিত হচ্ছে দক্ষিণখানে নির্মাণাধীন ৯ তলা ভবন থেকে পড়ে রাজমিস্ত্রি নিহত : আহত-১

উত্তরায় দুই শীর্ষ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৩ Time View

 

মনির হোসেন (শিশির) :

রাজধানীর উত্তরা থেকে শীর্ষ ছিনতাইকারী গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ছিনতাইকারীরা হলেন, মো. আক্তার হোসেন (২৩) ও মো. হুতিক (২২)। গ্রেফতার আক্তার নেত্রকোনার বারহাট্টা থানার কদমতলী এলাকার মো. জামালের ছেলে। হৃতিক চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার সিটি গেইট এলাকার আজিজের ছেলে।

পুলিশ জানায়, তারা চলন্ত বাস থেকে যাত্রীর মোবাইল, ব্যাগ, চেইন ছোঁ মেরে ছিনিয়ে নেয় বলে ‘কাউয়া’ নামে পরিচিত। সন্ধ্যায় উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আক্তার মূলত ভাঙারির দোকানদার। এখান থেকেই পরিচয় হয় হৃতিকের সঙ্গে। এরপরই দু’জনে মিলে শুরু করে ছিনতাই। তাদের মূল টার্গেট আন্তঃজেলা বাস। এসব বাস খুবই দ্রুত চলাচল করায় জানালার পাশে বসা যাত্রীর মোবাইল বা ব্যাগ টান দিয়ে দৌড়ে পালায়। দ্রুতগামী গাড়ি হওয়ায় গাড়ি থামতে থামতেই পালিয়ে যায় তারা।

আক্তার এবং হৃতিক দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী হওয়া একপর্যায়ে ‘কাউয়া’ নামে পরিচিতি পায়। এ রুটে আন্তঃজেলা বাসগুলো থেকে ছিনতাইয়ের প্রায় সবগুলোতেই জড়িত তারা। কিন্তু তারা ধরা পড়েন না কোনোভাবেই। যখনই তারা ধরা পড়ে সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের শরীর কাটে, মলমূত্র করে সেগুলো নিজেদের গায়ে মাখে আবার অন্যদের দিকেও ছুড়ে মারে। এ জন্য ভয়ে কেউ তাদের ধরে না। আর তারাও প্রতিবার পালিয়ে যায়।

মানুষ যাতে তাদের কথা না বুঝে সেজন্য তারা সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করে। যেমন— গলার চেইনকে সুতা বলে, মোবাইলকে বাঁশি এবং কানের দুলকে ঝুমকা বলে। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলেও জানান তিনি।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category