Amar Praner Bangladesh

উত্তরায় পাসপোর্ট অফিসের পাশেই হাফছা ও মফিজুলের রমরমা মাদক ও দেহ ব্যবসা

 

 

নার্গিস আক্তার :

 

রাজধানীর উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে যেন মাদক আর দেহ ব্যবসার হাটবাজার। হাফছা ও তার স্বামী মফিজুল ১৫ নং বালুর মাঠ এলাকায় রমরমা মাদক ও দেহ ব্যবসা করে যাচ্ছে। তুরাগ থানা পুলিশের সাথে কথা হলে তারা বলেন যদি প্রচুর পরিমাণ গাঁজা পাওয়া যায় তবে তাকে ধরবো। কিন্তু এলাকায় মাদক ছড়াছড়িতে যুব সমাজ ধংসের পথে। এই দেহ ব্যবসায়ী হাফছার বক্তব্য আমি গাঁজা বিক্রি করি ও থানা পুলিশ ম্যানেজ করে চলি।

এ ব্যাপারে অত্র এলাকার কাউন্সিলর শরীফুর রহমানকে মুঠোফোনে ফোন করলে তাকে পাওয়া যায় নি। এলাকার সুশীল সমাজের উচ্চবর্গের মানুষের দাবি প্রশাসন ও কাউন্সিলর ইচ্ছে করলে এই মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে পারে। বাঁচাতে পারে যুব সমাজ। এই মাদকের স্পষ্টে দেখা যায় উঠতি বয়সি কিশোর গ্যাং গ্রুপ। এসব বেশীর ভাগ ছেলেরা মাদকে আসক্ত হয়ে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়ছে। এরা খুবই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এই মাদক স্পটের কারনে এলাকায় অপরাধ বেড়েই চলেছে। এই মাদক কারবারিরা খুবই বেপরোয়া, কোন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তাদের উপরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনকি দা নিয়ে কোপাতে আসে, মনে হয় যেন এটা একটা মাদক রাজ্য। এখানে যেন দেখার কেউ নেই।

সাংবাদিক জিয়া এই মাদকে নিউজ করায় হাফছা ও তার স্বামী তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঐ মাদকের স্পটের পাশের চা দোকানী জসীম (৫৫) জানায়, তাকে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় মারধর করে হাফছা ও তার স্বামী মফিজুল।

এই জসীমকে হুমকি দেয় যদি কোন প্রকার মামলা বা জিডি করিস তাহলে তোকে জানে মেরে ফেলবো। কান্না জড়িত কন্ঠে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিবেদককে জানায়। এই মফিজুল কুক্ষাৎ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী। তার বিরুদ্বে এক ডজনেরও উপরে মাদক, ছিনতাই ডাকাতী সহ বিভিন্ন থানায় মামলা চলমান আছে।

অথচ তুরাগের প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে আসছে। তুরাগ থানা নিয়মিত মাসোয়ারা খেয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে এলাকাবাসীর দাবী। কারণ থানার কাছেই বসে ওপেন মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। এমনকি সরকারী রাস্তা খুড়ে খোলা বাথরুম তুলে গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং ঘর তুলে ওপেন দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে।

কয়েক দিন আগেও গাজীপুর ডাকাতি করার প্রস্তুতের সময় জয়দেবপুর থানা পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। তুরাগ থানার ওসি মাদক নির্মূলে সোচ্চার হলেও হাফছা ও তার স্বামী মফিজলকে মাদক ব্যবসা হতে সরাতে পারছেনা। এটা প্রশাসনের ব্যর্থতা বলে গুনিজনেরা মনে করেন। এই কুক্ষাৎ সন্ত্রাস মফিজুল কিশোর গ্যাংয়ের ছত্র ছায়ায় থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।