Amar Praner Bangladesh

উন্নতমানের ব্রান্ডের বস্তায় নিম্মমানের চাল এই সংবাদ মাদারীপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারে সাংবাদিকদের হুমকি- ধামক্কি

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরে মেসার্স সোহাগ অটোরাইস মিলের নিম্নমানের চাল নিয়ে, জনগনের সাথে প্রতারণার করে আসছে মিল কতৃপক্ষ। আর উন্নতমানের ব্রান্ডের বস্তায় নিম্মমানের চাল এই সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোহাগ অটোরাইস মিলের মালিকের ছেলে ফোন করে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের মামলা দেওয়ার হুমকি দেয়। এ বিষয় মডেল থানায় একটি ডায়রী করেছে সাংবাদিকরা।

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কামালদি ব্রিজের পচ্চিম পাশ সংলগ্ন মেসার্স সোহাগ অটোরাইস মিলের নিম্নমানের চাল, কয়েকটি দেশ/বিদেশের নামীও ব্রান্ডের বস্তায় ভরে বিক্রির মাধ্যমে প্রতারণার করে আসছে মিল মালিক কতৃপক্ষ। আর সেই সংবাদ গত কয়েকদিন বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রচারিত হয়। সাধারন জনগন সোচ্চার হয়ে উঠে এবং যথাযত বিচার দাবী করে। গত শুক্রবার দুপুর ১২:০৩ মিনিটে সোহাগ অটোরাইস মিলের মালিক আঃ হালিম ফকিরের বড় ছেলে সোহাগ ফকির তার নিজ ব্যবহারিত মোবাইল ০১৭১২৮৩০৪০৪ নাম¦ার থেকে, জাতীয় দৈনিক ভোরের পাতা, দ্যা পিপলস টাইম ও বাংলাটিভির জেলা প্রতিনিধি এবং লাইভনিউজ২৪ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ কে ০১৭১১১—-২৫ নাম্বারে ফোন করে বলে- আপনারা কেন এই সংবাদর প্রচার করেছেন। তাছাড়া বিভিন্ন হুমকি ধামক্কি দেয় এক পর্যায় বলে প্রস্তুত থাকেন, আপনাদের নামে মামলা দেওয়া হবে। জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের মামলা দেওয়ার হুমকি। তাছাড়া আরও কয়েকজন সাংবাদিক এব্যপারে মিলের মালিকের কাছে জানতে চাইলে ফোনে হুমকি-ধামক্কি মূলক কথা বলেন। এ বিষয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে শুক্রবার রাতে সাংবাদিকরা মাদারীপুর সদর মডেল থানায় সাধারন ডায়রী করে।

এ বিষয়ে মানববাধিকার (এইচ আর সিবি এম) এর জেলা কমিটির সভাপতি সুবল বিশ্বাস বলেন, মানুষকে সচেতন করতেই সংবাদ প্রচার করে সাংবাদিকরা। আর তাই বলে সাংবাদিকদের মামলার হুমকি-ধামক্কি দিবে এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবী করছি।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম মাদারীপুর জেলা শাখার প্রস্তাবিত সভাপতি ইয়াকুব খান শিশির এঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অটোরাইস মিলের মালিক হালিম ফকির ও তার ছেলে সোহাগ ফকিরসহ জরিতদের দৃস্টান্তমুলক বিচার দাবি করেন।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান এর কাছে এব্যপারে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের মোবাবাইল ফোনে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ বিষয় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় সাধারন ডায়রী করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।