Amar Praner Bangladesh

এবার পুতিনের মেয়েদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

 

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

 

ইউক্রেনে হামলা করার কারণে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, রাশিয়ার বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র বুধবার রাশিয়ার ওপর নতুন করে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তারা।

গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত হয়েছেন পুতিনের দুই মেয়ে মারিয়া পুতিনা এবং ক্যাটরিনা তিকহোনোভা।

পুতিনের মেয়েদের ছাড়াও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল জি সেভেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। মানে ইউরোপেও নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়লেন পুতিনের মেয়েরা।

ভ্লাদিমির পুতিন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্ট হলেও নিজের পরিবার নিয়ে সব সময় গোপনীয়তা রক্ষা করে চলেন তিনি। ফলে তার মেয়েদের সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না।

মারিয়া পুতিনা হলেন ভ্লাদিমির পুতিনের বড় মেয়ে। বর্তমানে তার বয়স ৩৫।

তিনি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োলজি বা জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করেছেন। এরপর তিনি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিসিন নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন।

তিনি বর্তমানে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং মেডিসিন বিদ্যায় ক্যারিয়ার গড়েছেন।

মারিয়া পুতিনা নেদারল্যান্ডসের ব্যবসায়ী জোরিত ফাসেনকে বিয়ে করেছেন। ধারণা করা হয় তাদের সন্তানও রয়েছে।

অন্যদিকে পুতিনের ছোট মেয়ে ক্যাটরিনা তিকহোনোভার বর্তমান বয়স হলো ৩৪। তিনি রক এন রোল নামে বিশেষ একটি নাচের নৃত্যশিল্পী ছিলেন।

বর্তমানে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করেন। ইনোপ্রাকতিকা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি। এই প্রতিষ্ঠানটির ১.৭ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি আছে।

ক্যাটরিনা বিয়ে করেছিলেন রাশিয়ার সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ার কিরিল সামালোভকে। যদিও ক্যাটরিনা ও সামলোভের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।

প্রেসিডেন্ট পুতিন তার দুই মেয়ের কাউকে প্রকাশ্যে আনেননি এমনকি মেয়েদের নিয়ে খুব কম কথাও বলেন তিনি।

তবে তার দুই মেয়ে বিশ্বব্যাপী এতোটা পরিচিত না হলেও তারা দুইজনই রাজকীয় জীবন যাপন করেন।

এদিকে ‍যুক্তরাষ্ট্র নতুন যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞায় রাখা হয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের স্ত্রী ও সন্তানকেও।

তাছাড়া রাশিয়ার সর্ববৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক আলফা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাবের ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও রাশিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে ইনভেস্ট করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।