এটিভি নিউজ পোর্টালের সম্পাদককে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

 

নিজস্ব প্রতিবেতক :

ধর্ষণের সকল বিচার হোক সকল ধর্ষক আসুক আইনের আওতায়। কিন্তু একজন নিরপরাদ ব্যক্তি যেন কোনো ভাবে হয়রানি না হয় যেমনটি হয়েছে এ টিভি নিউজ পোর্টালের এস এম মনিরুজ্জামান। তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর কিংবা একটি থানার কোনো সদস্য’র অপরাধ কি ঐ দপ্তরের কর্তার উপর বর্তাবে, কর্মচারীদের একটি অনাকাঙ্গিত ঘটনা যা একটি হলফ নামার মাধ্যমে ইতিমধ্যে নিস্পতি হয়ে গেছে। তারপরও কেন এই ষড়যন্ত্র মুলুক গ্রেফতার।

‘এটিভি সংবাদ’ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে নিউজ পোর্টাল হিসেবে ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এটিভি সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক এস.এম মনিরুজ্জামান (জামান) তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর সুদুর প্রসারি চিন্তা ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আধুনিক নিউজ পোর্টাল হিসেবে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা যথাযথ ভাবে পালন করে পাঠক সমাজে তথ্য বহুল এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।

ইতিমধ্যে এটিভি সংবাদ সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিয়ে শহর থেকে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত সংবাদ সরবরাহের একটি সুদুর প্রসারি সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার মাইলফলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মানুষ মাপার যন্ত্র নেই, একটি প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মচারী কর্মকর্তার মধ্যে দু’একজন অনেক সময় অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে।

তার সাথে প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পর্ক হতে পারে না। সম্প্রতি এটিভি সংবাদ অফিসের ৫ম তলার একটি কক্ষে চাকুরী করে মোঃ জুয়েল রানা এবং মামলার বাদীনি ফারজানা আক্তার। তাদের মধ্যে গোপন পরিসরে প্রেমের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে অন্তরঙ্গ সম্পর্কের সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পূর্ব থানায় ২১/০৯/২০২০ ইং তারিখ, মামলা নং- ২০, ধারা- ৩১৩/১১৪ পেনাল কোর্ট ১৮৬০ তৎ সহ ৯(১)২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ রুজু হয়।

এজাহার কপিতে উল্লেখ করা হয় যথাক্রমে আসামী মোঃ জুয়েল রানা (২৬), পিতা- মৃত ইদ্রিস মোল্লা, গ্রাম- কাশিপুর, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল, ইউনিয়ন- ৩ শালনগর, বর্তমান ঠিকানা- মরকুন, টঙ্গী, গাজীপুর।

এটিভি সংবাদ অফিস, বাসা নং- ১২, রোড নং- ২১, সেক্টর নং- ০৪, থানা উত্তরা পূর্ব, ঢাকা। গত ২৫/১২/২০১৯ ইং তারিখে এটিভি সংবাদ অফিস ৫ম তলা ফারজানা আক্তারের সাথে জুয়েল রানার চাকুরীর পরিচয়ের সুবাদে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ফারজানাকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে এটিভি সংবাদ অফিসের ৫ম তলা মোঃ জুয়েল রানার কক্ষে তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ফারজানা আরো জানায়, জুয়েল রানা তাকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ৪০-৫০ বার শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে। ফারজানা বার বার অসম্মতি দিলে জুয়েল রানা পুনরায় বিবাহ করার প্রলোভন দেখিয়ে ০৭/০৯/২০২০ ইং সকাল আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকার সময় আবার শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করলে ফারজানা অসুস্থ অনুভব করে।

গত ১৫/০৯/২০২০ ইং তারিখে ফারজানা নিজেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট দিয়ে প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করলে পরীক্ষায় প্রেগনেন্সির রিপোর্ট পজেটিভ আসলে সে জুয়েল রানাকে অফিসে এসে সরাসরি বলে যে আমি গর্ভবতী। তৎসময়ে জুয়েল রানাকে বিবাহের জন্য বললে সে ফারজানাকে গর্ভপাত ঘটানোর জন্য জোরপূর্বক ঔষধ সেবন করায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঐ সময় ফারজানা অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত হইতে থাকিলে জুয়েল রানা তার অন্য সহযোগী এবং এজাহার ভুক্ত মামলার আসামী মনিষা (৪০), পিতা- অজ্ঞাত, ঠিকানা- অজ্ঞাত এবং সুমন পাটোয়ারী (৪৫), পিতা- অজ্ঞাত মিলে আমার অফিসের বসের গাড়ীতে করে আমাকে দক্ষিণখান থানাধীন এজাহার ভুক্ত আসামী সুমন পাটোয়ারীর বাসায় নিয়ে গিয়ে সুমন পাটোয়ারীর স্ত্রীকে দিয়ে ১৯/০৯/২০২০ ইং তারিখ রাত ৯ ঘটিকার সময় ফারজানার গর্ভপাত ঘটায় মর্মে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে আসামীগণ ফারজানাকে বাসায় পৌঁছে দেয়।এখানে প্রতিষ্ঠানের মালিক সম্পাদক এস এম মনিরুজ্জামান এর কি অপরাধ? তাকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করলো?

ফারজানা বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তার আত্মীয় স্বজনের সহিত পরামর্শ করে থানায় এজাহার, অন্যদিকে মামলার বাদী মোছাঃ ফারজানা বেগমের খোজ নিয়ে জানা যায়, তিনি একজন বিবাহিতা দুই ছেলের মা, প্রথম স্বামী মোঃ মিলন মিয়া, পিতা- মোঃ শাহজাহান মিয়া, মাতা- পরিবানু, গ্রাম- পিতলগঞ্জ, উপজেলা- রূপগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।

তার বর্তমান স্বামী- রমজান আলী বলে জানা যায়।

এ বিষয় নিয়ে এটিভি সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক এস.এম মনিরুজ্জামান (জামান)’র সাথের কথা হলে তিনি জানান, আমি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না, বিষয়টি আমি জানার সাথে সাথে ফারজানা এবং জুয়েল রানাকে এটিভি সংবাদ থেকে বহিঃষ্কার করি এবং প্রকৃত দোষিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে সেই জন্য সার্বিক সহযোগীতা করে যাব। আমার প্রতিষ্ঠানে শত শত সাংবাদিক ও কলাকৌশলী কাজ করে, তাদের ব্যক্তিগত অপরাধমূলক কর্মকান্ড প্রতিষ্ঠান বহন করবে না।