করোনা মহামারীতে রিজেন্টের মালিক সাহেদ সকল অপরাধের সীমাকে অতিক্রম করেছে

 

প্রতারক সাহেদ প্রমাণ করলো টাকা দিলে বাঘের চোখ পাওয়া যায়। মন্ত্রী আমলাদের সাথে ছবি তুলে দলীয় তকমা লাগিয়ে অনেক মামলার আসামী হয়েও জাতির চোখে ধূলো দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্য করে আসছিল এই প্রতারক চক্রের হোতা। চিহ্নিত অপরাধীদের আমলা-এমপি-মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নিয়ে যায় কোন দালালেরা, বিষয়টি এখনই খতিয়ে দেখা সময়ের দাবী বলে মনে করেন বিজ্ঞজনরা। প্রধানমন্ত্রীর দূর্নীতি নিধন শুদ্ধি অভিযানকে কিছু সুবিধাবাদী কু-চক্রী মহল বিভিন্ন ভাবে দূর্নীতিগ্রস্থদের দূর্নীতি করার সুযোগ দিয়ে জাতির সাথে মীর-জাফরের চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। সাধু সাবধান।

 

শের ই গুল :

 

পরীক্ষা ছাড়াই ছয় হাজার করোনা রিপোর্ট! করোনা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকেই। বিপদের টার্নিং পয়েন্টে জাতি! সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অসৎ কর্মকর্তারা রিজেন্টকে অনুমতি দিয়েছে টাকার বিনিময়ে। প্রতারক সাহেদ প্রমাণ করলো টাকা দিলে বাঘের চোখ পাওয়া যায়। মন্ত্রী আমলাদের সাথে ছবি তুলে দলীয় তকমা লাগিয়ে অনেক মামলার আসামী হয়েও জাতির চোখে ধূলো দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্য করে আসছিল এই প্রতারক চক্রের হোতা। চিহ্নিত অপরাধীদের আমলা, এমপি, মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নিয়ে যায় কোন দালালেরা বিষয়টি এখনই খতিয়ে দেখা সময়ের দাবী বলে মনে করেন বিজ্ঞজনরা।

চলছে অভিযান, হচ্ছে সিলগালা, চলছে ব্যাংক হিসাবের তলব, চলে দুদকের হামতাম অনেকেই আসছে আইনের আওতায়। তারপরও ভিন্ন ভিন্ন নামে ব্যবসার ধরণ পরিবর্তনে প্রতারকরা সবসময় একধাপ এগিয়ে। টেস্ট না করেই করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অভিযোগে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে ঢাকার উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয়।

রিজেন্টের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ- হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়ার পর র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সারোয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪২৬৪টি স্যাম্পল রিজেন্ট টেস্ট করেছে এবং এর বাইরে ৬ হাজারের বেশি স্যাম্পল টেস্ট না করেই তারা ভূয়া রিপোর্ট দিয়েছে। একই সাথে এ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ২০১৪ সাল থেকে নেই আর আইসিইউ যেটা আছে এটা নরমাল ওয়ার্ডও না। সেখানে পুরনো কাথা বালিশ থেকে আরম্ভ করে সব আছে। এর যে ডায়াগনসিস ল্যাব সেখানে কোনো মেশিন নেই, সেখানে কোনো টেস্ট না করেই রিপোর্ট দিয়েছে। ফ্রিজের মধ্যে এক অংশে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ আর অন্য অংশে আইড় মাছ পাওয়া গেছে। এর যে ডিসপেনসারি সেখানে সব সার্জিক্যাল আইটেম ৫/৬ বছর আগের মেয়াদোত্তীর্ণ।

এর মালিকের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নেই”। এর আগে প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালানোর সময় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সারোয়ার আলম বেশ কিছু রিপোর্ট ও কিট সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, “দেখুন এগুলো তো হাসপাতালে থাকার কথা। অথচ এসব রিপোর্ট পড়ে আছে তাদের গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে”। “এসব অনিয়মের সাথে হাসপাতালটির চেয়ারম্যানই জড়িত এবং তিনি নিজেই এসব ডিল করেছেন ।

 

এর আগে রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর সারোয়ার আলম জানিয়েছিলেন যে এখন পর্যন্ত দুশোর মতো রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে রিজেন্ট হাসপাতাল। ভুয়া রিপোর্ট তৈরি আর দুবার টাকা আদায়- রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালানোর পর সারোয়ার আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে তারা হাসপাতালটিতে একজন কর্মকর্তার রুমে অনেক নমুনা পড়ে থাকতে দেখেছেন যেগুলো করোনা পরীক্ষার জন্য গ্রহণ করা হয়েছিলো। তবে অভিযানের আগেই করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট তৈরির অন্তত ১৪টি প্রমাণ র‌্যাব পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ছয় বছর আগে। এর অবকাঠামোও ঠিক হাসপাতালের মতো নয়।

এতকিছুর পরও সেই হাসপাতালের সঙ্গেই করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চুক্তি করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিনামূল্যে এই চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী সরকারের কাছেও বিল জমা দিয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকার। হাসপাতালটির অপকর্মের এখানেই শেষ না। করোনা টেস্টের নামে যা করেছে, তা রীতিমতো বিস্ময়কর। করোনার উপসর্গ থাকা হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও তাদের সেই অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নমুনার কোনো ধরনের টেস্ট ছাড়াই নিজেদের অফিসের কম্পিউটারে বানিয়েছে ভুয়া রিপোর্ট। ছয় সহস্রাধিক রোগীর হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে করোনা নিয়ে এ ধরনের ভুয়া সনদ। বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছে টাকা। আবার অনেকের নমুনা সরকারি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি টেস্ট করিয়েও হাতিয়ে নিয়েছে টাকা।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে গত মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি করে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা আর মিরপুর শাখা থেকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। র‌্যাবের অভিযানের পর করোনা চিকিৎসা আর টেস্টের নামে রিজেন্টের ভয়ংকর অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসে। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালের নামকাওয়াস্তে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ করে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে সেখানে ভর্তি কয়েকজন রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয় অন্যত্র। অভিযানের মুখে রিজেন্ট হাসপাতালের বহুল আলোচিত সমালোচিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ আত্মগোপনে চলে গেছেন। পালিয়েছেন হাসপাতালের কর্মীরাও।

অবশ্য র‌্যাবের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ সাহেদ ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেও চিকিৎসার নামে কেন এত অনিয়ম করা হয়েছে, তা জানতে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, নানা অনিয়মের কারণে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অনুমোদনহীন একটি হাসপাতালের সঙ্গে কীভাবে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য চুক্তি করা হলো এবং চিকিৎসার বিষয়ে কোনো ধরনের নজরদারি ছিল কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি তাকে।

করোনা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের এমন অপকর্ম সামনে আসার পর কেন এ ধরনের ভুঁইফোঁড় প্রতিষ্ঠানকে করোনা চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কীভাবে মনোনয়ন করল সেই প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে জেকেজি নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশের অভিযানের পর ওই প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেওয়া হয়। জেকিজিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে করোনার টেস্ট করাচ্ছিল। মানহীন অখ্যাত এসব প্রতিষ্ঠানকে করোনার চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য মনোনয়নের পেছনে বড় ধরনের অসাধু চক্রের আর্থিক বাণিজ্য ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে একাধিক সংস্থা। র‌্যাব জানিয়েছে, অভিযান শুরুর পর রাতেই রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে অননুমোদিত র‌্যাপিড টেস্টিং কিট ও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। ওই গাড়িতে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্টিকার লাগানো ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনের চোখে ধুলো দিতেই হাসপাতালটির মালিক মোহাম্মদ সাহেদ এ কাজ করতেন।

এ ছাড়া দুটি অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ব্যক্তির করোনার টেস্ট করায় রিজেন্ট হাসপাতাল। তার মধ্যে চার হাজার ২৬৪টি বৈধ জায়গা থেকে করানো হয়েছে। ছয় হাজারের মতো করোনার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে কোনো বৈধ টেস্ট ছাড়াই। প্রথমবার টেস্টের জন্য জনপ্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকা ও দ্বিতীয়বার টেস্টের জন্য এক হাজার টাকা নেওয়া হয়। র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতারণার এ ঘটনায় নিজে বিপদে পড়তে পারেন, এটা আঁচ করতে পেরেই কর্মচারী ছাঁটাইয়ের নাটক সাজান রিজেন্ট মালিক সাহেদ। শুধু কর্মচারীদের ওপর এ অপকর্মের দায় চাপানোর চেষ্টা করেছিলেন। আবার গোপনে কর্মচারীদের এটাও বলেছেন, খুব বেশি সমস্যায় তোদের পড়তে হবে না। তবে চার মাস ধরে বেতন-ভাতা অনিয়মিত হওয়ায় কর্মচারীরা রিজেন্টের মালিক পক্ষের ওপর অসন্তুষ্ট ছিলেন।

উত্তরা ও মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতাল অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হচ্ছিল। র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, ‘নানা অনিয়মের কারণে রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালার নির্দেশ দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। তবে ভেতরে রোগীদের সরিয়ে সে নির্দেশনা কার্যকর করা হবে। অবশ্য মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালটি সংলগ্ন রিজেন্টের কার্যালয় সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ওই অফিসেই ভুয়া রিপোর্ট তৈরি হতো।’ তিনি বলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকসহ প্রতিষ্ঠানটির সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই আসামিদের গ্রেপ্তারে আরও মনোযোগী হবো। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ‘রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তিন ধরনের অভিযোগ ও অপরাধের প্রমাণ তারা পেয়েছেন। প্রথমত, তারা করোনার নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করত।

এ ধরনের ১৪টি অভিযোগ র‌্যাবের কাছে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, হাসপাতালটির সঙ্গে সরকারের চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার। সরকার এই ব্যয় বহন করবে। কিন্তু তারা রোগীপ্রতি লক্ষাধিক টাকা বিল আদায় করেছে। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই মর্মে সরকারের কাছে এক কোটি ৯৬ লাখ টাকার বেশি বিল জমা দেয়। তারা কাগজপত্র ঘেঁটে দেখেছেন, রিজেন্ট হাসপাতাল এ পর্যন্ত ২০০ কভিড রোগীর চিকিৎসা দিয়েছে। তিনি বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৃতীয় অপরাধ হলো সরকারের সঙ্গে চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের তারা কভিড পরীক্ষা করবে বিনামূল্যে।

নমুনা পরীক্ষা করার বিনিময়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী ৫০ শয্যার রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখার (ঠিকানা : বাড়ি # ৩৮, রোড # ১৭, সেক্টর # ১১, উত্তরা, ঢাকা) লাইসেন্স দেওয়া হয় ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর। এ মেয়াদ শেষ হয় ২০১৪ সালের ৩০ জুন। রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম ছাড়া এ শাখায় প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের লাইসেন্স (নম্বর ৭৮৭৬) দেওয়া হয় ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর। এর মেয়াদও শেষ হয় ২০১৪ সালের ৩০ জুন।

অর্থাৎ ছয় বছর আগেই রিজেন্ট হাসপাতাল উত্তরা শাখার সব লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। একইভাবে ২০১৭ সালের ২৩ মার্চ রিজেন্ট হাসপাতালের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট মিরপুর শাখার (১৪/১১ মিতি প্লাজা, মিরপুর-১২, ঢাকা) লাইসেন্স দেওয়া হয়, যার মেয়াদ শেষ হয় ২০১৭ সালের ৩০ জুন। অর্থাৎ মিরপুর শাখাটির মেয়াদও শেষ হয়েছে তিন বছর আগে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আমিনুল হাসান বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। তাদের কাগজপত্র আপডেট করার বিষয়েও জানানো হয়েছে। তবে তাদের কাগজপত্র এখনো আপডেট হয়নি। কিন্তু একটি সূত্রে জানা যায়, নাম না জানাতে ইচ্ছুক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানায় সাহেদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কিছু অসৎ কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে দীর্ঘদিন অনুমতির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও তার অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সোপানে কোন প্রতারক বেঈমানের স্থান নেই। সবাই আসবে আইনের আওতায়। আগে সোনার বাংলা পরে অন্যসব। সাধু সাবধান।