Amar Praner Bangladesh

কেশবপুরে ভূ-গর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের হিড়িক : ব্যাপক ভুমি ধ্বসের আশাঙ্কা

এম. আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর) ঃ
যশোরের কেশবপুর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা জুড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের হিড়িক পড়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের পুকুর ঘের ও জলাশয় থেকে প্রতিনিয়ত ইঞ্জিন চালিত মেশিনের সাহায্যে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। এভাবে বালি উত্তোলন চলতে থাকলে ভূগর্ভে শুণ্যতার সৃষ্টি হয়ে ব্যাপক ভূমি ধ্বসের আশাঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে পরিবেশ বিদদের ধারণা। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু বালি ব্যাবসায়ীরা পরিবেশের ভালমন্দ না দেখে বালি উত্তোলন করে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে । আর এই সব প্রভাবশালী লোকেরা সরকারের জাতীয় খনিজ সম্পাদ ধ্বংশ করার পরও থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাইরে। সরেজমিনে দেখাগেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর, দেউলি, কাকিলাখালি, সাতবাড়িয়া, সরাপপুর, ভালুকঘর, সন্যাসগাছা, মির্জানগর সহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে বাড়ির আঙ্গিনা ডোবা ও নীচু জমি ভরাট করছে। কেউ কেউ আবার বালি উঠিয়ে ষ্টক মজুত করে চড়া দামে সেফটি হিসাবে বিক্রি করছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে উপর মহলের ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী এক জনকে বলতে শোনা গেছে দল আমার প্রশাসন আমার আমি বালি তুলবো নয়তো কে তুলবে ? মির্জাপুর গ্রামের ইউপি সদস্য ও বালি উঠানো মেশিন মালিক আব্দুল হামিদ বলেন আমার জমি আমার পুকুর বালি উঠাতে অনুমতি লাগবে কেন। এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোঃ কবীর হোসেন বলেন মাটির নীচে সব সরকারি সম্পদ তাই যে কেউ ইচ্ছা করলেই অনুমতি ছাড়া নিজের জমি থেকে বালি উঠাতে পারবে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান বলেন বালি উত্তোলন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি লাগবে। যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন জেলা প্রশাসন কর্তৃক একটি এলাককে বালুমহল ঘোষনা করে অনুমোদন প্রদানের পর সেখান থেকে বালি উত্তোলন করা যাবে। যত্রতত্র বালি উত্তোলনের ফলে মারাত্বক ভুমিধ্বশ সহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশাঙ্কা রয়েছে।। অনুমোদন ছাড়া বালি উত্তোলন আইনত দন্ডীয়।