Amar Praner Bangladesh

কোটালীপাড়ায় কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নিতীর অভিযোগ

আবুল কালাম মৃধা, কোটালীপাড়া :

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ভাংগারহাট কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নিতীর অভিযোগ উঠেছে, এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়, প্রতিবাদ করায় ২ শিক্ষক বহিষ্কার। অভিযোগসূত্রে যানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার- ৪র্থ শ্রেনির কর্মচারী নিয়োগে দূর্নিতী করেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের নিয়োগ দেন, ক্লাস রূম গুলোকে শিক্ষক মিলনায়তন ও নিজের বাস ভবন হিসেবে দখল করেন, কলেজের বন্যাশ্রয় কেন্দ্রকে শিক্ষদের কাছে টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেন, ছাত্রী হোস্টেলে বহিরাগতদের ঢোকার পারমিশন দেন, ছাত্র হোস্টেলে ধারন ক্ষমতার চেয়ে অধিক ছাত্র থাকার পারমিশন দেন, একাডেমীক ভবনকে প্রশাসনিক ভবন হিসেবে দখল করে রাখেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি ও ভর্তি ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন, পরীক্ষার সময় টাকার বিনিময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নকলের সুযোগ-সুবিধা করে দেন, ভূয়া কগজ পত্র দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটিকে ম্যানেজ করে নিজেই অধ্যক্ষ পদে বহল থাকেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই সত্যজিত বিশ্বাসকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহ অধ্যাপক্ষ পদে নিয়োগ দেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহ গ্রন্থাগারী পদ না থাকা সত্তেও আশুতোষ বাড়ৈকে বড় অংকের উৎকোচের বিনিময়ে উক্ত পদে নিয়োগ দেন, অধিভূক্তি না থাকা সত্তেও টাকার বিনিময়ে রনজিত ওঝাকে ফিনান্স বিভাগে নিয়োগ দিয়ে বেতন-ভাতা দেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আদেশ থাকা সত্তেও অর্নাসের শিক্ষকদেরকে বেতন-ভাতা দেন নাই। প্রভাষক সমর কুমার অধীকারী বাদী হয়ে গত ২ আগষ্ট ও ৬ আগষ্ট কোটালীপাড়া বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে ভিন্ন ভিন্ন দুটি মামল দায়ের করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১২ আগষ্ট তারিখে ঐ অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার স্বাক্ষরিত অবৈধ আদেশে প্রভাষক দ্বিজেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও প্রভাষক সমর কুমার অধিকারীকে সমায়িক ভাবে বরখাস্ত করেন। কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার ভার প্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকা অবস্থায় অনিয়ম দূর্নিতীর মাধ্যমে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রভাষক দ্বিজেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন- ২০১৬সালের জানুয়ারী মাসে বিমলেন্দু সরকার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। এ সময় তিনি অবৈধ উপায়ে মিথ্যা ভাউচার দেখিয়ে ৬৮লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ প্রসঙ্গে সমর কুমার অধিকারী ও দ্বিজেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন- বিভিন্ন উপায়ে কলেজের অর্থ আত্মসাৎ ও দূর্নিতীর ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অবৈধভাবে আমাদেরকে বহিষ্কার করেন। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার বলেন- আমার বিরুদ্ধে আনিতো অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।