Amar Praner Bangladesh

কোন সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের দায়িত্ব নেয়নি : মহিউদ্দিন মহারাজ

 

মো: লোকমান হোসেন, ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠানে পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মহারাজ প্রধান অতিথির বক্তবে বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালে সকলকে সংগঠিত করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরে দেশকে স্বাধীন করে ছিল। বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাস্ট্রকে তিনি উপহার দিয়েছিলেন। দেশ স্বাধীনতার পরে দেশের ভেতরের ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ দিন এদেশে আওয়ামীলীগের সরকার অধিষ্ঠিত ছিল না।

বিভিন্ন সরকার এসেছেন, জিয়াউর রহমানের সরকার এসেছে, এরশাদ সরকার এসেছে কেউ বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের দায়িত্ব নেননি। ১৯৯৬ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রহন করেন। তারই ধারবাহিকতায় দেশের ভিতরে বঙ্গবন্ধুর যে খুনিরা ছিল তাদের বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। এখনও যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার সম্পন্ন করার আহব্বন জানান তিনি।

শনিবার সকাল ১১ টায় ভান্ডারিয়া বাসস্ট্যান্ড কালিমা চত্তরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভান্ডারিয়া শাখার সভাপতি তালুকদার এনামুল কবির টিপু ও সাধারণ সম্পাদক এহসাম হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টি জেপি’র যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান মৃধা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খসরু, সহ সভাপতি লিয়াকত হোসেন তালুকদার, জাতীয় পার্টি জেপি’র সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান টুলু, জেপি’র যুগ্ম আহবায়ক মজিবুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নিজামুল হক নান্না, জেপি নেতা ইউসুব আলী আকন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মৃধা প্রমূখ। পরে ১৫ আগস্ট নিহতের রুহের মাগফিরত কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম।