Amar Praner Bangladesh

গাজীপুর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে অশুভ ছায়ার হাতছানি বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধতা সময়ের দাবী

(রাজনীতির মাঠ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের দখলে থাকায় নিজেদের মধ্যে বেড়েছে দলাদলি আর গ্রুপিং। সবাই নিজেদের ম্যান পাওয়ার দেখিয়ে ‘ওয়ান ম্যান শো’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে গাজীপুরবাসীর দাবী সকল প্রকার দ্বন্দ্ব, লোভ-লালসা দূর করিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি প্রণয়ন করে সময় সময় গাজীপুরের রাজনীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনিটরিং হতে পারে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু ঘাটি রক্ষার রক্ষা কবজ।)

 

 

শের ই গুল :

 

ঢাকার উপকণ্ঠে ব্যস্ততম নগরী গাজীপুর। আপাতদৃষ্টে সেখানে সবকিছুই স্বাভাবিক। শিল্প-কলকারখানা সচল। সরগরম বাজারঘাট। সকাল-সন্ধ্যা দল বেঁধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত করছেন নির্বিঘ্নে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় রাজনীতিতে পটপরিবর্তনের পর আধিপত্য বিস্তারের মহড়ায় ভেতরে ভেতরে পালটে গেছে দৃশ্যপট। বিরাজ করছে অস্থিরতা। গাজীপুর একটি সমৃদ্ধ ও প্রাচীন জনপথ। ঐতিহাসিক এ অঞ্চলে জন্ম নিয়েছেন জ্ঞান-বিজ্ঞানে, শিল্প-সাহিত্যে, সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানকারী ক্ষণজন্মা অনেক ব্যক্তিবর্গ।

এসব সফল মানুষেরা তাঁদের ত্যাগ, তিতিক্ষা ও কর্মকান্ড দ্বারা সময়ের ঘূর্ণিপাকের বিস্মরণকে জয় করে আমাদের নিকট কিংবা দূর ভবিষ্যতের মাঝেও বেচেঁ থাকবেন। ১৯৭১ এর ১৯ মার্চ মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে উঠে এ গাজীপুরে। বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পার্শ্বে যার নাম উচ্চারিত হয় তিনি হলেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন বিরল মেধা ও প্রজ্ঞার অধিকারী এবং প্রচন্ড ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যে চিহ্নিত ক্ষণজন্মা এক ব্যক্তিত্ব।

পদার্থ ও মহাকাশ বিজ্ঞানের বিস্ময়কর প্রতিভা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একাধিক মৌলিক সূত্র উদ্ভাবনে ও কার্যকরভাবে বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে জেলার সুযোগ্য সন্তান বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহা। নিষ্কলুস ও সুস্থ রাজনীতির বাহক, দেশ উন্নয়নে নিবেদিত প্রান এবং মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকের ভূমিকা পালনকারী মরহুম শামসুল হক, শহীদ আরজ উদ্দিন, গাজী গোলাম মোস্তফা মরহুম হাবিবুল্লাহ, শহীদ হুরমত আলী, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার, এড. মো: রহমত আলী, এড. আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখের সেবায় ধন্য এ ভূমি। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানী ও শিক্ষা সাহিত্যিক অধ্যাপক ড. এখলান উদ্দিন, বিজ্ঞানী ও গবেষক অধ্যাপক ড. অজিত কুমার সাহা , বাগ্মী সুপন্ডিত মোঃ নুরুল ইসলাম ভাওয়ালরত্ন প্রমুখের অবদান অনস্বীকার্য সাহিত্য ও শিল্পের কল্পনাপ্রসুত বোধের বাস্তব রূপদানকারী নাট্যকার অভিনেতা ঢাকা যাদুঘরের সংগ্রাহক ও বিশ্বখ্যাত বলধা গার্ডেনের নির্মাতা বলধা জমিদার নরেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী, রবীন্দ্র সমসাময়িক এদেশের অন্যতম শ্রেষ্ট কবি স্বভাব কবি গোবিন্দ চন্দ্র দাস, সুসাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দিন, মরমী সংগীত পাঠক আঃ রউফ, পল্লীগীতি গায়িকা মীনা বরুয়া এ জেলারই সন্তান।

বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নে এ জেলার কৃতি সন্তান কেয়া গ্রুপের কর্ণধার আঃ খালেক পাঠানের অবদান স্মরনীয়। রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠের জেলা গাজীপুরের রাজনীতির নাটাই এখন আওয়ামী লীগের হাতের মুঠোয়। মূলত আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত এ জেলার ৫টি সংসদীয় আসন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সবকটি উপজেলা চেয়ারম্যানসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সবাই আওয়ামী লীগের। জেলায় মাঠের প্রতিপক্ষ বিএনপি অনেকটাই ‘ঘরবন্দি’ থাকায় নিজেদের নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। বছর দেড়েক আগে অর্থাৎ গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময়ও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ছিল বিএনপি। কিন্তু গেল জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে অনেকটা ‘লিয়াজোঁ’র রাজনীতি করছে দলটি। দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর জেলার সভাপতির দায়িত্বে আছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। যিনি কালিয়াকৈর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। আর দলের সর্বশেষ কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হয়ে চমক দেখান শ্রীপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন সবুজ। যিনি বর্তমানে শ্রীপুরের সংসদ সদস্য।

রাজনীতির মাঠ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের দখলে থাকায় নিজেদের মধ্যে বেড়েছে দলাদলি আর গ্রুপিং। সবাই নিজেদের ম্যান পাওয়ার দেখিয়ে ‘ওয়ান ম্যান শো’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। টঙ্গীতে এক দশক ধরে রাজনীতি করছেন এমন একাধিক ব্যক্তি প্রাণের বাংলাদেশকে বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে মুষড়ে পড়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তখন থেকে আজমত উল্লাহ ও জাহাঙ্গীর আলমের দ্বন্দ্ব। যে দ্বন্দ্বে আরও ক্ষোভে বাড়িয়েছে গত সিটি নির্বাচন। সে ভোটে আজমত উল্লাহ মনোনয়নবঞ্চিত হন। আর মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন জাহাঙ্গীর আলম। মাঠে আজমত উল্লাহর জনপ্রিয়তা বেশি থাকলেও মেয়র জাহাঙ্গীর গত তিন চার বছর ধরে নিজের রাজনীতিটা গুছিয়ে নিয়েছিলেন। মেয়রের জনপ্রিয়তার বড় নিয়ামক তরুণরা। তবে এ জনপ্রিয়তার পেছনে অর্থও একটি বড় ‘ফ্যাক্টর’ হিসেবে কাজ করেছে। বঙ্গবন্ধু কটাক্ষমূলক কথা বলে পড়ে যায় জাহাঙ্গীরের উইকেট।

অন্যদিকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পনগরী টঙ্গীর সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল হোন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। নেতাকর্মীদের দাবি, সর্বোচ্চ পদে না থাকলেও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও ছড়ি ঘোরান রাসেল। তিনি স্বভাবে ভদ্র ও নম্র হওয়াতে এবং আহসান উল্লাহ্ মাষ্টারের ছেলে হিসাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে বিশেষ ভাবে স্নেহ করেন। তবে তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি ছিল মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের। এ দ্বন্দ্বে সঙ্গ জোগান টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, ৪৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরুল ইসলাম নূরু, ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ্ আল মামুন মন্ডল সহ অনেক নেতাকর্মী। সিটি করপোরেশনের কাজ নিয়ে ‘জনগণের সুবিধার’ যুক্তিতে প্রায়ই প্রকাশ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের মধ্যে অন্যদিকে মন্ত্রী রাসেলের চাচা মতিউর রহমান মতি গাজীপুর মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে গাজীপুরের আওয়ামীলীগের রাজনীতি চাঙ্গা করে রেখেছেন।

জেলায় অভিযোগ আছে, মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তার নিজ এলাকা কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার পরও মন্ত্রীর সঙ্গে ‘সমঝোতা’ করে কাজ করেন। এমনকি কালিয়াকৈর বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে যতো মামলা ছিল অধিকাংশ মামলা থেকে তাদের রেহাই পেতে সহযোগী করেছেন মন্ত্রী। গত উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী নৌকার বিরোধী অর্থাৎ বিদ্রোহী প্রার্থীকে পাশ করাতে বিএনপির নেতারা ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে, সব মামলা থেকে তাদের খালাস করে দেন।

জেলার রাজনীতিতে অনেকটা প্রভাবহীন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও কালিগঞ্জের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি ও কাপাসিয়ার সংসদ সদস্য বঙ্গতাজ কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। এই দুই নারী নিজ এলাকার রাজনীতি ও দলীয় কর্মকান্ড নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। আর শ্রীপুরের সংসদ সদস্য ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ জেলার রাজনীতিতেও তেমন গ্রুপিং বা দলাদলিতে না জড়ালেও নিজ এলাকার সাবেক এমপির সঙ্গে আছে চরম বিরোধ। সাবেক প্রবীণ সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রহমত আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট জামিল হাসান দুর্জয়ের সঙ্গে প্রায়ই বর্তমান এমপি সবুজের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে আসে। তাদের আলাদা দুটি গ্রুপও আছে। সবুজ আর দুর্জয় গ্রুপের গ্রুপিং শ্রীপুরে বেশ আলোচিত।

অন্যদিকে জেলায় বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থা ক্রমেই স্থিমিত হয়ে পড়ছে। একদিকে মামলা-হামলার ভয় ও আরেকদিকে রয়েছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব। দুয়ে মিলে ঘরের রাজনীতিতেই ঘুরপাক খাচ্ছে জেলা বিএনপি। সম্প্রতি দেশের প্রায় সব জেলায় বিএনপি বিক্ষোভ দেখালেও পারেনি গাজীপুরে। অনেক দিন ধরে জনসম্মুখে কোনো সভা-সমাবেশ করতে পারেনি। নিষ্প্রাণ দলীয় কার্যালয়ও প্রায় সময়ই থাকে তালাবদ্ধ। দীর্ঘদিন বিএনপির কোনো আন্দোলন-সংগ্রাম না থাকায় ঝিমিয়ে পড়েছে সংগঠনটির কার্যক্রম। আবার দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় না থাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বহু নেতাকর্মী গোপনে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে। একদিকে আওয়ামী লীগ ঢাকঢোল পিটিয়ে জেলায় প্রতিনিধি সমাবেশ করেছে। পাশাপাশি জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়নেও কাউন্সিল সম্পন্ন হওয়ার পথে। আর বিএনপি ইউনিয়ন ও উপজেলায় কাউন্সিল তো দূরের কথা দেড় বছর আগে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই ক্ষ্যান্ত। দুই সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে সাবেক এমপি ও মেয়র নির্বাচন করে হেরে যাওয়া হাসান উদ্দিন সরকারকে আহ্বায়ক ও শিল্পপতি মো. সোহরাব উদ্দিনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। জেলা সদর ও টঙ্গী বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী থাকলেও মনোনয়নবঞ্চিত হন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার।

তখন থেকে বিরোধ দেখা দেয় মনোনয়ন পাওয়া তারই কাজিন সালাহ উদ্দিন সরকারের সঙ্গে। এখন সে বিরোধ সাপে-নেউলে হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানকে রেকর্ডসংখ্যক বার কারাগারে আসা-যাওয়ায় থাকতে হয়েছে। গেল নির্বাচনে মনোনয়ন না পাওয়ায় রাজনীতির মাঠ থেকে হারিয়ে গেছেন তিনি। দলীয় কোনো কর্মকান্ডেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিএনপির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলনকেও বেশ নিষ্ক্রিয় দেখা যায়।

সাবেক মন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আ স ম হান্নান শাহ মারা যাওয়ার পর জেলায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে বিএনপির রাজনীতি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাসান উদ্দিন সরকার প্রাণের বাংলাদেশকে বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় জেলায় দলীয় কর্মকান্ড চলছে। সরকারি বাধায় যতটুকু সম্ভব হচ্ছে, করা হচ্ছে। রোজ আমাদের নানা চাপ নিয়ে কাজ করতে হয়। সাংগঠনিকভাবে দল চাঙ্গা করতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বিকল্প নেই। আর জেলা জাতীয় পার্টির অবস্থা ‘মাঠে নেই বললেই চলে’। কালেভদ্রে দেখা মেলে সামাজিক আচার অনুষ্ঠানে। দীর্ঘদিন ধরে নেই কমিটিও। খুব একটা মাঠে থাকার প্রয়োজন হয় না বলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়েই চলছে জেলা জাতীয় পার্টির রাজনীতি। সবকিছুর পরেও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নকে বাস্তবতা দিয়ে সোনার বাংলা নির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছেন সাহসীকতার সাথে।

দেশব্যাপী চলছে উন্নয়নের জোয়ার। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের গাজীপুরের সকল অঙ্গ সংগঠনের ঐক্যবদ্ধতা এখন সময়ের দাবী। প্রধানমন্ত্রীর কাছে গাজীপুরবাসীর দাবী সকলকে নিয়ে সকলের মধ্যে সকল মান অভিমান এবং সকলের ভিতরে সকল প্রকার দ্বন্দ্ব, লোভ-লালসা দূর করিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি প্রণয়ন করে সময় সময় গাজীপুরের রাজনীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনিটরিং হতে পারে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু ঘাটি রক্ষার রক্ষা কবজ।