Amar Praner Bangladesh

গাজীপুর সহ দেশ ব্যাপী মতিউর রহমান মতির রাজনৈতিক সফলতা

 

 

আল মামুন :

 

রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুর আধুনিক সভ্যতায় গড়ে উঠা এক নতুন শহর। তুরাগ নদী আহ্বায়িকায় টঙ্গী বাজার থেকে শুরু করে বিস্তৃত জনপথ চলে গেছে কাপাসিয়া পর্যন্ত। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের স্বনাম ধন্য কয়েকটি পরিবারের মধ্যে বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের পরিবার অন্যতম।

তারই সুযোগ্য সন্তান আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল (এমপি), যুব ও ক্রিয়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সততার সাথে পালন করে আসছেন। তারই আপন চাচা, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের স্নেহের ছোট ভাই মতিউর রহমান মতি গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সম্পূর্ণ গাজীপুরের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, মানুষের সমস্যা, সামাজিক, ধর্মীয়, শিক্ষা সহ সকল বিষয়ে সকাল থেকে বিকেল, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবদি একটানা কাজ করে আসছে যে ব্যক্তি তিনি হলেন মতিউর রহমান মতি।

গাজীপুর সহ দেশ ব্যাপী তার সুনাম যখন ছড়িয়ে পড়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সকল দাপ্তরিক দপ্তরগুলো তাকে নিয়ে ভালো কিছু চিন্তা করছে তখনই রাজনৈতিক ভাবে যারা তাকে ঈর্ষান্বিত চোখে দেখে তারা তাদের হীনমন্য চরিত্রের বহি:প্রকাশ ঘটিয়ে ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে নিন্দনীয় অপরাধ করেছে। প্রকাশিত সংবাদে লেখা হয়েছে মতিউর রহমান মতির কাজ শুরু হয় রাত ১২টার পর সহ বিভিন্ন কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যেভাবে সংবাদে বিষয়টিকে কোড করা হয়েছে প্রকৃতপক্ষে প্রেক্ষাপট ভিন্ন। গভীর রাত অবধি তিনি কাজ করেন মানুষের কল্যানে। তার কাছে ধর্ম- বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে ছেলে-মেয়ে, আবাল-বৃদ্ধা সবাই আসে সমস্যা নিয়ে।

তিনি একটি যৌথ পরিবারের মধ্যে বসবাস করেন। অন্য দশ জনের মতো ওনারও একটি সুন্দর সংসার আছে। যারা এসব কল্যানকর জনগণের জন্য উপকারের বিষয়গুলোকে কুলষিত করতে চায় তারা সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। এরকমই একটি কাজ করার গর্হিত চেষ্টা করেছে নামধারী কিছু সাংবাদিক।

সংশ্লিষ্ট বিষয়টি অনুধাপন করে কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাদেরকে প্রতিষ্ঠান থেকে বহিস্কার করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রকাশ করার তাগাদা দিয়েছে। মৃত্যুর এপারে ওপারে বেঁচে থাকে সেই সব কীর্তিত্বজন যারা লাভ করেন অনন্তের অভিধা স্বাত্তিকতার অভিধা মতিউর রহমান মতি এর জীবন অনন্তের, স্বাত্তিকের।

ইনসানুল কামিল তথা মানুষের সেবা আর কল্যাণে তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একই সুচাগ্রে গাঁথা হয়ে আছে থাকবে তার সহজ সরল চলাফেরা আর অহংকার মুক্ত মনের মধ্য দিয়ে। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জিবিত সৈনিক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন। তৃনমূল থেকে অদ্যবধি রাজনীতির প্রতিটি গন্ডি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পালন করে এসেছেন।

গভীর বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, তীক্ষ্ন মেধা, ঐশী শক্তি সম্পন্ন, বিচক্ষন-বিশ্লেষক, মানব দরদী সমাজ কল্যানকামী এই মহান পুরুষ তার পরিচ্ছন্ন, উদার ধর্ম ও সমাজ চিন্তার আলোকে সমগ্র মানব সমাজের উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিকজীবন গঠনের মহান দায়িত্ব নিয়ে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার উপর গভীর সাধনায় সাবলীল ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে।

একজন মানুষ মতিউর রহমান মতি কতটা সৎ ও শুদ্ধ, সত্য ও সুন্দর, সত্তম ও সদ্ধুত তা নির্ভর করে তার চরিত্র কতটা নিস্কলঙ্ক, কতটা অমল-ধবল, অমিতাভ, কতটা ন্যায়-নীতি আদর্শ নিষ্ঠা তার উপর। অনেক অভিজ্ঞাতায় অর্জিত শিক্ষা পারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে, কথায় ও কাজের অন্বয়ে, সুচিন্তন ও সুচেতার সাজুস্যে, স্নেহ ও প্রেমের সংশ্লেষ্ট-তবেই তার বিকাশ ও প্রকাশ, প্রতিভাস। মতিউর রহমান মতির চরিত্র নির্মল চরিত্র, ফুলেল চরিত্র নির্ঝর চরিত্র, রুপে অপরুপ রুপস চরিত্র।

এই জ্যেতিময় চরিত্র ধারন করে মতিউর রহমান মতি বিষ্ময়কর মানবরুপী একটি ভবিষ্যৎ আদর্শিক দৃষ্টান্ত, নিজের জন্য নয় তার কাজ করার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, মূল সাংস্কৃতির মূল্যবোধকে জাগ্রত করবে শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-গরিমা, প্রেম-প্রীতি ও পূণ্যতায়।