Amar Praner Bangladesh

গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের মোড় থেকে পুলিশ লাইন মোড় পর্যন্ত রাস্তা টুকু মৃত্যুর ফাঁদ

 

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

 

গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট রুটের পল্লি বিদ্যুতের মোড় থেকে কুয়াডাংগা পুলিশ বক্স পর্যন্ত রাস্তা টুকু মৃত্যুর ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে।

গত ১৭-১০-২০২১ইং তারিখ দুপুর ১২.৫৭ মিনিটের সময় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মবিলা মোড়ে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট রুটের রংপর জ-১৭৩৭ লোকাল বাসটি ভগবতি বিশ্বাস স্বামী মৃত বিধান বিশ্বাস কে চাপা দিয়ে মেরে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।

তাৎক্ষনিক ভাবে বিষয়টি বৌলতলী তদন্ত কেন্দ্রের কর্মরত অফিসার এস.আই. কামাল সঙ্গিয় ফোর্স সহ আহত ভগবতি বিশ্বাসকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে রওনা দেয় কিন্তু পথিমধ্যে মহিলাটি মারা যায়। অতপর অন্য অন্য পুলিশগন ঘাতক গাড়ি টিকে জব্দ করার জন্য খুজতে বের হয়। অনেক প্রচেষ্টার পরে ঘাতক গাড়িটিকে রামদিয়া নামক স্থানে গিয়ে ধরতে সক্ষম হয় এবং গাড়িটিকে জব্দ করে রামদিয়া পুলিশ পাড়িতে রেখে দেয়।

গত ১৯-১০-২০২১ইং তারিখ বেলা ২.৩৬ মিনিটের সময় কাশিয়ানীর নিজামকান্দি থেকে একটি নসিবনে গোপালগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পথিমধ্যে পিছন থেকে একটি পিকাপ ভ্যান গাড়ি উক্ত নসিবন টিকে ধাক্কা মারিলে ঘটনা স্থলেই লিমন, মঙ্গল, জুবায়ের নামে তিনটি যাত্রী মারা যায়। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্টো -ন- অথবা -ম- সিরিয়ালের ১৩৫৩। ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ওসি আবু নাইম মো: মোফাজ্জেল হক কঠিন তৎপরতা চালাইয়াও ঘাতক গাড়িটিকে ধরতে পারেন নাই।

সংবাদ সংগ্রহের সময় স্থানীয় প্রতক্ষদর্শী ও বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ জানায় যে, অদক্ষ চালক ও ফিটনেশ বিহীন গাড়ি এর এক মাত্র কারন। অপর দিকে হাইওয়ে রাস্তার দুপাশ দিয়েই মাহেন্দ্র, নসিবন, ইজিবাইক, ভ্যান প্রতিনিয়তই চলতে থাকে। তাই দ্রুতগামি দূরপাল্লার বাস গুলো তাহাদের উল্টা পাল্টা চলাফেরার কারনে এ রকমের দূর্ঘটনা ঘটে থাকে বলে জানা যায়। সত্য কথা মাহেন্দ্র ও ইজিবাইক অন্য রাষ্ট্র থেকে বড় বড় ব্যবসায়িরা আমদানি করে দেশে বিক্রি করে। গরীব মানুষ তাহাদের ভিটা বাড়ি বিক্রি করে জীবন জীবিকার কারনে এগুলো কিনে এবং রাস্তায় চালায়। কিন্তু মাঝে মধ্যেই ট্রাফিক পুলিশ তাহাদের গাড়ি গুলো ধরে জব্দ করে আবার ছেড়ে ও দেয়।

এখন প্রশ্ন থেকে যায় যদি এগুলো চালানোতে আপত্তি থাকে তাহলে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের এই গাড়ি গুলো দেশে আমদানি করতে অনুমতি কেন দেওয়া হয়েছিল ? তাই সর্বদিক বিবেচনা করে একটি নীতি মালা গঠন করে ইজিবাইক, মাহেন্দ, ভ্যান ও নসিবন চলাচল করতে দেওয়া হোক মর্মে বিভিন্ন গাড়ি চালকদের নেতাদের প্রানের দাবি। তাহা না হলে অগনিত মানুষ খেতে না পেয়ে মারা যাবে। তবে স্থানীয় লোকেরা জানায় যে, গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনের ট্রাফিখ বক্সের সামনে অনেক সময় ট্রাফিক পুলিশদের দেখা যায় না। এ বিষয়ে একটি সঠিক ও সুষ্ঠু সমাধান হোক ইহাই ভুক্তভোগীদের একমাত্র দাবি।