Amar Praner Bangladesh

চবি’তে শিক্ষকদের কোন্দলে ১৯ মাসেও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা হয়নি

তানজিল তুসার, চবি সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দলের কারণে গত ১৯ মাসেও অনুষ্ঠিত হয়নি নৃবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্র্ষের পরীক্ষা। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে নৃবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা থাকতেই পাওে, সেই ঝামেলার কারণে আমরা কেন ভুক্তভোগী হবো? দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চতুর্থ বর্ষে রয়েছি তারপরেও আমাদের পরীক্ষার কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না আমাদের বিভাগ। কিন্তু আমাদের সাথে আরো অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনার্স শেষ করে মাস্টার্সের ক্লাস করছে ছয় মাস ধরে। অথচ আমরা এখনো অনার্স শেষ দিতে পারি নাই। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন চাকরির জন্য আবেদন ও ৩৮ তম বিসিএস এ অংশগ্রহণ করতে পারছি না।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী গাজী আতিকের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আজ আমাদের পিট দেয়ালে ঠেকে গেছে। যেখানে আমরা চাকরি জন্য আবেদন করবো সেখানে আমাদের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরুই হয়নি। আমারা পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে আবেদন করেছি। তারপরেও পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের যদি পরীক্ষা না নেওয়া হয় তাহলে আমাদেরকে সার্টিফিকেট দেওয়া হোক। আমরা শিক্ষকদের অনুরোধ করে বলছি নিজেদের ব্যক্তিগত ঝামেলা নিয়ে আমাদের ভবিষৎ নষ্ট করবেন না। অবিলম্বে আমাদের পরীক্ষা নিয়ে আমাদের মুক্ত করেন।
চবি’তে শিক্ষকদের কোন্দলে ১৯ মাসেও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা হয়নি
তানজিল তুসার, চবি সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দলের কারণে গত ১৯ মাসেও অনুষ্ঠিত হয়নি নৃবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্র্ষের পরীক্ষা। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে নৃবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা থাকতেই পাওে, সেই ঝামেলার কারণে আমরা কেন ভুক্তভোগী হবো? দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চতুর্থ বর্ষে রয়েছি তারপরেও আমাদের পরীক্ষার কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না আমাদের বিভাগ। কিন্তু আমাদের সাথে আরো অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনার্স শেষ করে মাস্টার্সের ক্লাস করছে ছয় মাস ধরে। অথচ আমরা এখনো অনার্স শেষ দিতে পারি নাই। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন চাকরির জন্য আবেদন ও ৩৮ তম বিসিএস এ অংশগ্রহণ করতে পারছি না।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী গাজী আতিকের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আজ আমাদের পিট দেয়ালে ঠেকে গেছে। যেখানে আমরা চাকরি জন্য আবেদন করবো সেখানে আমাদের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরুই হয়নি। আমারা পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে আবেদন করেছি। তারপরেও পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের যদি পরীক্ষা না নেওয়া হয় তাহলে আমাদেরকে সার্টিফিকেট দেওয়া হোক। আমরা শিক্ষকদের অনুরোধ করে বলছি নিজেদের ব্যক্তিগত ঝামেলা নিয়ে আমাদের ভবিষৎ নষ্ট করবেন না। অবিলম্বে আমাদের পরীক্ষা নিয়ে আমাদের মুক্ত করেন।